সর্বশেষ সংবাদ

আমাদের মুখোশ নেই, মুখ আছে




ট্রান্সপারেন্সি ইন্টারন্যাশনাল বাংলাদেশের (টিআইবি) নির্বাহী পরিচালক ড. ইফতেখারুজ্জামান বলেছেন, আমি তার বক্তব্যে বিব্রত হয়েছি। তিনি যে ভাষা ব্যবহার করেছেন তাতে তিনি নিজেই নিজেকে বিব্রত করেছেন। সরকারের অনুমোদনের বাইরে টিআইবি কোনো অর্থ গ্রহণ করতে পারে না, ব্যয়ও করতে পারে না। আমাদের কোনো মুখোশ নেই, মুখ আছে। গতকাল বৃহস্পতিবার ‘জাতীয় শুদ্ধাচার কৌশল : বাস্তবায়ন ও অগ্রগতি’ শীর্ষক প্রতিবেদন প্রকাশ উপলক্ষে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে বুধবার দুদক কমিশনার সাহাবুদ্দিন চুপ্পুর টিআইবিকে নিয়ে করা মন্তব্যের জবাবে তিনি এ কথা বলেন।

এর আগে গত বুধবার দুদকের একটি অনুষ্ঠানে কমিশনার সাহাবুদ্দিন চুপ্পু বলেন, দুদকের কার্যক্রম নিয়ে বিভ্রান্তি সৃষ্টিকারী টিআইবির মুখোশ খুলে দেয়া হবে। অচিরেই টিআইবির কার্যকলাপের কথা জনগণের সামনে তুলে ধরা হবে। তারা বিদেশি টাকা দিয়ে এ দেশে  কী কাজ করেন, তাও তুলে ধরা হবে।

এ বক্তব্যের সমালোচনা করে ইফতেখারুজ্জামান বলেন, বিদেশিদের টাকায় টিআইবি চলে এটা সবাই জানে। এটা নতুন করে বলার কিছু নেই। যেসব প্রতিষ্ঠান বিদেশিদের টাকায় চলে সেসব প্রতিষ্ঠানকে বন্ধ করে দেয়ার জন্য আপনারা সরকারকে বলুন।

তিনি বলেন, টিআইবি দুর্নীতি দমন কমিশনের সহায়ক শক্তি। দুদক শক্তিশালী হোক এটাই টিআইবি চায়। কোনো অনিয়ম-দুর্নীতি পেলে দেরি কেন, আজই মামলা করুন! সমালোচনা করার কারণে যদি টিআইবিকে হেনস্তা করা হয় তবে তা হবে অন্যায়। তথ্য অধিকার আইনে কারো সমালোচনা করা অন্যায় নয়। উদ্দেশ্যমূলকভাবে কিছু করার ক্ষমতা দুদক বা সরকারের নেই। বাংলাদেশে দুদক প্রতিষ্ঠার পেছনে টিআইবির অবদান কম নয়। দুর্নীতি দমন ব্যুরো থেকে দুর্নীতি দমন কমিশন করার জন্য আমরাও কাজ করেছি।

সংবাদ সম্মেলনে প্রতিবেদন পাঠ করেন টিআইবি রিসার্চ অ্যান্ড পলিসি বিভাগের শাম্মী লায়লা ইসলাম ও সাধন কুমার দাস। অনুষ্ঠানে আরো উপস্থিত ছিলেন সাবেক তত্ত্বাবধায়ক সরকারের উপদেষ্টা ও টিআইবির ট্রাস্টি বোর্ডের সদস্য এম হাফিজ উদ্দিন খান এবং উপ-নির্বাহী পরিচালক ড. সুমাইয়া খায়ের।

প্রতিবেদনে ১০টি রাষ্ট্রীয় ও ৬টি অরাষ্ট্রীয় প্রতিষ্ঠান নিয়ে গবেষণা করা হয়। রাষ্ট্রীয় প্রতিষ্ঠানগুলো হচ্ছে- নির্বাহী বিভাগ ও জনপ্রশাসন, জাতীয় সংসদ, বিচার বিভাগ, নির্বাচন কমিশন, অ্যাটর্নি জেনারেলের কার্যালয়, সরকারি কর্মকমিশন, মহাহিসাব-নিরীক্ষক ও নিয়ন্ত্রকের কার্যালয়, ন্যায়পাল, দুর্নীতি দমন কমিশন ও স্থানীয় সরকার এবং অরাষ্ট্রীয় প্রতিষ্ঠানগুলো হচ্ছে- রাজনৈতিক দল, বেসরকারি খাতের শিল্প ও বাণিজ্যিক প্রতিষ্ঠান, এনজিও ও সুশীল সমাজ, পরিবার, শিক্ষা প্রতিষ্ঠান এবং গণমাধ্যম। টিআইবির গবেষণায় এই প্রতিষ্ঠানগুলোর পদ্ধতির অনেকাংশে ঘাটতি রয়েছে। এগুলো মোকাবিলায় টিআইবি ১০ দফা সুপারিশ উপস্থাপন করেছে।

এগুলো হচ্ছে- সরকারি ও বেসরকারি পর্যায়ে জাতীয় শুদ্ধাচার কৌশল সম্পর্কে ব্যাপক প্রচার, যেসব প্রতিষ্ঠানে নৈতিকতা কমিটি ও শুদ্ধাচার বাস্তবায়ন কমিটি গঠিত এবং ফোকাল পয়েন্ট নির্ধারিত হয়নি তা দ্রুত সম্পন্নকরণ, আর্থিক বরাদ্দ এবং নিয়মিত প্রতিবেদন প্রণয়নের বিধান রেখে নৈতিকতা কমিটির কার্যক্রমকে প্রশাসনিক কার্যক্রমের আওতায় নিয়ে আসা, জাতীয় সততা ব্যবস্থার সব স্তম্ভ এবং গুরুত্বপূর্ণ প্রতিষ্ঠানকে যেমন- তথ্য কমিশন, মানবাধিকার কমিশন, আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী, সশস্ত্র বাহিনী এবং রাজস্ব বোর্ডকে কৌশলপত্রে অন্তর্ভুক্তকরণ, রাষ্ট্রীয় ও অরাষ্ট্রীয় প্রতিষ্ঠানের কর্মপরিকল্পনায় শুদ্ধাচারের প্রধান সূচক এবং দুর্নীতি রোধের বিষয়টিকে অগ্রাধিকার ভিত্তিকে অন্তর্ভুক্তকরণ এবং সব অরাষ্ট্রীয় প্রতিষ্ঠানে শুদ্ধাচার বাস্তবায়নের প্রয়োজনীয় পদ্ধতি চূড়ান্তকরণ।




Disclaimer:

This post might be introduced by another website. If this replication violates copyright policy in any way without attribution of its original copyright owner, please make a complain immediately to this site admin through Contact.

বিখ্যাতদের অঙ্গ (আইনস্টাইনের মৃত্যুর এক ঘণ্টার মধ্যেই তার মস্তিষ্কটি দেহ থেকে আলাদা করে নেয়া হয়)




আইনস্টাইনের মস্তিষ্ক: আইনস্টাইনের মস্তিষ্ক সম্ভবত বিশ শতকের সবচেয়ে বিখ্যাত মানব অঙ্গ। আইনস্টাইনের মস্তিষ্ককে জিনিয়াস শব্দটির সমার্থক ধরা হয় এবং তার মস্তিষ্ক নিউরোসায়েন্টিস্টদের আগ্রহের অন্যতম বিষয়। আইনস্টাইনের মৃত্যুর এক ঘণ্টার মধ্যেই তার মস্তিষ্কটি দেহ থেকে আলাদা করে নেয়া হয়। প্রাথমিক গবেষণায় আইনস্টাইনের মস্তিষ্কের সঙ্গে সাধারণ মানুষের মস্তিষ্কের বেশকিছু উল্লেখযোগ্য পার্থক্য পাওয়া গেছে। প্রাথমিক গবেষণার পরপরই মস্তিষ্কটি হারিয়ে যায়। মস্তিষ্কের বেশকিছু টুকরো পরবর্তী সময়ে গবেষকদের গবেষণার জন্য দেয়া হলেও এর মূল অংশটি রয়ে যায় সেই চিকিৎসকের কাছে, যিনি আইনস্টাইনের শরীর থেকে এটি আলাদা করেছিলেন। আইনস্টাইনের মস্তিষ্কের এই ভ্রমণ নিয়ে বেশ কয়েকটি ডকুমেন্টারি ফিল্ম তৈরি হয়েছে। আইনস্টাইন যেন বর্তমান যুগের সে রকমই কোনো এক সাধু-সন্ত।



গ্যালিলিওর আঙ্গুল: ‘পৃথিবী সূর্যের চারদিকে ঘোরে’-এই বিশ্বাসটি পরিত্যাগ না করায় গ্যালিলিওকে ভোগ করতে হয়েছিল অনেক কষ্ট। শাস্তি হিসেবে চার্চ কর্তৃক তাকে গৃহবন্দিও করে রাখা হয়েছিল। মৃত্যুর পর তাকে সমাহিত করা হয়েছিল একটি সাধারণ সমাধিতে। পরবর্তী প্রজন্ম যখন তার গুরুত্ব অনুধাবন করে তখন তার মরদেহ একটি অভিজাত, জাঁকালো সমাধিতে স্থানান্তর করা হয়। মরদেহ স্থানান্তরের সময় তার অনুসারীরা গ্যালিলিওর ডান হাতের মাঝের আঙ্গুলটি রেখে দেন স্মৃতিচিহ্ন হিসেবে। ফ্লোরেন্সে অবস্থিত ‘মিউজিয়াম অব হিস্ট্রি অ্যান্ড সায়েন্স’-এ আঙ্গুলটি এখন সংরক্ষিত আছে। গ্যালিলিও’র এই সংরক্ষিত আঙ্গুল চার্চ কর্তৃপক্ষের ভুলের প্রতীকী প্রতিবাদ বলে অনেকে মনে করেন। যদিও পরবর্তী সময়ে চার্চ কর্তৃপক্ষ তাদের কৃতকর্মের জন্য দুঃখ প্রকাশ করেছে, হ রেহ্নুমা তারান্নুম।



ক্রমওয়েলের মাথা: আদালতের রায়ে দোষী সাব্যস্ত ব্যক্তি যদি জীবিত না থাকে তবে সেই ব্যক্তির মরদেহ বিচারের জন্য আদালতে হাজির করার নিয়ম ছিল এক সময়। রাজা দ্বিতীয় চার্লসের রাজতন্ত্র পুনঃপ্রতিষ্ঠার পর অলিভার ক্রমওয়েলের মৃতদেহ তোলা হয় এবং দ্বিতীয় চার্লসের পূর্বপুরুষ ও পিতা প্রথম চার্লসের মৃত্যু পরোয়ানায় দস্তখত করার জন্য দোষী সাব্যস্ত করা হয়। শাস্তি হিসেবে ক্রমওয়েলের মৃতদেহ জনসমক্ষে ঝুলিয়ে মাথাটি কেটে নেয়া হয় এবং সেই কর্তিত মাথা ওয়েস্টমিনস্টার অ্যাবেতে প্রদর্শনের জন্য রাখা হয়। এই কর্তিত মস্তকে নিয়ম করে আলকাতরা মাখা হতো, যাতে এটি দীর্ঘদিন প্রদর্শন করা যায় এবং দেখানো যায় যে, ক্রমওয়েলের কী শাস্তি হয়েছিল। একবার ঝড়ে মাথাটি স্থানচ্যুত হলে এক প্রহরী এটি চুরি করে নেয়।



বেন্থামের মাথা: জেরেমি বেন্থামের উইল অনুযায়ী তার মৃতদেহ অ্যানাটমি ক্লাসে ব্যবচ্ছেদের জন্য দান করা হয়। পরবর্তী সময় তার কঙ্কাল ও মাথাটি ‘অটো আইকন’ নামে একটি কাঠের ক্যাবিনেটে সংরক্ষণ করে রাখা হয়। ইউনিভার্সিটি কলেজ লন্ডনে স্থাপিত অটো আইকনে সংরক্ষিত বেন্থামের কঙ্কালটিকে পরিয়ে রাখা হয় বেন্থামেরই পোশাক। বেন্থামের ইচ্ছা ছিল মৃত্যুর পর তার শারীরিক উপস্থিতি নিশ্চিত করার জন্য অটো আইকনে তার মমিকৃত মাথাটি রাখা হবে।


Disclaimer:

This post might be introduced by another website. If this replication violates copyright policy in any way without attribution of its original copyright owner, please make a complain immediately to this site admin through Contact.

গুগল আইও’র ১০টি সম্ভাব্য ঘোষণা




আগামী ২৫ জুন শুরু হতে যাচ্ছে গুগলের সবচেয়ে বড় ইভেন্ট গুগল আইও। আইও-এর আই দিয়ে ইনপুট এবং ও দিয়ে আউটপুট নির্দেশ করা হয়। এছাড়াও ইনোভেশন ইন দ্য ওপেনও বলা হয়ে থাকে। ২০০৮ সালে প্রথমবারের মতো এই সম্মেলনের আয়োজন করা হয়। ক্যালিফোর্নিয়ার সানফ্রান্সিসকোতে অনুষ্ঠিতব্য এ অনুষ্ঠানের  সম্ভাব্য ১০টি ঘোষণা নিয়ে জানাচ্ছেন রুহুল আমিন

১. অ্যান্ড্রয়েড আপডেট: এবারের সম্মেলন থেকে আসতে পারে গুগলের অপারেটিং সিস্টেম অ্যান্ড্রয়েডের নতুন ভার্সন ৪.৫ অথবা ৫.০-এর ঘোষণা। আর এর সম্ভাব্য নাম হতে পারে ললিপপ। এর আগে অ্যান্ড্রয়েডের সর্বশেষ ভার্সন কিটক্যাটের ঘোষণা দেয়া হয় বর্তমান সম্মেলনের প্রায় ৯ মাস আগে। আর গুগল প্রায় ৫ থেকে ৮ মাসের মধ্যে তাদের নতুন অ্যান্ড্রয়েড ভার্সনের ঘোষণা দিয়ে থাকে। নতুন এই আপডেটে থাকতে পারে বেশকিছু পরিবর্তন। বিশেষ করে গুগলের আপকামিং স্মার্টওয়াচের কথা মাথায় রেখে আনা হতে পারে এটি।

২. নেক্সাস ১০ এবং ক্রোমবুক পিক্সেল ২: গুগল তাদের অ্যান্ড্রয়েডের নতুন ভার্সনের সঙ্গে নতুন ডিভাইসের ঘোষণাও দিয়ে থাকে। আর সেই ধারাবাহিকতায় এবার ঘোষণা আসতে পারে নেক্সাস ১০ ট্যাবের। মূলত অ্যাপলের ৯.৭ ইঞ্চির আইপ্যাড এয়ারের সঙ্গে প্রতিযোগিতায় নামতেই এই ডিভাইসটি আনা হতে পারে। তবে স্যামসাংয়ের পরিবর্তে এটি তৈরি করতে পারে আসুস কিংবা এলজি। কেননা স্যামসাং ইতোমধ্যেই ১০.১ ইঞ্চি পর্দার এ ধষধীু ঞধন ১০.১ তৈরির কাজ শুরু করেছে। এছাড়াও এবার নতুন ক্রোম অপারেটিং সিস্টেমের সঙ্গে ক্রোমবুক পিক্সেলের ঘোষণা দেয়া হতে পারে।

৩. গুগল ওয়াচ : অ্যান্ড্রয়েড উইয়ার প্ল্যাটফর্মভিত্তিক স্মার্টওয়াচ এবারের সম্মেলনের একটি অন্যতম আকর্ষণ। ধারণা করা হচ্ছে আপকামিং এলজি জিথ্রি এর উপযোগী করে এলজি জি ওয়াচ আনা হতে পারে এবারের ঘোষণার পরই।

৪. গুগল গ্লাস: বাজারে আসার পর থেকেই বেশ আলোচনা-সমালোচনার জন্ম দিয়েছে গুগল গ্লাস। বিশেষ করে এর দাম নিয়েই মানুষের ক্ষোভ ছিল বেশি। এর মূল্য ধরা হয় ১ হাজার ৫০০ ডলার, যা অনেকেরই সাধ্যের বাইরে। তাই অনেকেই ধারণা করছেন এবারের সম্মেলন থেকে হয়তো আরো কম দামে গুগল গ্লাসের কনজ্যুমার ভার্সনের ঘোষণা দেয়া হতে পারে। তবে এখন পর্যন্ত সে রকম কোনো পূর্বাভাস পাওয়া যায়নি।

৫. ক্রোমকাস্ট: গুগল এখন পর্যন্ত বেশ ভালো পরিমাণে এই ডিভাইসটি বিক্রি করতে সক্ষম হয়েছে। গুগলের এই ব্রডকাস্ট ডিভাইসে নতুন কিছু অ্যাপ যোগ করার ঘোষণা দেয়া হতে পারে, যেখানে থাকতে পারে কিছু স্পোর্টস অ্যাপ।

৬. অ্যাপল কার প্লে বিকল্প: অ্যাপল মাস দুয়েক আগে ঘোষণা দেয় অ্যাপল কার প্লের। এবার গুগল থেকেও এর প্রতিযোগী কোনো বিকল্পের ঘোষণা আসতে পারে। এর মানে হলো গাড়িতেই থাকবে অ্যান্ড্রয়েড। এর মধ্যে থাকতে পারে গান শোনার সফটওয়্যার, গুগল ম্যাপ নেভিগেশন প্রভৃতি সুবিধা।

৭. আর্মি অব রোবট: গত বছরের শেষের দিকে গুগল কিনে নিয়েছিল রোবট নির্মাতা প্রতিষ্ঠান বোস্টন ডায়নামিক্সকে। এরপরই আরো আট দিনের ব্যবধানে গুগল অধিগ্রহণ করে আরো ছয়টি রোবট নির্মাতা প্রতিষ্ঠানকে। এটা একদমই পরিষ্কার যে, গুগল চাইছে আর্মি অব রোবট প্রতিষ্ঠা করতে। এই বিষয়ে আরো বিস্তারিত ধারণা দেয়া হতে পারে গুগলের আইও সম্মেলনে।

৮. নেস্টের নতুন ভার্সন: গুগল ইতোমধ্যেই এর থার্মোস্ট্যাট ডিভাইস নেস্টের নতুন ভার্সন গুগল প্লে স্টোরে বিক্রি শুরু করেছে। মূলত বাসায় এটি ধোঁয়া এবং কার্বন-ডাই অক্সাইড ডিটেক্টর হিসেবে কাজ করে। তবে যান্ত্রিক ত্রুটির কারণে এর বিক্রি বন্ধ রাখা হয়। তবে ধারণা করা হচ্ছে, এই সম্মেলনের মাধ্যমে ত্রুটিমুক্ত নেস্টের বিক্রি আবার শুরু করা হতে পারে।

৯. প্রজেক্ট এআরএ: ধারণা করা হচ্ছে, গুগলের এই সম্মেলনে দেখানো হতে পারে গুগলের উচ্চাকাক্সক্ষী প্রজেক্ট এআরএ’র ডেমো। মূলত স্মার্টফোনের বিভিন্ন হার্ডওয়্যার প্রয়োজনমতো পরিবর্তন করা যাবে, এমন ডিভাইস তৈরির গবেষণা করার জন্য গুগল এই প্রোজেক্ট চালু করে।

১০. গুগল ফাইবার: উচ্চগতির ইন্টারনেট সেবা দেয়ার জন্য গুগল চালু করে গুগল ফাইবার সেবা। বলা হয়ে থাকে, সাধারণ ব্রডব্যান্ড থেকে প্রায় ১০০ গুণ উচ্চগতির ইন্টারনেট পাওয়া যায় গুগলের এই সুবিধার মাধ্যমে।

আর এবারের সম্মেলন থেকে এই সেবার আরো নতুন বিস্তৃতির ঘোষণা দেয়া হতে পারে।




Disclaimer:

This post might be introduced by another website. If this replication violates copyright policy in any way without attribution of its original copyright owner, please make a complain immediately to this site admin through Contact.

মহাকাশে বাংলাদেশের নিজস্ব স্যাটেলাইট ‘বঙ্গবন্ধু-১’




মহাকাশে নিজস্ব স্যাটেলাইট ‘বঙ্গবন্ধু-১’ উৎক্ষেপন ২০১৭ সালের আগে সম্ভব
নয় বলে জানিয়েছেন টেলিযোগাযোগ সচিব আবু বকর সিদ্দিক। তিনি
বলেন, এ বিষয়ে প্রাথামিক যাচাই-বাছাই করতে একটি প্রকল্প হাতে নেওয়া হয়েছে।
মহাকাশে নিজস্ব স্যাটেলাইট বঙ্গবন্ধু-১ লাভজনক হবে কি হবেনা, হলেও কতটা
হবে, এসব বিষয় খতিয়ে দেখতেই মূলত এই প্রাথমিক প্রকল্প। এ প্রসঙ্গে ডাক ও
টেলিযোগাযোগ এবং তথ্য ও প্রযুক্তি মন্ত্রী আব্দুল লতিফ সিদ্দিকী বলেন,
‘বঙ্গবন্ধু-১ স্যাটেলাইট উৎক্ষেপনে প্রায় সাড়ে তিন হাজার কোটি টাকার
প্রয়োজন। এত টাকা সরকারের পক্ষে যোগান দেয়া সম্ভব নয়। তাই আমরা ডোনার
খুজঁছি।’




ডোনার প্রসঙ্গে সচিব আবু বকর সিদ্দিক বলেন, যুক্তরাষ্ট্রের এক্সপোর্ট
ইমপোর্ট ব্যাংক, ব্রিটেনের সিডব্লিউজি গালফ ইন্টারন্যাশনাল, চায়না গ্রেট
ওয়াল ইন্ডাস্ট্রি করর্পোরেশন, এইচএসবিসি ফ্রান্স এবং জাপান ব্যাংক ফর
ইন্টারন্যাশনাল কো-অপারেশন এ খাতে অর্থায়নে আগ্রহী। এক্ষেত্রে যে
প্রতিষ্ঠানের প্রস্তাব লাভজনক মনে হবে তাদেরকে মুল্যায়ন করা হবে। এছাড়া
ইতোমধ্যে স্যাটেলাইটের উন্নয়ন প্রকল্প প্রস্তাব (ডিপিপি) চূড়ান্ত করে তা
অর্থমন্ত্রণালয় এবং অর্থনৈতিক সম্পর্ক বিভাগে (ইআরডি) পাঠানো হয়েছে। এখন
অর্থ মন্ত্রণালয় এবং ইআরডি দাতা সংস্থাদের সঙ্গে সমঝোতা করবে বলে জানান
সচিব।

জানা গেছে, মহাকাশে নিজস্ব স্যাটেলাইট ‘বঙ্গবন্ধু-১’ উৎক্ষেপনে এক বছর
আগে রাশিয়ার ইন্টারস্পুটনিকের সঙ্গে প্রাথমিক চুক্তি হলেও এখনও চূড়ান্ত
চুক্তি হয়নি। স্যাটেলাইটটি উৎক্ষাপনে ইন্টারস্পুটনিকের ১১৯ দশমিক ১/ই
কক্ষপথ বরাদ্দ নিতে আলোচনা চলছে। গত বছরের ফেব্রুয়ারিতে এ বিষয়ে একটি
সমঝোতা চুক্তিও স্বাক্ষর করেছে উভয় পক্ষ।


বাংলাদেশ টেলিযোগাযোগ নিয়ন্ত্রণ কমিশনের (বিটিআরসি) ঊধ্বর্তন এক
কর্মকর্তা জনান, এ বিষয়ে ইন্টারস্পুটনিকের একটি প্রতিনিধিদল গত বছরের
মাঝামাঝি বাংলাদেশ সফর করেছে। সফরকালে তাদের সঙ্গে বিটিআরসির একাধিক বৈঠকও
হয়েছে। ১১৯ দশমিক ১/ই কক্ষপথ বরাদ্দ নেয়ার বিষয়টি এখন অনেকটায় চূড়ান্ত
পর্যায়ে রয়েছে। শিগগিরই কক্ষপথ বরাদ্দের বিষয়ে ইন্টারস্পুটনিকের সঙ্গে
অরবিটাল স্লট এগ্রিমেন্ট এবং সার্ভিস এগ্রিমেন্ট নামে দুটি চুক্তি করবে
বিটিআরসি।




তিনি বলেন, প্রতিষ্ঠানটির সঙ্গে আলোচনার মাধ্যমে কক্ষপথের মূল্য ৩ কোটি
৬০ লাখ ডলার থেকে কমিয়ে ২ কোটি ৮০ লাখ ডলার নির্ধারণের জন্য প্রাথমিক
সমঝোতাও হয়েছে।




জানা গেছে, দেশের প্রথম স্যাটেলাইট বঙ্গবন্ধু-১ উৎক্ষেপণে ২০১২ সালের ২৯
মার্চ যুক্তরাষ্ট্রভিত্তিক পরামর্শক প্রতিষ্ঠান স্পেস পার্টনারশিপ
ইন্টারন্যাশনালের (এসপিআই) সঙ্গে চুক্তি করে বিটিআরসি। চুক্তি অনুযায়ি
স্যাটেলাইটের নকশা প্রণয়ন, গ্রাউন্ড স্টেশন নির্মাণ, বাজার মূল্যায়ন,
ম্যানুফ্যাকচারিং, স্যাটেলাইটের মার্কেটিং, দেশের প্রযুক্তিবিদদের
প্রশিক্ষণসহ স্যাটেলাইট উৎক্ষেপণের জন্য সংশ্লিষ্ট বিভিন্ন দায়িত্ব পালন
করবে যুক্তরাষ্ট্রের এই কোম্পানিটি। আর এসকল প্রক্রিয়া সম্পন্ন করার জন্য
পরামর্শক প্রতিষ্ঠান এসপিআইকে দিতে হবে ৮২ কোটি টাকা। প্রায় সাড়ে তিন হাজার
কোটি টাকা ব্যয়ে এ প্রকল্পটি সরকারি-বেসরকারি অংশীদারিত্বের (পিপিপি)
ভিত্তিতে বাস্তবায়ন করা হবে। ইতিমধ্যে ডাক ও টেলিযোগাযোগ মন্ত্রণালয় উন্নয়ন
প্রকল্প প্রস্তাব (ডিপিপি) চূড়ান্ত করে তা জাতীয় অর্থনৈতিক পরিষদের
নির্বাহী কমিটিতে (একনেক) পাঠিয়েছে।




সংশ্লিষ্টদের মতে, মহাকাশে নিজস্ব স্যাটেলাইট স্থাপনের কথা ছিল ২০১৪
সালে। কক্ষপথ বরাদ্ধসহ নানা জটিলতায় নির্ধারিত সময়ে এটি উৎক্ষেপন সম্ভব
হচ্ছে না। তবে যতদ্রুত সম্ভব এই প্রকল্পটি বাস্তবায়ন করা জরুরি।






Disclaimer:

This post might be introduced by another website. If this replication violates copyright policy in any way without attribution of its original copyright owner, please make a complain immediately to this site admin through Contact.

মেড ইন বাংলাদেশ,নেইমারদের জার্সিতে




‘মেড ইন বাংলাদেশ’ ট্যাগ গায়ে বিশ্বকাপে মাঠে নামবেন বিশ্ব ফুটবলের সেরাদের সেরা পাঁচবারের বিশ্বচ্যাম্পিয়ন ব্রাজিল। বাংলাদেশের পোশাক শিল্পের অন্যতম ক্রেতা দক্ষিণ আমেরিকার এ বৃহত্তম দেশটি। এর আগেও ব্রাজিলিয়ান ফুটবলাররা বাংলাদেশের তৈরি জার্সি গায়ে মাঠে নেমেছেন।
ফুটবল বিশ্বকাপের বাকি মাত্র কিছুদিন। এবারের আয়োজক ব্রাজিল।
বাংলাদেশে এ দলটির ভক্ত-সমর্থক অগণিত। আর ব্রাজিল ভক্তদের আনন্দের মাত্রা বাড়িয়ে দিয়েছে বাংলাদেশের তৈরি জার্সি গায়ে মাঠে নামবেন আলভেস, নেইমাররা এ খবরটি। সম্প্রতি বাংলাদেশের পোশাক শিল্পে ঘটে গেছে দুটি ভয়াবহ ঘটনা। তাজরিন গার্মেন্টস এবং রানা প্লাজা ধস আর এ দুটি ঘটনায় ব্যাপক প্রাণহানির ঘটনা ঘটেছে। হাজারেরও অধিক পোশাক শ্রমিক অকালে প্রাণ হারিয়েছেন। পোশাক শিল্পের এসব শ্রমিকদের ঘাম আর রক্তে ভেজা পরিশ্রমের ফসল তৈরি পোশাক। যা বিশ্বের বিভিন্ন দেশে রফতানি হয়।
মূলত অকালে প্রাণ হারানো বাংলাদেশের শ্রমিকদের সম্মানার্থে ‘মেড ইন বাংলাদেশ’ জার্সি গায়ে মাঠে নামবে ব্রাজিল।


Disclaimer:

This post might be introduced by another website. If this replication violates copyright policy in any way without attribution of its original copyright owner, please make a complain immediately to this site admin through Contact.

সিসি ‘জয়’ পেয়েছেন, ‘গ্রহণযোগ্যতা’ নয়





সাবেক সেনাপ্রধান আবদেল ফাত্তাহ আল-সিসি

ফলাফল কী হতে পারে আগেই জানা ছিল, তারপরও মিশরের প্রেসিডেন্ট নির্বাচনে
অর্ধেকের কম ভোটারের অংশগ্রহণ এবং বাক্সে ভোট বাড়াতে নানা কৌশলের কারণে
প্রশ্নের মুখে পড়েছে সাবেক সেনাপ্রধান আবদেল ফাত্তাহ আল-সিসির বিপুল বিজয়৷



মিশরের রাষ্ট্রীয় টেলিভিশনে যে ফল প্রকাশ করা হয়েছে, তাতে অবসরপ্রাপ্ত ফিল্ড মার্শাল সিসি
পেয়েছেন ৯৬ শতাংশ ভোট৷ পাঁচ কোটি ৪০ লাখ ভোটারের মধ্যে ৪৬ শতাংশ এবারের
নির্বাচনে ভোট দিয়েছেন বলে দাবি করা হলেও, তা প্রত্যাখ্যান করেছেন সিসির
একমাত্র প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থী হামদিন সাবাহি৷ তিনি নিজে ৩ শতাংশেরও কম
ভোট পেয়েছেন৷



২০১২ সালের নির্বাচনের কথা বাদ দিলে মিশরের জনগণ শাসক হিসেবে কেবল সেনাপ্রধানদেরই দেখে এসেছে৷ নির্বাচনে বিজয়ী হয়ে সিসি প্রেসিডেন্ট হিসাবে আইনি বৈধতা পেলেও তাঁর গ্রহণযোগ্যতা নিয়ে প্রশ্ন থেকেই যাচ্ছে৷



হোসনি মুবারকের তিন দশকের স্বৈরাশাসনের অবসানের পর, ২০১২ সালে মিশরের
ইতিহাসের প্রথম গণতান্ত্রিক নির্বাচনে জয়ী হয়ে প্রেসিডেন্ট নির্বাচিত
হয়েছিলেন মুসলিম ব্রাদারহুডের নেতা মোহাম্মদ মুরসি৷ কিন্তু মাত্র এক বছরের
মাথায় তাঁর বিরুদ্ধেও ব্যাপক বিক্ষোভ শুরু হয় এবং সিসির নেতৃত্বে
সেনাবাহিনী মুরসিকে উৎখাত করে৷

মুসলিম ব্রাদারহুড নিষিদ্ধ হওয়ায় এবারের প্রেসিডেন্ট নির্বাচনে আল-সিসির জয়
এতটাই নিশ্চিত ছিল যে ভোটারদের মধ্যে কেন্দ্রে যাওয়ার আগ্রহ দেখা যায়নি
মোটেই৷ যদিও সিসি ৮০ শতাংশ ভোট বাক্সে পড়বে বলে আশা প্রকাশ করেছিলেন৷



সরকারি প্রচারমাধ্যম শেষ পর্যন্ত ৪৬ শতাংশ ভোট পড়ার কথা দাবি করলেও
পর্যবেক্ষকদের ধারণা, এই হার ২০ শতাংশের মতো হবে৷ আর বামপন্থি প্রার্থী
হামদিন সাবাহির দাবি, ভোট পড়ার হার কোনোভাবেই ১৫ শতাংশের বেশি হবে না৷





এই সংখ্যা বাড়ানোর জন্য ভোটের প্রথম দিন ভোটগ্রহণের সময় এক ঘণ্টা
বাড়ানো হয়৷ এরপর বুধবারের ভোট চলার মধ্যেই ভোটের সময় আরো একদিন
বাড়ানোর চেষ্টা চলে৷

নির্বাচন কমিশনের পক্ষ থেকে বলা হয়, তাপদাহের কারণে অনেকেই কেন্দ্রে যেতে
না পেরে ভাটের দিন বাড়ানোর আবেদন করেছেন৷ তবে অনেকেই একে ‘জালিয়াতির
চেষ্টা' হিসাবে আখ্যায়িত করায় বুধবারই ভোটগ্রহণ শেষ হয়৷




DW.DE


Disclaimer:

This post might be introduced by another website. If this replication violates copyright policy in any way without attribution of its original copyright owner, please make a complain immediately to this site admin through Contact.

‘ফরমালিন বিতর্ক’ আসল সত্য প্রকাশ করেছে




রাজনীতিতে এখন জায়গা করে নিচ্ছে পচনশীল দ্রব্য সংরক্ষণের রাসায়নিক তরল
ফরমালিন৷ আওয়ামী লীগ ও বিএনপি উভয়ই এই ফরমালিন ছোড়াছুড়িতে ব্যস্ত৷ নেতারা
পরস্পরের রাজনীতিতে পচন ধরেছে বলে দাবি করে ফরমালিন ব্যবহারের কথা বলছেন৷



তবে তাতে পচনশীল দ্রব্য তাজা থাকলেও রাজনীতি কতটা তাজা থাকবে তা বলতে পারছেন না রাজনীতির বিশ্লেষকরা৷





প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা জাপান সফর শেষে দেশে ফিরে শনিবার এক সংবাদ
সম্মেলনে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে বলেন, ‘‘বিএনপির রাজনীতি পচে গেছে৷
এখন আমরা একে ফরমালিন দিয়ে বাঁচিয়ে রাখার চেষ্টা করছি৷'' এর আগে খালেদা
জিয়ার এক মন্তব্যের প্রেক্ষিতে প্রধানমন্ত্রী এ মন্তব্য করেন৷ শেখ হাসিনা
বলেন, ‘‘বিএনপি নির্বাচনে না এসে ধরা খেয়ে এখন খেই হারিয়ে ফেলছে৷''



 প্রধানমন্ত্রীর বক্তব্যের জবাবে রবিবার বিএনপির ভারপ্রাপ্ত মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর বলেন, ‘‘আওয়ামী লীগ একটি ভয়ংকর দল৷
শেখ হাসিনার শাসনে এই দলটিই বরং পচে গেছে৷ এই দলকে বাঁচাতে এখন ফরমালিন
প্রয়োজন৷'' তিনি বলেন, ‘‘বিএনপি কারুর দয়ায় রাজনীতি করে না৷ নির্দলীয়
নিরপেক্ষ সরকারের অধীনে নির্বাচন দিলেই বোঝা যাবে কোন দলটি পচে গেছে৷''




ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের রাষ্ট্রবিজ্ঞানের শিক্ষক ড. শান্তনু মজুমদার বলেন, ‘‘এটা ইতিবাচক যে রাজনীতিবিদরা অশ্রাব্য ভাষার পরিবর্তে
রাজনীতিতে ফরমালিনের মতো উপমা ব্যবহার করছেন৷ নতুন এই উপমায় হয়তো তরুণ
প্রজন্ম ও সাধারণ মানুষ উৎসাহিত হবে৷ তবে তাঁরা আসল সত্য প্রকাশ করেছেন৷''
তিনি বলেন, ‘‘সবার কথার মধ্য দিয়েই একটি সত্য উঠে এসেছে যে রাজনীতিতে পচন
ধরেছে৷ তবে এই পচনের কথা কে বা কারা বলছেন এবং তাদের মুখে এটা মানায় কিনা
বা তাঁরা এই পচন রোধের উপযুক্ত লোক কিনা সেটাই বড় প্রশ্ন৷''



ড. শান্তনু মজুমদার বলেন, ‘‘বাংলাদেশের রাজনীতি এবং দলীয় রাজনীতিতে এখন গণতন্ত্রহীনতা লক্ষ্যণীয়৷ এটা দূর করা না গেলে রাজনীতির পচন রোধ করা সম্ভব নয়৷''



এদিকে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ফেসবুকেও এই ফরমালিন নিয়ে চলছে তুমুল আলোচনা৷
কেউ বলছেন, ‘‘আমরা ফরমালিন মুক্ত রাজনীতি চাই৷'' আরেকজন বলেছেন, ‘‘ফরমালিন হলো বিষ৷
এই বিষ রাজনীতিতে প্রয়োগ করবেন না প্লিজ৷ এমনিতেই ফরমালিন যুক্ত মাছ-মাংস
আর ফলমূল খেয়ে আমরা অসুস্থ হয়ে পড়েছি৷ আমাদের নতুন করে অসুস্থ করবেন না৷''


DW.DE







Disclaimer:

This post might be introduced by another website. If this replication violates copyright policy in any way without attribution of its original copyright owner, please make a complain immediately to this site admin through Contact.

ভারতে ২৯তম রাজ্য হিসেবে তেলেঙ্গানার জন্ম





তেলেঙ্গানা রাজ্য

ভারতের দক্ষিণী রাজ্য অন্ধ্র প্রদেশ বিভাজনের দীর্ঘ আন্দোলনের পর অবশেষে
গঠিত হলো নতুন রাজ্য তেলেঙ্গানা, যার প্রথম মুখ্যমন্ত্রী হিসেবে সোমবার শপথ
নিলেন আন্দোলনের প্রাণপুরুষ কে চন্দ্রশেখর রাও৷


সীমান্ধ্র নামে বিভাজিত অপর রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী হিসেবে চন্দ্রবাবু নাইডু আগামী ৮ জুন শপথ নেবেন৷



১৯৬০ সাল থেকে শুরু হওয়া দীর্ঘ প্রতিবাদ, আন্দোলন এবং আনুষ্ঠানিক
প্রক্রিয়ার পর অবশেষে ভারতের ২৯তম রাজ্য হিসেবে ভূমিষ্ঠ হলো তেলেঙ্গানা,
যার প্রথম মুখ্যমন্ত্রী হিসেবে শপথ নেন তেলেঙ্গানা রাষ্ট্রীয় সমিতি,
সংক্ষেপে টিআরএস দলের সর্বাধিনায়ক কে চন্দ্রশেখর রাও৷



সদ্য শেষ হওয়া সংসদীয় নির্বাচনের সঙ্গে তেলেঙ্গানা বিধানসভার ১১৯টি আসনেও
ভোট হয়, তাতে টিআরএস পার্টি পায় ৬৩টি আসন৷ প্রধান নির্বাচনি ইস্যু ছিল
অন্ধ্র বিভাজন৷ সংসদীয় নির্বাচনের আগেই অন্ধ্র প্রদেশ বিভাজনের সিলমোহর
দিয়েছিল সাবেক মনমোহন সিং-এর কংগ্রেস জোট সরকার৷
ঠিক হয়েছিল ২০১৪ সালের অন্ধ্র প্রদেশ পুনর্গঠন আইন অনুসারে অন্ধ্র প্রদেশ
ভেঙে গঠিত হবে দুটি পৃথক রাজ্য, তেলেঙ্গানা আর সীমান্ধ্র৷ 




চন্দ্রশেখর রাও এখন তেলেঙ্গানা রাজ্যের ৪ কোটি লোকের ভাগ্যনিয়ন্তা৷ শপথ
গ্রহণের পর তিনি বলেন দুর্নীতিমুক্ত, গরিববান্ধব এক মডেল রাজ্য হিসেবে
তেলেঙ্গানাকে গড়ে তোলাই তাঁর সামনে বড় চ্যালেঞ্জ৷ ইতিমধ্যেই তিনি দলিতদের
জন্য ঘোষণা করেছেন এক গুচ্ছ কল্যাণ প্রকল্প৷ চলতি আর্থিক বছরের বাজেটে
তিনি ৫০ হাজার কোটি টাকা বরাদ্ধ করবেন দলিত সম্প্রদায়ের কল্যাণে৷ যেমন,
দলিত পরিবারদের দেয়া হবে তিন একর করে কৃষি জমি, সেচের সুবিধাসহ৷





পৃথক তেলেঙ্গানা গঠনে গোটা রাজ্যজুড়ে আনন্দের প্লাবন দেখা যায়৷ একদিন আগে
থেকেই উৎসবে মুখরিত হয়ে ওঠে দুই রাজ্যের যুগ্ম রাজধানী হায়দ্রাবাদ৷ যদিও
সেটা পড়েছে তেলেঙ্গানার ভাগে৷ ১০ বছর সেটা থাকবে দুই রাজ্যের যুগ্ম
রাজধানী৷ সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান, হায়দ্রাবাদি বিরিয়ানি, মিষ্টি বিতরণ,
আতশবাজি, আবির দিয়ে রাঙানো হয় স্বপ্নপূরণের আনন্দ৷





এবার অবিভক্ত অন্ধ্র প্রদেশের পরিসম্পদ ভাগের পালা, যেটা বেশ জটিল এবং
সময়সাপেক্ষ মনে করছেন বিশেষজ্ঞ ব্যক্তিরা৷ যেমন, নদীর জল, বিদ্যুৎ, সরকারি
কর্মচারিদের বদলি ইত্যাদি৷ অপরদিকে ১৭৫টি আসনের সীমান্ধ্র বিধানসভা ভোটে
১০৬টি আসন দখল করে সংখ্যাগরিষ্ঠতা পায় চন্দ্রবাবু নাইডুর তেলেগু দেশম
পার্টি, বিজেপির সঙ্গে জোট বেঁধে৷


DW.DE


Disclaimer:

This post might be introduced by another website. If this replication violates copyright policy in any way without attribution of its original copyright owner, please make a complain immediately to this site admin through Contact.

ব্রাজিলের ১০ লাখ যৌনকর্মী বিশ্বকাপ উপলক্ষে প্রস্তুতি নিচ্ছে




আসন্ন বিশ্বকাপ ফুটবল উপলক্ষে ব্রাজিলের যৌনকর্মীরা খদ্দের ধরার জন্য নানাভাবে প্রস্তুতি নিচ্ছে। এজন্য তারা এবার নিজস্ব প্রস্তুতির পাশাপাশি ইংরেজি ভাষা শিক্ষা নিচ্ছে। এ ছাড়াও রাখা হছে ক্রেডিট কার্ডের মাধ্যমে মূল্য পরিশোধের ব্যবস্থা। এক প্রতিবেদনে বিষয়টি জানিয়েছে ইন্ডিপেনডেন্ট।

সূত্র জানিয়েছে, ব্রাজিলে রয়েছে বেশ কিছু লাইসেন্সকৃত পতিতালয়। সেগুলো ছাড়াও দেশটিতে ছড়িয়ে ছিটিয়ে আছে অসংখ্য ভ্রাম্যমাণ যৌনকর্মী। আর এবারের বিশ্বকাপ উপলক্ষে তারা সবাই এখন শেষ মুহূর্তের প্রস্তুতিতে ব্যস্ত।

ব্রাজিলের একটি শহর বেলো হরাইজনেট। সেখানে ইংল্যান্ড দলের ফাইনাল গ্রুপ ম্যাচ হবে। আর এ শহরটিতে সমাগম হবে ইংল্যান্ডের বহু ক্রিকেটানুরাগির। সে শহরটিতে অর্থের বিনিময়ে তাদের সেবা করার জন্য প্রস্তুতি নিচ্ছেন অসংখ্য যৌনকর্মী। শহরটির কেন্দ্রস্থলে রয়েছে ২৩টি পতিতালয়। এগুলো ছড়িয়ে ছিটিয়ে রয়েছে বিভিন্ন অলি-গলিতে। এ ছাড়াও রয়েছে সংলগ্ন নাইটক্লাব।



বিশ্বকাপ উপলক্ষে প্রায় সব পতিতালয়ই সাজানো হচ্ছে নতুন করে। কিছু পতিতালয়ে টাঙ্গানো হয়েছে আবেদনময়ী যৌনকর্মীদের ছবি। কোথাও নতুন করে লাগানো হয়েছে স্বাস্থ্য বিষয়ক সতর্কতা ও ডাক্তারের সঙ্গে যোগাযোগের ঠিকানা। বিভিন্ন যৌন রোগ সম্বন্ধেও ঝুলানো হয়েছে সতর্ক বার্তা। এছাড়া বিদেশিরা যেন সহজেই তাদের বিল পরিশোধ করতে পারেন সেজন্য ক্রেডিট কার্ড থেকে অর্থ পরিশোধের ব্যবস্থা করা হয়েছে। এ ছাড়াও প্রচুর যৌনকর্মী রাস্তায় ঘুরছেন। খদ্দেররা তাদের হোটেলে নিয়ে যাবেন বলেই অপেক্ষা করছেন তারা।


Disclaimer:

This post might be introduced by another website. If this replication violates copyright policy in any way without attribution of its original copyright owner, please make a complain immediately to this site admin through Contact.

বিজিবির প্রতিরোধে মিয়ানমারের চারজন নিহত?




নাইক্ষ্যংছড়িতে বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ (বিজিবি) ও মিয়ানমার সীমান্ত রক্ষী বাহিনী বিজিপির মধ্যে গোলাগুলিতে মিয়ানমারের চার সেনা সদস্য নিহত হয়েছে বলে একটি সূত্র দাবি করেছে। আবার কউ কেউ বলছে, মিয়ানমারের চরমপন্থীদের ৪ জন নিহত রয়েছে। এই বিষয়ে এখনো নিশ্চিত করে কিছু জানা যায়নি। তবে সব সূত্রই ৪জন নিহত হওয়ার বিষয়টি নিশ্চিতভাবে দাবি করেছে।



স্থানীয় একটি সূত্র জানায়, ৩০ মে সংঘটিত গোলাগুলিতে বিজিবির ছোড়া মর্টার গোলার আঘাতে মিয়ানমার সেনাবাহিনীর ২ কমকর্তাসহ ৪ জন নিহত এবং ৩ জন আহত হয়েছে।



তবে ঘটনাস্থলে গিয়ে সংবাদ সংগ্রহ করা স্থানীয় এক সংবাদকর্মী পরিবর্তনকে জানান, গোলাগুলির ঘটনায় ৪ জন নিহত হয়েছে ঠিকই, তবে তারা মিয়ানমারের সেনা কিংবা বর্ডার গার্ড পুলিশ নয়। যারা মারা গেছে তারা ওই দেশটির চরমপন্থী একটি সংগঠনের সদস্য।



জানা গেছে, বুধবার মিয়ানমার সীমান্ত রক্ষী বাহিনী বিজিপির গুলিতে নিহত বিজিবি নায়েক সুবেদার মিজানুরের লাশ আনতে ৩০ মে বিজিবির চট্টগ্রাম অঞ্চলের প্রধান ব্রিগ্রেডিয়ার জেনারেল আহমদ হোসেনের নেতৃত্বে একটি টিম মিয়ানমার সীমান্তে যায়। এই টিমে আরো ছিলেন বিজিবির কক্সবাজার সেক্টর কমাণ্ডার কর্নেল খন্দকার ফরিদ হাসান, নাইক্ষ্যংছড়ির ৩১ বিজিবির সিও লে. কর্নেল শফিকুর রহমানসহ উর্দ্ধতন কর্মকর্তারা।



সংশ্লিষ্টরা জানান, বিজিপি কর্তৃপক্ষ তাদের ৫২ পিলারের কাছ যাবার আহবান জানিয়েছিল। তাদের আহবান সাড়া দিয়ে লাশ আনতে ৫২ পিলার এলাকায় গেলে তাদের ওপর গুলি চালানো হয়। আন্তর্জাতিক আইন লংঘন করে বিজিবির উর্দ্ধতন কর্মকর্তাদের ওপর গুলিবর্ষণ করতে শুরু করে। আত্মরক্ষার্থে বিজিবিও পাল্টা গুলি করে।



এসময় দুই পক্ষের মাঝে ব্যাপক গোলাগুলি হয়। দুইপক্ষই ভারী অস্ত্র ব্যবহার করে। এ সময় বিজিবির ছোড়া মর্টারের গোলা মিয়ানমার সীমান্ত রক্ষী বাহিনীর অবস্থানের ওপর গিয়ে পড়লে ঘটনাস্থলেই দুই কর্মকর্তাসহ ৪ জন নিহত হয়।



তবে অপর সূত্রটি দাবি করে, নিহতরা ছিলো চরমপন্থী। বিজিবির ওপর অতর্কিত আক্রমণকারীরাও ছিলো মিয়ানমারের চরমপন্থী সংগঠনের সদস্য।



এদিকে রোববার দুপুরে নাইক্ষ্যাংছড়ির ব্যাটেলিয়ান সদর দপ্তরে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ (বিজিবি)-এর চট্টগ্রাম এরিয়া কমান্ডার বিগ্রেডিয়ার জেনারেল আহমদ আলী জানান, গত শুক্রবার মিয়ানমারের বর্ডার গার্ড (বিজিপি) দ্বিতীয় দফায় যে হামলা চালিয়েছিলো তার পাল্টা জবাব দেয়া হয়েছে।



বিজিপি’র প্রতি পাল্টা হামলায় তাদের কেউ আহত বা মারা গিয়েছে কিনা -এমন প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, “আপনারা সাংবাদিক, আপনারাই বের করেন সেখানে কী হয়েছিল, সেখানের কী অবস্থা, কেউ আহত বা নিহত হয়েছিল কিনা।”



আমা/রর




Disclaimer:

This post might be introduced by another website. If this replication violates copyright policy in any way without attribution of its original copyright owner, please make a complain immediately to this site admin through Contact.

সাবধান! মুখের ছবি ইন্টারনেট থেকে হাতিয়ে নিচ্ছে এনএসএ




মার্কিন জাতীয় নিরাপত্তা সংস্থা বা এনএসএ ইন্টারনেট থেকে মানুষের মুখের কোটি কোটি ছবি সংগ্রহ করছে। চেহারা শনাক্ত করার তথ্য ভাণ্ডার গড়ে তোলার বিশাল কর্মসূচির অংশ হিসেবে এ সব ছবি যোগাড় করা হচ্ছে বলে সাবেক মার্কিন গোয়েন্দা কর্মকর্তা এওয়ার্ড স্নোডেনের ফাঁস করে দেয়া গোপন নথিপত্র থেকে জানা গেছে।

ইমেইল, টেক্সট মেসেজ, সামাজিক মাধ্যম, ভিডিও কনফারেন্সসহ অন্যান্য যোগাযোগ ব্যবস্থা থেকে এ সব ছবি যোগাড় করা হচ্ছে বলে জানিয়েছে মার্কিন দৈনিক নিউ ইয়র্ক টাইমস। ইন্টারনেট থেকে প্রতিদিন লাখ লাখ ছবি হাতিয়ে নিলেও দিনের শেষে তার মধ্য থেকে চেহারা শনাক্ত করা যায় এ রকম ৫৫,০০০ উন্নত মানের ছবি জমিয়ে রাখছে এনএসএ। আর এর পরিপ্রেক্ষিতে ইন্টারনেটে ছবি আদান-প্রদানে সতর্ক হওয়ার পরামর্শ দিয়েছেন অনেক বিশেষজ্ঞ।

ইন্টারনেট থেকে ছবি হাতিয়ে নেয়ার জন্য যে সব প্রোগ্রাম এনএসএ ব্যবহার করে তার অন্যতম হলো ‘ওয়েলস্প্রিং’। এটি দিয়ে ইমেইল থেকে ছবি হাতিয়ে নেয়া যায়। এ ছাড়া, চেহারা শনাক্ত করার বাণিজ্যিক যে সব প্রোগ্রাম পাওয়া যায় সেগুলোর সহায়তাও নেয় এনএসএ। ২০১১ সালে মাঝামাঝি গোগোলের কিনে নেয়া পিটপ্যাট নামের একটি ছোট কোম্পানির তৈরি করা এ জাতীয় প্রোগ্রামও ব্যবহার করে মার্কিন এ গোয়েন্দা সংস্থা।

চেহারা শনাক্ত করার এ বিতর্কিত কর্মসূচিকে মার্কিন প্রেসিডেন্ট বারাক ওবামার শাসনামলে জোরদার করা হয়েছে।   চেহারা শনাক্ত করার সফটওয়্যারের ওপর নির্ভরতা গত চার বছর ধরে  উল্লেখযোগ্যভাবে বাড়িয়েছে এনএসএ। ফাঁস করে দেয়া নথিপত্র থেকে দেখা যাচ্ছে, লিখিত বা মৌখিক যোগাযোগের চেয়ে চেহারা শনাক্ত করা এবং আঙ্গুলের ছাপের ওপর বেশি গুরুত্ব দিচ্ছে এনএসএ।

ব্রিটিশ গোয়েন্দা সংস্থাও একই তৎপরতা চালিয়ে যাচ্ছে বলে চলতি বছরের গোড়ার দিকে প্রকাশিত এক খবরে বলা হয়েছিল। খবরে, ওয়েবক্যাম ব্যবহার করে ইয়াহু’র মাধ্যমে যে চ্যাট করা হয় ব্রিটিশ সরকারের আড়িপাতার কেন্দ্র জিসিএইচকিউ তা হাতিয়ে নিচ্ছে বলে জানিয়েছিল ব্রিটেনের  দৈনিক গার্ডিয়ান। স্নোডেনের ফাঁস করা নথিপত্রের ভিত্তিতেই এ খবর দিয়েছিল দৈনিকটি।










রেডিও তেহরান/সমর/এমআই/২




Disclaimer:

This post might be introduced by another website. If this replication violates copyright policy in any way without attribution of its original copyright owner, please make a complain immediately to this site admin through Contact.

লিবিয়া সীমান্তে চোরাচালানিদের গুলিতে ৬ মিশরীয় সীমান্তরক্ষী নিহত




লিবিয়া সীমান্তে অস্ত্র চোরাচালানিদের হামলায় ছয় মিশরীয় সীমান্তরক্ষী নিহত হয়েছে। এর মধ্যে একজন সেনা কর্মকর্তাও রয়েছেন। মিশরের সেনাবাহিনী এ তথ্য জানিয়েছে। পাহাড়ি এলাকায় টহল দেয়ার সময় তারা হামলার শিকার হয়।



সেনাবাহিনীর এক বিবৃতিতে বলা হয়েছে, সাম্প্রতিক এক অভিযানে ৬৮ জন চোরাচালানি গ্রেফতার হয়েছে এবং তাদের কাছ থেকে বিপুল পরিমাণ অস্ত্র উদ্ধার করা হয়েছে। আর এরপরই সীমান্তে হামলার ঘটনা ঘটলো। তবে কবে এ সেনা অভিযান চালানো হয়েছিল তা উল্লেখ করা হয়নি।



বহু দিন ধরেই লিবিয়া ও মিশরে অস্থির অবস্থা বিরাজ করছে। এর প্রভাব পড়েছে দুই দেশের সীমান্তেও। সীমান্তে চোরাচালানিসহ নানা ধরনের অপরাধমূলক তৎপরতা বেড়ে গেছে।







তেহরান রেডিও/এসএ/১




Disclaimer:

This post might be introduced by another website. If this replication violates copyright policy in any way without attribution of its original copyright owner, please make a complain immediately to this site admin through Contact.

ইকোনমিক জোন প্রকল্পের চূড়ান্ত অনুমোদন মঙ্গলবার




পিছিয়ে পড়া জনগোষ্ঠীর জীবন মানের উন্নয়ন, ব্যবসা ও কর্মসংস্থানের সুযোগ তৈরির লক্ষ্যে ‘বাংলাদেশ ইকোনোমিক জোনস ডেভলপমেন্ট প্রকল্পের ফেইজ-১ চূড়ান্ত অনুমোদন পেতে যাচ্ছে মঙ্গলবার। জাতীয় অর্থনৈতিক পরিষদের নির্বাহী কমিটি (একনেক) সভায় প্রকল্পটির চূড়ান্ত অনুমোদন দেওয়া হবে। এতে সভাপতিত্ব করবেন একনেক চেয়ারপার্সন ও প্রধানমন্ত্রী  শেখ হাসিনা।



পরিকল্পনা কমিশনের জনসংযোগ কর্মকর্তা তাপস চন্দ্র বোস বাংলানিউজকে জানান, ‘বাংলাদেশ ইকোনোমিক জোনস ডেভলপমেন্ট প্রকল্পের (ফেইজ-১)’প্রকল্পটি মঙ্গলবারের একনেক সভায় চূড়ান্ত অনুমোদন দেওয়া হবে। এতে করে দেশের সর্বস্তরের মানুষের ব্যবসা ও কর্মসংস্থানের এক নতুন দিগন্তের সূচনা হবে।’



প্রকল্পের আওতায় বিভিন্ন খাতের অর্থনৈতিক অঞ্চল প্রতিষ্ঠা এবং সেগুলোর উন্নয়নের মাধ্যমে শিল্পায়নের দ্রুত প্রসার ঘটিয়ে ব্যাপক কর্মসংস্থানের সুযোগ তৈরি করে দেশের সামগ্রিক অর্থনৈতিক উন্নয়ন দ্রুততর করাই  প্রকল্পের প্রধান উদ্দেশ্য।



প্রকল্পটির মোট ব্যয় ধরা হয়েছে ৮১ কোটি ৯৫ লাখ টাকা। এর মধ্যে সরকারি টাকা মাত্র ২ কোটি ২৫ লাখ। বাকি ৭৯ কোটি ৭ লাখ টাকা । প্রকল্প সাহায়্যের মধ্যে বিশ্বব্যাংক ৬৫ কোটি ৩৫ লাখ টাকা ও ব্রিটিশ আন্তর্জাতিক উন্নয়ন সংস্থা (ডিএফআইডি) দেবে ১৪ কোটি ৩৪ লাখ টাকা। প্রকল্পটির বাস্তবায়ন মেয়াদ ধরা হয়েছে  জানুয়ারি ২০১৪ সাল থেকে জুন ২০১৬ সাল পর্যন্ত।



প্রকল্পের মাধ্যমে চারটি অঞ্চল- বাগেরহাটের মংলা, মৌলভীবাজারের সদর উপজেলা, চট্টগ্রামের মিরেরশরাই এবং আনোয়ারা উপজেলায় অর্থনৈতিক অঞ্চল তৈরি করা হবে। প্রকল্পটির উদ্যোক্তা মন্ত্রণালয়- প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয় এবং প্রকল্পটির বাস্তবায়নকারী সংস্থা বাংলাদেশ অর্থনৈতিক অঞ্চল কর্তৃপক্ষ (বেজা)।



পরিকল্পনা কমিশন থেকে এর সারসংক্ষেপে দেখা গেছে, প্রকল্পের সুদূর-প্রসারী উদ্দেশ্য হলো- শিল্পায়ন ও কর্মসংস্থানে পিছিয়ে পড়া অনুন্নত অঞ্চলসহ সম্ভাবনাময় বিভিন্ন অঞ্চলের দ্রুত অর্থনৈতিক উন্নয়ন করা। এ লক্ষ্যে এসব অঞ্চলসমূহে অর্থনৈতিক অঞ্চল প্রতিষ্ঠা করা হবে। দেশের সুষম উন্নয়নের লক্ষ্যে বিভিন্ন অঞ্চলে মাল্টি-প্রডাক্ট শিল্প কারখানার প্রসার ঘটানো হবে। অর্থনৈতিক অঞ্চল তৈরির জন্য প্রয়োজনীয় মৌলিক ভৌত অবকাঠামো তৈরি করা হবে।



এছাড়া অর্থনৈতিক অঞ্চল তৈরির জন্য বরাদ্দপ্রাপ্ত জমিতে এবং এরইমধ্যে অর্থনৈতিক অঞ্চল তৈরি হয়েছে এমন অঞ্চলে প্রয়োজনীয় মৌলিক ভৌত অবকাঠামো তৈরি ও ইউটিলিটি সরবরাহ করা হবে।



এর পাশাপাশি প্রকল্পের আওতায় বিদেশি উদ্যোক্তাদের এসব অর্থনৈতিক অঞ্চলে শিল্প কারখানা স্থাপন ও পরিচালনায় আকৃষ্ট করার লক্ষ্যে উপযুক্ত ব্যবসাবান্ধব পরিবেশ তৈরি করা হবে। এ প্রকল্প দেশের মানুষের ব্যাপক কর্মসংস্থান তৈরি করবে। এছাড়া ভিশন-২০২১ বাস্তবায়নের লক্ষ্যে শিল্পায়নের প্রসার ঘটানোই প্রকল্পের প্রধান উদ্দেশ্য।



পরিসংখ্যান বিভাগের ইন্ডাস্ট্রি ও লেবার উইং থেকে জানা গেছে, বাংলাদেশে প্রায় ২ মিলিয়ন লোকের বিশাল জনশক্তি রয়েছে এবং এখানে শ্রমের মূল্য এশিয়ার অন্যান্য দেশের শ্রম মূল্যের তুলনায় কম।



পরিকল্পনা কমিশনের সাধারণ অর্থনৈতিক বিভাগের (জিইডি) মতে, এ সুযোগকে কাজে লাগিয়ে জিডিপি’র প্রভৃতি বছরে ৮ শতাংশ উন্নীত করা যায় এবং ২০২১ সাল নাগাদ দারিদ্র্যের হার ৪০ থেকে ১৫ শতাংশে নামিয়ে আনা যাবে। এ উদ্দেশে বাংলাদেশ সরকার অর্থনৈতিক অঞ্চল তৈরি ও উন্নয়নের ওপর যথেষ্ট গুরুত্বারোপ করেছে।



প্রকল্পে অর্থায়নের ব্যাপারে সম্মত হয়েছে দাতা সংস্থা। ২০১০ সালে বেজা প্রতিষ্ঠিত হওয়ার পর বিভিন্ন স্থানে অর্থনৈতিক অঞ্চল প্রতিষ্ঠা এবং বেজা’র সক্ষমতা বাড়ানোর জন্য উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।



পরিকল্পনা কমিশন জানায় প্রস্তাবিত প্রকল্পে মূলত; মংলা, মৌলভীবাজার সদর, মিরেরশরাই এবং আনোয়ারা উপজেলায় অর্থনৈতিক অঞ্চল তৈরি এবং উন্নয়ন সংক্রান্ত কাজ করা হবে।



এছাড়া ভূমি উন্নয়ন, অফিস ভবন নির্মাণ, সীমানা প্রাচীর নির্মাণ, সংযোগ সড়ক তৈরি, সেতু-কালভার্ট নির্মাণ, পানি সরবরাহ ও পয়ঃনিষ্কাশন ব্যবস্থা, বিদ্যুৎ সরবরাহ এবং গ্যাস সংযোগ দেওয়া হবে।





- banglanews24.com




Disclaimer:

This post might be introduced by another website. If this replication violates copyright policy in any way without attribution of its original copyright owner, please make a complain immediately to this site admin through Contact.

বিক্ষোভ ঠেকাতে ব্যাংককে হাজার হাজার সেনা ও পুলিশ মোতায়েন




থাইল্যান্ডের রাজধানী ব্যাংককে হাজার হাজার সেনা ও পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে। অভ্যুত্থান বিরোধী বিক্ষোভ ঠেকাতে এ সব সেনা ও পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে। রাজনৈতিক কর্মীরা ইন্টারনেটের সামাজিক যোগাযোগের মাধ্যমে থাইল্যান্ডব্যাপী বিক্ষোভ ও প্রতিবাদের ডাক দিয়েছে।

ব্যাংককের কেন্দ্রস্থলের কোনো কোনো এলাকার রাস্তাঘাট ও যানবাহন চলাচল বন্ধ করে দেয়া হয়েছে। একইসঙ্গে বন্ধ করে দেয়া হয়েছে অনেক রেল স্টেশন। ফলে ব্যাংককের বাণিজ্যিক প্রাণকেন্দ্র আজ প্রায় জনমানব শূন্য হয়ে পড়েছে। ওই এলাকায় ৫৭০০ পুলিশ ও সেনা মোতায়েন করা হয়েছে।  থাইল্যান্ডের উপ পুলিশ প্রধান বলেছেন, এটি বাণিজ্যিক এলাকা তাই ক্ষয়ক্ষতি ঠেকানোর জন্য যে কোনো সমাবেশ পণ্ড করে দিতে হবে।

থাই সেনাবাহিনী গত ২২ মে ক্ষমতা দখল করে। অভ্যুত্থান করার পর থাইল্যান্ডের সংবিধান স্থগিত এবং নাগরিক স্বাধীনতা সীমিত করেছে সামরিক জান্তা।  এ ছাড়া, দেশটিতে রাত্রিকালীন কারফিউ জারি করা হয়েছে এবং অনেক রাজনীতিবিদ, বুদ্ধিজীবী ও শিক্ষাবিদকে আটক করা হয়েছে।

থাই সামরিক জান্তা ও সেনাপ্রধান জেনারেল প্রায়ুত চান-ওচা দেশটিতে এক বছরের মধ্যে নির্বাচনের সম্ভাবনা নাকচ করে দিয়েছেন। এ ছাড়া অভ্যুত্থান বিরোধী যে কোনো বিক্ষোভ প্রতিহত করা হবে বলেও বারবার ঘোষণা দেয়া হয়েছে।


রেডিও তেহরান/সমর/এআর/১




Disclaimer:

This post might be introduced by another website. If this replication violates copyright policy in any way without attribution of its original copyright owner, please make a complain immediately to this site admin through Contact.

মায়ানমারের কাছে জবাব চাওয়া হবে




মায়ানমারের সীমান্তরক্ষী বাহিনী কেন এ ধরনের ঘটনা ঘটালো তাদের কাছে এর জবাব চাওয়া হবে বলে মন্তব্য করেছেন বর্ডার গার্ড বাংলাদেশের (বিজিবি) ৩১ ব্যাটালিয়নের রিজিওন কমান্ডার ব্রিগেডিয়ার জেনারেল সৈয়দ আহাম্মদ আলী।



রোববার দুপুর পৌনে ১টার দিকে বিজিবির ৩১ ব্যাটালিয়নের কার্যালয়ে সাংবাদিকদের ব্রিফিংকালে তিনি এ মন্তব্য করেন।



মায়নমারের প্রসঙ্গ উল্লেখ করে ব্রিগেডিয়ার জেনারেল সৈয়দ আহাম্মদ আলী বলেন, আমরা ততক্ষণ পর্যন্ত বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্ক চাই যতক্ষণ পর্যন্ত আমাদের কোনো ক্ষতি না হবে। নিজেদের ক্ষতি করে আমরা বন্ধু্‌ত্ব পছন্দ করি না।



তিনি বলেন, ভবিষ্যতে এ ধরনের ঘটনা ঘটানো হলে কঠোর প্রত্যুত্তর দেওয়া হবে।



ব্রিগেডিয়ার জেনারেল সৈয়দ আহাম্মদ আলী ‍বলেন, কেন তারা এ ধরনের ঘটনা ঘটালো এজন্য তাদের জবাবদিহি করতে হবে। ৫ জুন দুই দেশের সেক্টর কমান্ডার পর্যায়ের পতাকা বৈঠক হওয়ার কথা রয়েছে। ওই বৈঠকে তাদের কাছে এ বিষয়ে জবাব চাওয়া হবে।



তিনি বলেন, এ ঘটনার পর তারা অনেক নাটক করেছে। অনেক প্রপাগান্ডা করেছে। কেন তারা এ রকম করলো তার জবাব চাইবো।



সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের জবাবে বিজিবি’র রিজিওন কমান্ডার বলেন, সীমান্তের নিরাপত্তায় আমরা প্রস্তুত রয়েছি। ইতোমধ্যে সীমান্তের চেকপোস্ট গুলোতে শক্তি বৃদ্ধি করা হয়েছে। আমাদের পর্যাপ্ত সরঞ্জামও আছে।



মায়ানমারের সীমান্তরক্ষীদের উদ্দেশ্য করে তিনি বলেন, শুক্রবার ও শনিবার আমাদের লক্ষ্য করে গুলি ছুড়েছিল এর প্রত্যুত্তর (বিজিপি) তারা পেয়েছে।



আরেক প্রশ্নের জবাবে সাংবাদিকদের ব্রিগেডিয়ার জেনারেল সৈয়দ আহাম্মদ বলেন, আপনারা ওদের (বিজিপি) সঙ্গে সে দেশের জনগণের সর্ম্পক বিবেচনা করুন, মানসিকতা পর্যালোচনা করুন তাহলে জবাব পেয়ে যাবেন। আমি মনে করি এ ঘটনা তাদের মানসিকতার প্রতিফলন ও অভ্যান্তরীণ বিষয়।



বিজিপি কাপুরুষোচিত কাজ করেছে বলেও মন্তব্য করে তিনি বলেন, যে দুর্গম  এলাকায় ওরা (বিজিপি) আমাদের নিহত বিজিবি সদস্যের লাশ হস্তান্তর করেছে সেখান থেকে লাশটি ৩১ ব্যাটালিয়ন কার্যালয়ে আনতে ১২ ঘণ্টা সময় লেগেছে।



এ সময় নিহত বিজিবি‘র নায়েক মো. মিজানুর রহমানের পরিবারকে ৫ লাখ টাকা দেওয়ার ঘোষণা দেওয়া হয়।



এর আগে দুপুর সাড়ে ১২টার দিকে বিজিবির ৩১ ব্যাটালিয়ন কার্যালয় মাঠে নিহত মিজানুরের লাশ নিয়ে আসা হয়।



লাশটি ময়না তদন্তের জন্য কক্সবাজার হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হবে। ময়না তদন্ত শেষে সোমবার সকাল ৯টার দিকে ফের ৩১ ব্যাটালিয়ন মাঠে আনা হবে।



সেখানে জানাজা শেষে হেলিকপ্টারে করে কুমিল্লায় গ্রামের বাড়িতে নেওয়া হবে মিজানের লাশ।





- banglanews24.com

শাহীনূর হত্যা ঘটনায় ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় কমান্ডারসহ ৯ র‌্যাব সদস্যের বিরুদ্ধে মামলা




ব্রাহ্মণবাড়িয়ার নবীনগরের শাহীনুর আলম আলম হত্যা ঘটনায় র‌্যাব-১৪ এর ভৈরব ক্যাম্পের কমান্ডার মেজর এ জেড এম সাকিব সিদ্দিকীসহ ক্যাম্পের ৯ জন সদস্যের বিরুদ্ধে মামলা হয়েছে। এদের ছাড়া আরো দু’জনের বিরুদ্ধে মামলা করা হয়েছে। রোববার দুপুরে ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় নবীনগর সিনিয়র জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট নাজমুন নাহারের আদালতে মামলাটি দায়ের করেন নিহত শাহনুরের ভাই মেহেদী হাসান। বিজ্ঞ আদালত আগামী ৪ জুন মামলাটির অধিকতর শুনানি এবং আদেশের তারিখ ধার্য করেছেন।



মামলার অন্যা আসামি হলেন র‌্যাব-১৪ এর ভৈরব ক্যাম্পের সাব-ইন্সপেক্টর মোঃ এনামুল হক। এছাড়া নাম উল্লেখ না করে র্যাবের ৭ জন সদস্যকে আসামি করা হয়। র্যাবের ৯ জন ছাড়াও নবীনগর উপজেলার কৃষ্ণনগরের মৃত মন্তাজ মিয়ার ছেলে নজরুল ইসলাম (৫৮) ও নবীনগরের মৃত শরাফত আলীর ছেলে আবু তাহের মিয়াকে (৪৫) আসামি করা হয়।



উল্লেখ্য, নবীনগর উপজেলা সদরে চিরকুট পাঠিয়ে একাধিক বাড়িতে চাঁদা দাবি ও বিভিন্ন বাড়িতে আগুন দেয়ার সঙ্গে জড়িত থাকার অভিযোগে র‌্যাব-১৪ এর ভৈরব ক্যাম্পের একটি দল গত ২৯ এপ্রিল রাতে অভিযান চালিয়ে উপজেলার বগডহর গ্রামের মহিউদ্দিন ওরফে মদনকে (৪১) গ্রেফতার করে। পরে মদনের স্বীকারোক্তি অনুযায়ী এ ঘটনার সঙ্গে জড়িত থাকার অভিযোগে বগডহর গ্রামের রহিছ মেম্বারের ছেলে শাহীনুর আলমকে (৪৩) গ্রেফতার করে। পরদিন বুধবার দুপুরে তাদেরকে নবীনগর থানায় হস্তান্তর করা হয়। বৃহস্পতিবার নবীনগর থানার পুলিশ গ্রেফতারকৃতদের আদালতের মাধ্যমে জেল হাজতে পাঠায়। জেল হাজতে শাহীনূর আলম অসুস্থ হয়ে পড়লে তাকে গত ৪ মে ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলা সদর হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। সেখানে তার অবস্থার অবনতি হলে, ওইদিনই তাকে উন্নত চিকিত্সার জন্য কুমিল্লা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে প্রেরণ করা হয়। সেখানে চিকিত্সাধীন অবস্থায় শাহীনূর ৬ মে রাত ৮টার দিকে মারা যান।



এ ব্যাপারে ব্রাহ্মণবাড়িয়ার জেলা কারাগারের সুপার মো. গিয়াস উদ্দিন বলেন, শাহীনূরকে জেল হাজতে গ্রহণ করার সময় তার শরীরে বেশ ‘আউট ইনজুরি’ ছিল। একপর্যায়ে তার শারীরিক অবস্থার অবনতি হলে, তাকে ৪ মে ব্রাহ্মণবাড়িয়া সদর হাসপাতালে পাঠানো হয়। পরে সেখানে তার অবস্থার আরো খারাপ হলে, ওইদিনই কুমিল্লা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে তাকে প্রেরণ করা হয়। সেখানেই ৬ মে রাতে তিনি মারা যান।

মৃত্যুর পর থেকেই পরিবারের পক্ষ থেকে র্যাবের নির্যাতনে শাহনরের মৃত্যু হয়েছে বলে অভিযোগ করা হয়। রোববার এই অভিযোগে মামলা দায়ের করা হয়। এ ব্যাপারে র‌্যাব-১৪ এর ভৈরব ক্যাম্পের কমান্ডার সাকিব সিদ্দিকীর সঙ্গে কথা বলার জন্য তার মোবাইল ফোনে যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও সংযোগ পাওয়া যায়নি।




Disclaimer:

This post might be introduced by another website. If this replication violates copyright policy in any way without attribution of its original copyright owner, please make a complain immediately to this site admin through Contact.

আল কায়েদা যুক্তরাষ্ট্রেরই সৃষ্টি : হিলারি ক্লিনটন




‘আল কায়েদা’ যুক্তরাষ্ট্রেরই সৃষ্টি বলে জানালেন সাবেক মার্কিন পররাষ্ট্রমন্ত্রী হিলারি ক্লিনটন। সম্প্রতি ফক্স টেলিভিশনে দেয়া এক সাক্ষাত্কারে তিনি এই গোপন বার্তা ফাঁস করলেন। আফগানিস্তানে তত্কালীন সোভিয়েত বাহিনীকে পরাস্ত করতেই যুক্তরাষ্ট্র আল কায়েদা বাহিনী সৃষ্টি করেছে বলে হিলারি ক্লিনটনের করা এমন মন্তব্যের পর খোদ যুক্তরাষ্ট্রেই বিতর্কের ঝড় উঠেছে।

.

১৯৮০ থেকে ১৯৯৪—এই সময়ের মধ্যে আফগানিস্তানে একটি সশস্ত্র বাহিনী তৈরিতে যুক্তরাষ্ট্র প্রায় ৫৩ মিলিয়ন ডলার খরচ করেছিল। আর এই পুরো প্রকল্পটি নিয়ন্ত্রণ করা হতো পাকিস্তানভিত্তিক একটি শিক্ষা প্রতিষ্ঠান থেকে।



ওই প্রকল্পের আওতায় আফগানিস্তানের বাচ্চাদের পাঠ্যপুস্তকে সন্ত্রাস ও মারণাস্ত্র সম্পর্কিত অনেক প্রবন্ধ প্রকাশ করা হয়েছিল। শুধু তা-ই নয়, সোভিয়েত বাহিনীর বিরুদ্ধে লড়াই করার জন্য কোন কোন অস্ত্র ব্যবহার করলে ভালো হবে এমন তথ্যও অনায়াসে দেয়া হয়েছিল সে সময় পাঠ্যপুস্তকগুলোতে।



এছাড়া ইংরেজি বর্ণমালা পরিচয়ে বিভিন্ন উসকানিমূলক শব্দ ও বাক্য নিয়ম করে পড়ানো হতো। যেমন ইংরেজি ‘টি’তে ‘টুফাং (বন্দুক-জাবেদ বন্দুক হাতে মুজাহিদিনে যুক্ত হয়)’ এবং ‘জে’তে জিহাদ শেখানো হতো। এমনকি গণনা শেখানোর সময় ৫ বন্দুক + ৫ বন্দুক = ১০ বন্দুক শেখানো হতো।


Disclaimer:

This post might be introduced by another website. If this replication violates copyright policy in any way without attribution of its original copyright owner, please make a complain immediately to this site admin through Contact.

সাকিবের কলকাতা চ্যাম্পিয়ন




রোমাঞ্চকর ফাইনালে কিংস ইলেভেন পাঞ্জাবকে ৩ উইকেটে হারিয়ে আইপিএলের শিরোপা জিতেছে কলকাতা নাইট রাইডার্স।
২০০ রানের বড় লক্ষ্য তাড়া করতে নেমে প্রথম ওভারেই রবিন উথাপ্পার বিদায়ে শুরুটা ভালো হয়নি কলকাতার। আসরের সর্বোচ্চ রান সংগ্রাহককে ফিরিয়ে দেন মিচেল জনসন।
দ্বিতীয় উইকেটে অধিনায়ক গৌতম গম্ভীরের (২৩) সঙ্গে ৫৩ ও তৃতীয় উইকেটে ইউসুফ পাঠানের (৩৬) সঙ্গে ৭১ রানের দুটি জুটি উপহার দিয়ে দলকে ২ উইকেটে ১৩০ রানে পৌঁছে দিয়েছিলেন মনিশ পাণ্ডে।
রান আউট হওয়ার আগে সাকিব আল হাসান খেলেন ৭ বলে ১২ রানের আক্রমণাত্মক ইনিংস। এরপর রায়ান ডেন ডেসকাটে দ্রুত ফিরলেও দলকে এগিয়ে নিতে থাকেন মনিশ।
এক সময়ে ১৯ বলে মাত্র ২১ রানের প্রয়োজনীয়তার সামনে নিয়ে এসেছিলেন দলকে। কিন্তু অতিরিক্ত মারতে গিয়ে মনিশের বিদায়ে দলকে অস্বস্তিতে ফেলে দেয়।
৯৪ রানের বিস্ফোরক ইনিংস খেলা মনিশের ৫০ বলের ইনিংসে ছিল ৭টি চার ও ৬টি বিশাল ছক্কা।
এর আগে রোববার ব্যাঙ্গালোরের এম চিন্নাস্বামী স্টেডিয়ামে টস হেরে ব্যাট করতে নেমে ঋদ্ধিমান সাহার ৪ উইকেটে ১৯৯ রান করে পাঞ্জাব।
চতুর্থ ওভারেই বীরেন্দর শেবাগের বিদায়ে শুরুটা ভালো হয়নি পাঞ্জাবের। আগের ম্যাচে শতক করা শেবাগ (৭) পেসার উমেশ যাদবের বলে গৌতম গম্ভীরের ক্যাচে পরিণত হন।
তিন নম্বরে ব্যাট করতে নেমে অধিনায়ক জর্জ বেইলির (১) দ্রুত বিদায় দলের ওপর চাপ আরো বাড়ায়। সুনীল নারায়ণের বলে বোল্ড হয়ে যান তিনি।
ষষ্ঠ ওভারে ৩০ রানে দুই উইকেট হারানো পাঞ্জাবকে বড় সংগ্রহের দিকে নিয়ে যান ঋদ্ধিমান ও মানান ভোহরা। তৃতীয় উইকেটে ১২৯ রানের জুটি গড়েন দু’জন। ফিরতি ক্যাচ নিয়ে ভোহরাকে (৬৭) বিদায় করে ৭২ বল স্থায়ী জুটি ভাঙেন পীযূষ চাওলা।
এরপর প্রায় একাই খেলছেন ঋদ্ধিমান। শেষ পর্যন্ত ১১৫ রানে অপরাজিত থাকেন তিনি। আইপিএলের ফাইনালে প্রথম শতক হাঁকানো ঋদ্ধিমানের ৫৫ বলের ইনিংসে ছিল ১০টি চার ও ৮টি ছক্কা।
তার আক্রমণাত্মক ব্যাটিংয়ে শেষ ১০ ওভারে ১৪১ রান যোগ করে পাঞ্জাব।
কলকাতার পক্ষে চাওলা ২ উইকেট নেন ৪৪ রানে। টানা চার ওভার বল করা সাকিব কোনো উইকেট না পেলেও দেন মাত্র ২৬ রান।
২০১২ সালে প্রথমবার ফাইনালে উঠেই শিরোপা জিতেছিল কলকাতা। পাঞ্জাবের এটাই ছিল প্রথম ফাইনাল।
সংক্ষিপ্ত স্কোর :
কিংস ইলেভেন পাঞ্জাব: ২০ ওভারে ১৯৯/৪ (শেবাগ ৭, ভোহরা ৬৭, বেইলি ১, ঋদ্ধিমান ১১৫*, ম্যাক্সওয়েল ০, মিলার ১*; চাওলা ২/৪৪, যাদব ১/৩৯, নারায়ণ ১/৪৬)।


Disclaimer:

This post might be introduced by another website. If this replication violates copyright policy in any way without attribution of its original copyright owner, please make a complain immediately to this site admin through Contact.

অর্থ পাচার মামলায় পেলের ছেলে এদিনিয়োকে ৩৩ বছরের কারাদণ্ড




ব্রাজিলের জীবন্ত কিংবদন্তি ফুটবল খেলোয়াগ
পেলের ছেলে এদিনিয়োকে ৩৩ বছরের কারাদণ্ড দিয়েছে দেশটির একটি আদালত। মাদক
চোরাচালান থেকে অর্জিত অর্থ পাচারের দায়ে তাকে এ দণ্ড দেয়া হয়েছে।






ব্রাজিলের সাও পাওলো স্টেটের ঊপকূলীয় শহর
প্রাইয়া গ্রান্দের নিকটবর্তী এলাকার একটি আদালত তাকে এ দণ্ড দেয়। ব্রাজিলের
বিভিন্ন সংবাদ মাধ্যম বলেছে, আদালতের এ আদেশের বিরুদ্ধে আপিল করবেন তিনি।





৪৩ বছর বয়সী এদিনিয়োর প্রকৃত নাম এদসন
চোলবি দো নাসিমেন্তো। তিনি নিজেও একজন ফুটবলার। নব্বইয়ের দশকে বাবার পুরাতন
ক্লাব সান্তোসের গোলরক্ষক ছিলেন তিনি। বর্তমানে এই ক্লাবেরই গোলরক্ষকদের
কোচের দায়িত্বে রয়েছেন পেলের এই ছেলে।





এর আগে ২০০৫ সালে প্রথমবার গ্রেপ্তার হয়ে
কারাবরণ করেন এদিনিয়ো। মাদক চোরাচালান এবং সান্তোস শহরের একজন কুখ্যাত মাদক
পাচারকারীর সঙ্গে সংশ্লিষ্টতার দায়ে সে সময় তাকে কারাদণ্ড দেয়া হয়। পেলেও
তখন বলেছিলেন, “আমার ছেলের বিরুদ্ধে আনা অভিযোগের কোনো প্রমাণ নেই।" 




এবার মুদ্রাপাচারের দায়ে এদিনিয়োর সঙ্গে
অন্য চারজনও দণ্ডিত হয়েছেন। তাদের মধ্যে নালদিনয়ো নামের একজন ওই অঞ্চলে
মাদক চোরাচালান চক্রের হোতা বলে অভিযোগ রয়েছে।


Disclaimer:

This post might be introduced by another website. If this replication violates copyright policy in any way without attribution of its original copyright owner, please make a complain immediately to this site admin through Contact.

রুশ হেলিকপ্টার বিধ্বস্ত; আঞ্চলিক নেতাসহ নিহত ১৬




রাশিয়ার উত্তর-পূর্বাঞ্চলীয় একটি হ্রদে
হেলিকপ্টার বিধ্বস্ত হয়ে ১৬ জন নিহত হয়েছে বলে ধারণা হচ্ছে। এরমধ্যে পাঁচ
জনের মৃতদেহ উদ্ধার করা সম্ভব হয়েছে। দেশটির দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা
মন্ত্রণালয় আজ (রোববার) এ তথ্য জানিয়েছে।






রাশিয়ার মুরমানস্ক অঞ্চলের মুনোজিরো হ্রদে
গতকাল মি-এইট মডেলের একটি হেলিকপ্টার বিধ্বস্ত হয়। আরোহীদের দুই জনকে
জীবিত উদ্ধার করা হয়েছে। বাকীরা সবাই পানিতে ডুবে মারা গেছে বলে ধারণা করা
হচ্ছে। রাশিয়ার দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র তাতিয়ানা
যাকহারোভা বলেছেন, হেলিকপ্টারটি এখন পানির নিচে। ডুবুরিরা আরোহীদের
উদ্ধারের চেষ্টা করছেন। একজন রুশ কর্মকর্তা বলেছেন, মৃতদেহ উদ্ধার না হওয়া
পর্যন্ত আমরা ধরে নিচ্ছি তারা বেঁচে আছেন। এখনই তাদেরকে মৃত হিসেবে ঘোষণা
করা যাচ্ছে না। 





হেলিকপ্টারটির আরোহীদের মধ্যে মুরমানস্ক
অঞ্চলের ডেপুটি গভর্নর, একজন উপমন্ত্রী ও ফসফেট কোম্পানি ‘আপাতিত’র প্রধান
ছিলেন। তবে আঞ্চলিক প্রশাসন আরোহীদের নাম-পরিচয় জানাতে অস্বীকার করেছে।




উদ্ধার অভিযানে অন্তত একশ’ ব্যক্তি অংশ
নিচ্ছেন। যান্ত্রিক ত্রুটি অথবা খারাপ আবহাওয়ার কারণেই দুর্ঘটনা ঘটেছে বলে
ধারণা করা হচ্ছে। খারাপ আবহাওয়ার কারণে উদ্ধার অভিযান শুরু করতেও দেরি
হয়েছে বলে জানা গেছে।


(রেডিও তেহরান)


Disclaimer:

This post might be introduced by another website. If this replication violates copyright policy in any way without attribution of its original copyright owner, please make a complain immediately to this site admin through Contact.

ভারতে আদিবাসি কিশোরী ধর্ষিতা; জরিমানা ৩ হাড়ি দেশি মদ!




পশ্চিমবঙ্গের বীরভূম জেলায় আদিবাসী এক
স্কুলছাত্রীকে ধর্ষণের সঙ্গে জড়িতদের শাস্তি হিসেবে তিন হাড়ি দেশি মদ
জরিমানা করেছে স্থানীয় মোড়ল।  






স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, বৃহস্পতিবার
বিকেলে বীরভূমে মোহাম্মদ বাজারে ষষ্ঠ শ্রেণির এক স্কুলছাত্রীকে ধর্ষণ করে
তিন দুর্বৃত্ত। গতকাল দুপুর ১২টায় ওই ঘটনার বিচারের জন্য সালিশি সভা বসে।
শাস্তি হিসেবে ধর্ষকদের তিন হাড়ি দেশি মদ জরিমানা করে গ্রাম্য মোড়ল।
পাশাপাশি অভিযুক্তের সঙ্গে আপোষ করার নির্দেশ দেয়া হয় সালিশি সভায়।
 একইসঙ্গে ধর্ষিতার পরিবারকে  হুমকি দিয়ে বলা হয়,এ ঘটনা পুলিশকে জানালে
বাড়িতে আগুন লাগিয়ে দেয়া হবে।





মোড়লের হুমকি উপেক্ষা করে পুলিশের কাছে
অভিযোগ দায়ের করে মেয়েটির পরিবার। অভিযোগ দায়ের হওয়ার পরই পুলিশ ওই
গ্রামের মোড়লসহ তিন ধর্ষককের গ্রেফতার করে।  




এর আগে চলতি বছরের জানুয়ারি মাসে বীরভূমের
লাভপুরে এক মুসলিম তরুণের সঙ্গে প্রেমের শাস্তি হিসেবে এক আদিবাসি তরুণীকে
ধর্ষণ করার নির্দেশ দেয় পঞ্চায়েতের মোড়ল। পরে তরুণীকে বাড়ি থেকে তুলে
মোড়লসহ ১৩ জন ধর্ষণ করে বাড়ির সামনে ফেলে রেখে যায়। এ নিয়ে সারা দেশে
ব্যাপক সমালোচনার ঝড় ওঠে। ভারতের সুপ্রিম কোর্টও চাঞ্চল্যকর এ ঘটনা নিয়ে
উদ্বেগ প্রকাশ করে স্বতঃপ্রণোদিত হয়ে পশ্চিমবঙ্গ সরকারকে নোটিশ দেয়।

১ জুন (রেডিও তেহরান)


Disclaimer:

This post might be introduced by another website. If this replication violates copyright policy in any way without attribution of its original copyright owner, please make a complain immediately to this site admin through Contact.

পাবনায় সন্ত্রাসীদের ব্রাশ ফায়ারে নিহত ৪




পাবনার পুষ্পপাড়ায় অজ্ঞাত সন্ত্রাসীদের
গুলিতে আহত আওয়ামী লীগ কর্মী ও চরমপন্থীদলের সদস্য রফিকুল ইসলাম (৩০) মারা
গেছেন। এ নিয়ে নিহতের সংখ্যা দাঁড়ালো ৪ জনে।  






শনিবার রাত পৌনে ৯টার দিকে পুষ্পপাড়া
বাজারে ২০/২৫ জন অজ্ঞাত দুর্বৃত্ত অতর্কিতভাবে একটি দোকান লক্ষ্য করে ব্রাশ
ফায়ার করে। এতে ঘটনাস্থলেই আওয়ামী লীগ কর্মী হিসেবে পরিচিত সুলতান, ফজলু
এবং সালাম নিহত হয়। অন্যদিকে রফিকুল ও মামুন গুলিবিদ্ধ হয়ে আহত হন। পরে
আহতদের পাবনা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। তবে রফিকুলের অবস্থার
অবনতি হওয়ায় তাকে ঢাকায় নেয়ার পথে রোববার ভোরে তিনি মারা যান।



পাবনা সদর উপজেলা আওয়ামী লীগের
সাংগঠনিক সম্পাদক শেখ রাসেল আলী মাসুদ দাবি করেন, নিহতরা আওয়ামী লীগের
স্থানীয় নেতা-কর্মী ছিলেন। তবে আতাইকুলা ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সাধারণ
সম্পাদক আতিয়ার রহমান বলেন, তারা আওয়ামী লীগের কেউ নয়। এলাকায় নাম ভাঙিয়ে
বিভিন্ন অপকর্ম করে বেড়াত।





পাবনার অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (বিশেষ শাখা)
এস এম মোস্তাইন হোসেন সন্ত্রাসীদের হামলায় তিনজনের মৃত্যুর খবর নিশ্চিত
করে জানান, তিনজনই চরমপন্থী সংগঠন ‘বাহিনী’র সদস্য ছিল বলে পুলিশ
প্রাথমিকভাবে নিশ্চিত হয়েছে।





নিহতদের বিরুদ্ধে ওই এলাকায় খুন, ধর্ষণ ও চাঁদাবাজিসহ ব্যাপক সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ডের অভিযোগ রয়েছে।


এ দিকে, সকাল থেকে এলাকাবাসী এই
হত্যাকাণ্ডের প্রতিবাদে ও জড়িতদের গ্রেফতারের দাবিতে পাবনা-ঢাকা মহাসড়কের
পুষ্পপাড়া এলাকায় সড়ক অবরোধ করে রেখেছে এবং দফায় দফায় বিক্ষোভ করছে।

যে কোন অপ্রীতিকর পরিস্থিতি এড়াতে ওই এলাকায় অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে।


Disclaimer:

This post might be introduced by another website. If this replication violates copyright policy in any way without attribution of its original copyright owner, please make a complain immediately to this site admin through Contact.

ব্রাজিলের ডিফেন্স বিশ্বসেরা






এবারের বিশ্বকাপে ব্রাজিলই ফেবারিট। জিতলেই যষ্ঠবার। এ হবে তাদের জন্য বিরাট অর্জন। কোচ সোলারি নিজেও তার দল নিয়ে অনেক আশাবাদী। বিশ্বের তাবৎ বড় বড় বিশেষজ্ঞ এক বাক্যে বলেছেন, ব্রাজিলই এবার বিশ্বকাপ তাদের ঘরেই রেখে দেবে। এর পেছনে যুক্তির কোনো শেষ নেই। এবার মুখ তুলেছেন কার্লোস আলবার্তো পেরেইরা। ব্রাজিলের টেকনিক্যাল ডাইরেক্টর ৭১ বছরের পেরেইরা মনে করেন, সেলেকাওদের ডিফেন্স হচ্ছে শক্তিশালী। তারা এই সৌন্দর্যমণ্ডিত ব্যাক লাইনকে সামনে রেখেই চলতি গ্রীষ্মে বিশ্বকাপ জয় করবে। এবং তারা ফেবারিট হিসেবে প্রমাণ করবে, বিশ্বকাপের জন্যই তাদের জন্ম। তিনি আরো যোগ করেন, থিয়েগো সিলভা ও ডেভিড লুইসের মূল্যমান ধরা হলে বলা যেতে পারে, ব্রাজিল ডিফেন্স সবচেয়ে দামি। এমনকি চ্যাম্পিয়ন লিগের ফাইনালে গোল করা মার্সেলো নিজের জায়গা করে নিয়েছেন। এই কারণে সোলারি তার দলের রক্ষণভাগের শক্তি নিয়ে সন্তুষ্ট এবং যা বিশ্বকাপে আলো ছড়াবে।



সাংবাদিকদের সাথে কথা বলতে গিয়ে পেরেইরা বলেন, মার্সেলো তো শেষ মুহূর্তে যোগ দিয়েছেন। এর ফলে বোঝা যায় তিনি কোন মাপের ফুটবলার। আমরা তাদের ওপর বিশ্বাস রেখেছি। ব্রাজিল দলের দিকে তাকালে দেখা যাবে কেমন চমৎকার একটি দল সেলেকাওরা। আমাদের রয়েছে সবচেয়ে দামি ও সেরা সেন্ট্রাল ডিফেন্ডার। ম্যাকসওয়েলও আছেন। দলের সবাই নামীদামি ও মহান ফুটবলার। দলে আছে মহান স্ট্রাইকার। ফলে সাফল্য পাওয়ার জন্য দলটি মুখিয়ে আছে।



১৯৯৪  বিশ্বকাপে জয়ী কোচ পেরেইরা আরো বলেন, ব্রাজিল এবারের বিশ্বকাপে অবশ্যই ফেবারিট। তবে তা অর্জন করে নিতে হবে। আমরা বলি না যে, আমরাই জিতব। তবে এটা তো ঠিক যে আমরা ফেবারিট। ২০০১ বিশ্বকাপে শতকরা নব্বই ভাগ লোক বলেছিল যে, আর্জেন্টিনা অথবা ফ্রান্স বিশ্বকাপ জয় করবে। কিন্তু এ দু’টি দল গ্রুপ পর্ব পেরুতে পারেনি। ফেবারিটের তকমা আঁটা দলগুলো ম্যাচ বদলে দিতে পারে না। কারণ ফেবারিটকে মাঠে খেলতে হবে। এবং নিজেদের শক্তির স্ফূরণ ঘটিয়ে একের পর এক ম্যাচ জিততে হবে।



তিনি আরো বলেন, আমরা কোনো কিছুতেই অবাক হবো না। কারণ আমাদের জনগণ আমাদের সাহায্য করবে। কারণ ব্রাজিল কেমন দল তা নিয়ে তারা আলোচনা করে। এমনকি অন্য দলগুলোর ব্যাপারেও তারা খবর রাখে। প্রতিটি দলই প্রতিপক্ষের শক্তি সম্পর্কে অবহিত। আমরাও আমাদের গ্রুপ পর্বের দলগুলো নিয়ে কাজ করেছি। তবে এর বাইরে ১৬ দলের শক্তি সম্পর্কে আমরা ভালোই জানি। ফলে ভীত হওয়ার মতো কিছু নেই। এই অর্থে আমরাও অবাক নই। ১৯৫০ সালের বিশ্বকাপে ফইনালে উরুগুয়ের কাছে ব্রাজিল পরাজিত হয়েছিল। সেই বেদনাদায়ক অধ্যায়ের পর আবার ব্রাজিল বিশ্বকাপের স্বাগতিক হয়েছে। এই ব্যাপারে পেরেইরা বলেন, বর্তমান দলের সবাই সেই দুঃখজনক অতীতকে পেছনে ফেলে মারাকানা স্টেডিয়ামে নতুন ইতিহাস নির্মাণের জন্য বদ্ধপরিকর। অতীত ও বর্তমান প্রেক্ষপট ভিন্ন। আমরা এর আগে পরাজিত হয়েছি। এবং আবার পরাজিত হতে চাই না। ব্রাজিলের ফুটবলারেরা তাদের ফ্যানদের কাছ থেকে এত ভালোবাসা পায়, যা অতুলনীয়। ২০১৩ কনফেডারেশন কাপে ব্রাজিল দল তার সমর্থকদের কাছ থেকে যে ভালোবাসা পেয়েছিল বিশ্বকাপেও তা পাবে।


Disclaimer:

This post might be introduced by another website. If this replication violates copyright policy in any way without attribution of its original copyright owner, please make a complain immediately to this site admin through Contact.

জ্বালানি ছাড়াই জ্বলবে বাল্ব চলবে অটোগাড়ি




বিদ্যুৎ ও জৈব জ্বালানি ছাড়াই ব্যাটারির সাহায্যে ভূগর্ভ থেকে সেচ কিংবা গৃহস্থালির কাজে পানি উত্তোলন, বৈদ্যুতিক ফ্যান চালানো, বাল্ব জ্বালানো ও অটোগাড়ি চালানো যাবে। এমনই এক প্রযুক্তি উদ্ভাবন করেছেন নজরুল ইসলাম নামে এক ব্যক্তি। তার বাড়ি রাজশাহীর বাঘা উপজেলার আহম্মদপুর গ্রামে। তিনি দশম শ্রেণী পর্যন্ত পড়ালেখা করেছেন। 






নজরুল ইসলাম তার নতুন উদ্ভাবিত যন্ত্রের নাম দিয়েছেন ‘পাওয়ার বক্স’। এতে কোনো বিদ্যুৎ কিংবা জ্বালানির প্রয়োজন নেই। পাওয়ার বক্স চললেই নিজে থেকেই ব্যাটারি চার্জ হবে। তিনি নিজ বাড়িতে তার উদ্ভাবিত যন্ত্র দ্বারা বাড়ির বৈদ্যুতিক ফ্যান, বাল্ব, রঙিন টিভি এবং পানি উত্তোলন করে দেখিয়েছেন। এতে কোনো বিদ্যুৎ, ডিজেল ও পেট্রলের প্রয়োজন নেই। পাওয়ার বক্স চললেই ব্যাটারি চার্জ হবে।





নজরুল ইসলাম  বলেন, ‘আমি আজ থেকে ১০ বছর আগে চিন্তা করেছি এ ধরনের পাওয়ার বক্স উদ্ভাবন করব। কিন্তু আর্থিক সঙ্কট ও নানা সীমাবদ্ধতার কারণে এ প্রযুক্তি উদ্ভাবনে বিলম্ব হয়েছে। অবশেষে গত দুই বছরের চেষ্টার ফলে আমার স্বপ্নের এই পাওয়ার বক্স উদ্ভাবন করতে সম হয়েছি। আর গত ২৪ মে উপজেলা সদরের শাহদৌলা ডিগ্রি কলেজ সংলগ্ন এলাকায় আনুষ্ঠানিকভাবে পাওয়ার বক্স যন্ত্রের সফল পরীা করে দেখিয়েছি।’ 





তিনি আরো জানান, এই পাওয়ার বক্সের মাধ্যমে ভূগর্ভ থেকে পানি উত্তোলন, ব্যাটারি চার্জ, ফ্যান চালানো, বাল্ব জ্বালানো, রঙিন টিভি ও ফ্রিজ চালানোসহ ৮-১০ বিঘা জমিতে সেচের মাধ্যমে আবাদ করা যাবে। এ ছাড়া অটোগাড়ি চলবে এবং ব্যাটারিতে বৈদ্যুতিক চার্জ লাগবে না। ব্যাটারি ওই পাওয়ার বক্সের মাধ্যমেই অটো চার্জ হবে এবং অন্য গাড়ির ব্যাটারিও চার্জ করা যাবে। ব্যাটারি দীর্ঘ মেয়াদে চলবে ও এতে বাড়তি কোনো খরচ হবে না।





তিনি আরো জানান, এ প্রযুক্তির সঠিক ব্যবহার কাজকে সহজ সাশ্রয়ী এবং লাভজনক করে তুলবে। এই প্রযুক্তিটি অটোগাড়ি চালকেরা যথাযথভাবে ব্যবহার করে লাভবান হওয়ার পাশাপাশি সেচসমস্যা সমাধানেও ভূমিকা রাখবে। তিনি দেশের স্বার্থে সহজ এই প্রযুক্তিটি কৃষক ও অটোগাড়ি চালকদের মধ্যে দ্রুত ছড়িয়ে দেয়ার পরামর্শ দেন। সরকারি ও বেসরকারি সহযোগিতা পেলে এই প্রযুক্তির প্রচার ও প্রসারসহ নতুন প্রযুক্তি উদ্ভাবনে কার্যকর ভূমিকা রাখতে পারবেন মনে করেন তিনি। 





নজরুল ইসলাম বলেন, জ্বালানি সাশ্রয়ী এ প্রযুক্তিতে চারটি বিভিন্ন ভোল্টের ব্যাটারি, একটি করে ডিসি মোটর, হাইস্পিড জেনারেটর, বেল্ট, পুলি, শ্যাফ্ট এবং প্রয়োজন মতো বৈদ্যুতিক কেবল ব্যবহার করা হয়েছে। এতে সাকুল্যে এতে খরচ হয়েছে ৪০ হাজার টাকা। মাঝে এক ঘণ্টা করে বিরতি দিয়ে দিনে ২০ ঘণ্টা চালানো যাবে এ প্রযুক্তি। গবেষণার মাধ্যমে একে আরো সাশ্রয়ী ও টেকসই করা সম্ভব। তখন দাম আরো কম হবে।




Disclaimer:

This post might be introduced by another website. If this replication violates copyright policy in any way without attribution of its original copyright owner, please make a complain immediately to this site admin through Contact.


ঋণের ভারে সোজা হতে পারছে না পুঁজিবাজার




ঋণের ভারে জর্জরিত পুঁজিবাজার। শত চেষ্টা করেও সোজা হয়ে দাঁড়াতে পারছে না। গতি ফিরে আসছে না বাজারগুলোতে। মাঝে মধ্যে সাময়িক গতি এলেও তা টেকসই হচ্ছে না। ফলে বিনিয়োগকারীরা যে যার অবস্থান থেকে লোকসান কাটিয়ে ওঠার চেষ্টা করলেও তাতে কোনো ফল হচ্ছে না। বাজারে সক্ষমতা ধরে রাখা ুদ্র একটি অংশ সাময়িক এ ভালো অবস্থার সুযোগ নিতে পারলেও বেশির ভাগের লোকসানের পাল্লা দিন দিন ভারী হচ্ছে। অনেক ক্ষেত্রে পুনর্বিনিয়োগ করে দর সমন্বয় করেও কাজ হচ্ছে না। বিনিয়োগকারীদের একটি বড় অংশ ঋণের জালে আটকে পড়ার কারণেই এমনটি ঘটছে বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা।



পুঁজিবাজার বিপর্যয়ের পর ব্যাপক দরপতনের কারণে বাজারে ঋণ প্রদানকারী প্রতিষ্ঠানগুলো ভয়াবহ ঋণের জালে আটকা পড়ে যায়। ঋণগ্রহীতা কয়েক লাখ গ্রাহক শিকার হয় এই পরিস্থিতির। টানা দরপতনের ফলে তারা এ সময় নিজেদের পুঁজি হারানোর পাশাপাশি সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠানগুলোর কাছে এখনো ঋণের জালে আটকে আছেন। একইভাবে প্রতিষ্ঠানগুলো গ্রাহকদের ঋণ প্রদান করতে গিয়ে নিজ নিজ মূল প্রতিষ্ঠানের পাশাপাশি কোনো কোনো ক্ষেত্রে অন্যান্য প্রতিষ্ঠানের কাছেও দায়বদ্ধ হয়ে রয়েছে। আর ঋণের এ চক্রে খাবি খাচ্ছে গোটা পুঁজিবাজার। এক হিসেবে জানা যায় বিপর্যয়ের পর পুঁজিবাজারের সাথে সংশ্লিষ্ট বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানের প্রায় ১৫ হাজার কোটি টাকা মার্জিন লোনে আটকে রয়েছে। ঋণপ্রদানকারী বিভিন্ন মার্চেন্ট ব্যাংক ও ব্রোকার হাউজের এ ঋণ লক্ষাধিক বিনিয়োগকারীর কাছে যার অধিকাংশ গ্রাহক হিসেবেই এখন নিষ্ক্রিয়। এ হিসেবে গ্রাহকদের পুঁজিতো নেই তার ওপর প্রতিষ্ঠানগুলোর কাছে বড় অঙ্কের ঋণ গুনতে হচ্ছে যা সুদের আকারে দিন দিন আরো বাড়ছে। কোনো কোনো ক্ষেত্রে গ্রাহকদের ধারণকৃত শেয়ার বিক্রি করার পরও সমন্বয় করা সম্ভব হচ্ছে না। এ অবস্থায় হিসাবধারী গ্রাহকরা না পারছেন এ ঋণ শোধ করতে না পারছেন পুনর্বিনিয়োগের মাধ্যমে এসব হিসাব সক্রিয় করতে।



বিনিয়োগকারীদের একটি বড় অংশ এভাবেই এখন বাজারের বাইরে। সংশ্লিষ্টদের মতে, কোনোভাবে ঋণ গ্রহণকারী এসব গ্রাহকের হিসাব সক্রিয় করা গেলে বাজার কিছুটা হলেও গতি ফিরে পেত। এ ধারণা থেকেই গত তিন বছরেরও বেশি সময় সরকার ও বাজার নিয়ন্ত্রক সংস্থা অনেক উদ্যোগ নিয়েছে। কিন্তু বাজারের মূল সমস্যা মার্জিন ঋণের বিষয়টি নিয়ে সংশ্লিষ্ট দায়িত্বশীল প্রতিষ্ঠানগুলোর প থেকে কার্যকর কোনো পদপে নেয়নি। সর্বশেষ বাংলাদেশ ব্যাংক গত বছরের শেষ দিকে বিনিয়োগকারীদের সুদ মওকুফে ৯০০ কোটি টাকার তহবিল যোগান দিলেও ঋণের আকারের তুলনায় তা খুবই নগণ্য বলে খুব একটা কার্যকর ফল পায়নি। এ ছাড়া এ তহবিল ঠিক কিভাবে ব্যবহার করা হচ্ছে তা নিয়েও রয়েছে যথেষ্ট ধোঁয়াশা। তাই বারবার সময় বৃদ্ধি করার পরও এ ঋণ গ্রহণে বিনিয়োগকারীদের যথাযথ সাড়া পাচ্ছে না প্রতিষ্ঠানগুলো।



অন্য দিকে পুঁজিবাজারে ব্যাংক ও আর্থিক প্রতিষ্ঠানের বিনিয়োগসীমা নিয়ে সৃষ্ট জটিলতার আবর্তে ঘুরপাক খাচ্ছে পুঁজিবাজার। শুরুতে মোট দায়ের ১০ শতাংশ বিনিয়োগ সুবিধা থাকলেও এখন তা কমিয়ে মোট মূলধনের ২৫ শতাংশ নির্ধারণ করে দেয় কেন্দ্রীয় ব্যাংক। কিন্তু ২০১০ সালের পুঁজিবাজার বিপর্যয়ের আগে অতিরিক্ত মুনাফার লোভে বেশির ভাগ প্রতিষ্ঠানই এ সীমা মানেনি। কোনো কোনো প্রতিষ্ঠান মোট দায়ের ২৫ শতাংশের ওপর পুঁজিবাজারে বিনিয়োগ করে বসে। পরবর্তীতে বাংলাদেশ ব্যাংক লাগাম টেনে ধরলে তার নেতিবাচক প্রভাব পড়ে বাজারে। সেখানেই শুরু পুঁজিবাজার বিপর্যয়ের। আর এর জের চলছে গত তিন বছরের ও বেশি সময়। এখনো কালেভদ্রে বাজারগুলো সাময়িক মূল্য বৃদ্ধির ধারায় ফিরলে ঋণ সমন্বয়ের অংশ হিসেবে প্রতিষ্ঠানগুলোর বিক্রয়চাপের শিকার হচ্ছে পুঁজিবাজার। আর এর ফল ভোগ করছে বাজারের সাধারণ বিনিয়োগকারীরা। তারা না পারছেন বাজারে টিকে থাকতে না পারছেন ব্যাপক লোকসান ঘাড়ে নিয়ে বাজার ছাড়তে। এ অবস্থা থেকেই ক্রমান্বয়ে আস্থাহীনতা বাড়ছে পুঁজিবাজারে।



পুঁজিবাজার সংশ্লিষ্টরা মনে করেন, শুধু সুদ মওকুফ বা এ ধরনের ছোটখাটো কোনো উদ্যোগ শেয়ারবাজারের এ সমস্যা নিরসন সম্ভব নয়। বড় ধরনের তারল্য প্রবাহ ঘটাতে না পারলে বাজারগুলো স্বাভাবিক গতি পাবে না। তারা মনে করেন, কমপক্ষে পাঁচ হাজার কোটি টাকার একটি থোক বরাদ্দ নিয়ে সংশ্লিষ্ট সব মহলের সাথে বসে একটি কার্যকর কর্মপরিকল্পনা গ্রহণ করতে হবে যাতে সরকারও একটি নির্দিষ্ট সময়ে এ টাকা ফেরত পায় আবার তা পুঁজিবাজারে রক্তপ্রবাহের কাজও করে। বাংলাদেশ ব্যাংককেও এ প্রক্রিয়ার সঙ্গে যুক্ত করতে হবে যাতে তারা এমন কোনো পদক্ষেপ না নেয় যা প্রকারান্তরে পুঁজিবাজারের স্বার্থের বিপক্ষে যায়। আবার তহবিলেরও সুষ্ঠু ব্যবহার নিশ্চিত করা সম্ভব হয়। তাদের মতে, যেকোনো প্রক্রিয়ায় মার্চেন্ট ব্যাংক ও ব্রোকার হাউজগুলোর বিনিয়োগ হিসাব আবার সক্রিয় করার ব্যবস্থা নিতে হবে। কারণ সক্ষম বিনিয়োগকারীদের একটি বড় অংশই এসব প্রতিষ্ঠানের গ্রাহক। তাদের একবার সচল করা গেলে বাজার তার সুফল পাবে।




Disclaimer:

This post might be introduced by another website. If this replication violates copyright policy in any way without attribution of its original copyright owner, please make a complain immediately to this site admin through Contact.


মিয়ানমারের রণসজ্জা,সীমান্তে গোলাগুলি : আতঙ্কে এলাকাবাসী




বান্দরবানের নাইক্ষ্যংছড়ির দোছড়ি সীমান্তে বিজিবি ও মিয়ানমারের সীমান্ত রক্ষী বাহিনীর মধ্যে গতকাল আবারো প্রচণ্ড গুলিবিনিময় হয়েছে। দেড় ঘণ্টারও বেশি সময় ধরে চলা এই গুলিবিনিময়ে মিয়ানমারের সীমান্ত রক্ষী বাহিনীর বর্ডার গার্ড পুলিশের (বিজিপি) সদস্যরা ভারী অস্ত্র ব্যবহার করেছে। গত বুধবার মিয়ানমারের সীমান্ত রক্ষী বাহিনী বর্ডার গার্ড পুলিশ (বিজিপি) সদস্যদের গুলিতে নিহত হন বিজিবির নায়েক সুবেদার মিজানুর রহমান। গতকাল তার লাশ ফেরত দেয়ার কথা থাকলেও তা না দিয়ে উল্টো গুলি বর্ষণ করে বিজিপি। বর্তমানে মিয়ানমার তার সীমান্তে ব্যাপক সৈন্য সমাবেশ ঘটিয়ে রণপ্রস্তুতি নিচ্ছে বলে নির্ভরযোগ্য সূত্রে জানা গেছে। মংডু শহরের বলিবাজার, ফকিরাবাজার, ওয়ালিদং, তুমব্রু ও ঢেঁকিবুনিয়া সীমান্ত এলাকার ১ নম্বর ও ২ নম্বর সেক্টরে মিয়ানমার অতিরিক্ত সৈন্য সমাবেশ ঘটিয়েছে। সীমান্তের জিরো পয়েন্ট এলাকায় অঘোষিত কারফিউ চলছে। এ পরিস্থিতিতে উখিয়া-নাইক্ষ্যংছড়ি সীমান্ত এলাকায় বসবাসকারী লোকজনের মধ্যে বিরাজ করছে উদ্বেগ-উৎকণ্ঠা। ফলে উভয় দেশের সীমান্ত এলাকা জনশূন্য হয়ে পড়েছে। আতঙ্কে পাইনছড়ি এলাকার আশপাশের পাড়াগুলোর লোকজন নিরাপদ জায়গায় আশ্রয় নিয়েছেন।



বেলা ৩টা ২০ মিনিটের সময় পাইনছড়ি সীমান্তের ৫২ নম্বর পিলারের কাছে বিজিবির একটি টহল দল আগের দিন বিজিপির অতর্কিত গুলিবর্ষণের পর থেকে নিখোঁজ নায়েক সুবেদার মিজানুর রহমানের লাশ নিতে গেলে বিজিপি সদস্যরা অতর্কিত গুলিবর্ষণ করে। বিজিবিও আত্মরক্ষার্থে পাল্টাগুলি চালায়। বিকেল ৫টা পর্যন্ত চলে গুলিবিনিময়। তবে এ ঘটনায় কোনো হতাহতের খবর পাওয়া যায়নি। বিজিপির আবারো গুলিবর্ষণের পর পাইনছড়ি সীমান্তে বিজিবির শক্তি বৃদ্ধি করা হয়েছে। নাইক্ষ্যংছড়ি সীমান্তজুড়ে নিরাপত্তা জোরদার করা হয়েছে। নাইক্ষ্যংছড়ির ইউএনও আবু সাফায়েত মো: সহিদুর রহমান সীমান্তে গুলি বিনিময়ের কথা স্বীকার করে বলেছেন, পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণ করা হচ্ছে।



বিজিবি ও দোছড়ির স্থানীয় সূত্র জানায়, বিজিবির নিখোঁজ নায়েক সুবেদারের লাশ নেয়া জন্য বিজিবির ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা গতকাল বেলা ৩টানাগাদ সীমান্তের ৫০ নম্বর পিলার এলাকায় সাদাপতাকা নিয়ে অবস্থান নেন। পরে ৫২ নম্বর পিলারের স্থানে বিজিপির পক্ষ থেকে লাশ হস্তান্তর করা হবে জানালে বিজিবির একটি দল সেখানে যাওয়ার পথে মিয়ানমারের বিজিপি সদস্যরা অতর্কিত গুলিবর্ষণ শুরু করে। বিজিবির একটি সূত্র জানায়, মিয়ানমারের সীমান্ত রক্ষী বাহিনী ভারী অস্ত্রে সজ্জিত হয়ে হামলা চালায়। হামলায় ৮৫ ও ৬০ মি: মি: অস্ত্রসহ ভারী মেশিনগান ব্যবহার করা হয়। হামলার সময় ওই এলাকায় বিজিবির চট্টগ্রামের রিজিয়ন কমান্ডার ব্রিগেডিয়ার জেনারেল সৈয়দ আহম্মদ আলী, কক্সবাজারের সেক্টর কমান্ডার কর্নেল ফরিদ হাসানসহ বিজিবির ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা অবস্থান করছিলেন। নিখোঁজ নায়েক সুবেদার মিজানের লাশ নেয়ার জন্য নাইক্ষ্যংছড়ি থেকে একটি কফিনও সীমান্তে নেয়া হয়। কিন্তু মিয়ানমার লাশ ফেরত না দিয়ে অতর্কিত গুলিবর্ষণ করে। দোছড়ির ইউপি চেয়ারম্যান রশিদ আহম্মদ জানান, পাইনছড়ি সীমান্তে গুলিবিনিময়ের পর আতঙ্কে ওই এলাকার আশপাশের পাড়ার লোকজন পালিয়ে গেছে। কক্সবাজার বিজিবির সেক্টরের এক ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা গুলিবিনিময়ের কথা স্বীকার করে জানিয়েছেন, মিয়ানমারের সীমান্ত রক্ষীবাহিনীর আচরণে পরিস্থিতি ক্রমশ খারাপের দিকে যাচ্ছে। বান্দরবানের পুলিশ সুপার দেবদাশ ভট্টাচার্য জানিয়েছেন, বিজিবির পক্ষ থেকে তাদের বলা হয়েছে, মঙ্গলবার গুলিবর্ষণের ঘটনায় নিখোঁজ নায়েক সুবেদার মিজানুর রহমান গুলিবিদ্ধ হয়ে মারা গেছেন। তাকে সীমান্তের ওপারে নিয়ে যাওয়া হয়েছে। গতকাল দুপুরে তার লাশ ফেরত দেয়ার কথা ছিল। এ সময় মিয়ানমারের পক্ষ থেকে প্রথম গুলিবর্ষণ করা হয়।



বিজিবি ও স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, সদ্য স্থাপিত পাইনছড়ি বিওপি ক্যাম্প থেকে গত বুধবার একদল বিজিবি সদস্য নিয়মিত টহলের উদ্দেশ্যে বের হয়ে দোছড়ি ও তেছড়ি খালের সংযোগস্থলে পৌঁছলে সকাল সাড়ে ৯টার দিকে মিয়ানমার সীমান্ত থেকে বিজিপি তাদের লক্ষ্য করে ব্যাপক গুলিবর্ষণ শুরু করে। এ সময় বিজিবি সদস্য ছোটাছুটি করে পালিয়ে গেলেও দায়িত্বরত নায়েক সুবেদার মিজানুর রহমান গুলিবিদ্ধ হয়ে ঘটনাস্থলে মারা যান। পরে বিজিপি জাতিসঙ্ঘ কনভেনশন অমান্য করে বাংলাদেশ সীমান্তের জিরো পয়েন্ট এলাকায় অনুপ্রবেশ করে অস্ত্র ও গোলাবারুদসহ তার লাশ নিয়ে যায়।



উল্লেখ্য, ১৯৯১ সালের শেষের দিকে মিয়ানমার সীমান্তরক্ষী তৎকালীন নাসাকা বাহিনী অতর্কিতভাবে ঘুমধুমের রেজু ফাত্রাঝিরি বিজিবি ক্যাম্পে হামলা চালিয়ে এক বিজিবি সদস্যকে হত্যা করে অস্ত্র ও গোলাবারুদ লুট করে নিয়ে যায়। এ ঘটনাকে পুঁজি করে মিয়ানমার থেকে প্রায় আড়াই লক্ষাধিক রোহিঙ্গা বাংলাদেশে অনুপ্রবেশের ঘটনা ঘটে। ধারণা করা হচ্ছে, রোহিঙ্গাদের আবারো বাংলাদেশে ঠেলে দেয়ার জন্য পরিকল্পিতভাবে মিয়ানমারের বিজিপি সদস্যরা সীমান্তে অস্থিতিশীল পরিবেশ সৃষ্টির লক্ষ্যে বারবার গুলিবর্ষণ করছে।



গতকাল শুক্রবার সকালে সীমান্ত এলাকা ঘুরে বিজিবি ও স্থানীয় গ্রামবাসীর সাথে কথা বলে জানা যায়, সম্প্রতি নাইক্ষ্যংছড়ি সীমান্তের বাইশপারি ৪১ নম্বর সীমান্ত পিলার এলাকায় মিয়ানমার বর্ডার গার্ড পুলিশের গুলিবর্ষণের ঘটনায় স্থানীয় জনমনে আতঙ্ক বিরাজ করছে। ঘুমধুম বিজিবির সুবেদার সাহাব উদ্দিন জানান, সীমান্তে উদ্ভূত পরিস্থিতি নিয়ে লোকজন আতঙ্কগ্রস্ত হয়ে পড়েছে। যে কারণে সীমান্তের উভয় পাড় মানবশূন্য হয়ে পড়েছে। রেজু আমতলী ক্যাম্পের সুবেদার মো: সোহরাব হোসেন জানান, বিজিপির গুলিবর্ষণের পর থেকে সীমান্ত এলাকার পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রাখতে বিজিবি সতর্ক অবস্থায় রয়েছে। নাইক্ষ্যংছড়ি থানার অফিসার ইনচার্জ রফিকুল ইসলাম জানান, গতকাল শুক্রবার পতাকা বৈঠকের মাধ্যমে নিহত বিজিবির নায়েক সুবেদার মিজানুর রহমানের লাশ ফেরত দেয়ার কথা থাকলেও বিকেল পর্যন্ত ফেরত দেয়নি।



কক্সবাজার ১৭ বিজিবির অধিনায়ক লে. কর্নেল খন্দকার সাইফুল আলম বলেন, বুধবার পাইনছড়ি সীমান্ত এলাকায় গুলিবর্ষণের ঘটনার পর থেকে আমার নিয়ন্ত্রণাধীন ১৮ থেকে ৪০ নম্বর সীমান্ত পিলার পর্যন্ত সীমান্তের পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রাখতে অতিরিক্ত বিজিবি সদস্য মোতায়েন করা হয়েছে এবং তাদেরকে যেকোনো পরিস্থিতি মোকাবেলা করার জন্য সতর্ক থাকতে বলা হয়েছে। তিনি আরো জানান, মিয়ানমার আগে থেকে সীমান্তে অতিরিক্ত সৈন্য সমাবেশ ঘটিয়েছে। সীমান্তের পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণ সম্পর্কিত দুই দেশের মধ্যে সেক্টর কমান্ডার পর্যায়ে একটি বৈঠক আগামী ৩ জুন মিয়ানমারের রাখাইন রাজ্যের মংডুতে অনুষ্ঠিত হওয়ার কথা রয়েছে।



নাইক্ষ্যংছড়ি উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা বলেন, শুক্রবারও পাইনছড়ি সীমান্ত এলাকায় মিয়ানমার বিজিপি সদস্যরা আবারো দফায় দফায় গুলিবর্ষণ অব্যাহত রেখেছে। যে কারণে বিজিবির ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা ঘটনাস্থলের কাছাকাছি থাকায় যোগাযোগ করতে না পারায় বিস্তারিত জানানো সম্ভব হচ্ছে না। দৌছড়ি ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান রশিদ আহমদ বলেন, পাইনছড়ি এলাকায় শুক্রবার বিজিপি আবারো গুলিবর্ষণ করায় সীমান্ত এলাকায় পূর্বনির্ধারিত পতাকা বৈঠক হয়নি। ফলে লাশ হস্তান্তর প্রক্রিয়াও স্থগিত হয়ে যায়।



মিজানুরের গ্রামের বাড়িতে শোকের মাতম



বান্দরবান নাইক্ষ্যংছড়ি সীমান্তের পানছড়ি ৫২ নম্বর পিলার এলাকায় মিয়ানমার সীমান্তরী বাহিনীর (বর্ডার গার্ড পুলিশ) সাথে বর্ডার গার্ড বাংলাদেশের (বিজিবি) সদস্যদের গুলিবিনিময়ে নিহত বিজিবির নায়েক সুবেদার মিজানুর রহমানের গ্রামের বাড়ি কুমিল্লার দেবিদ্বারে চলছে শোকের মাতম। মিজানকে হারিয়ে তার স্ত্রী-সন্তানরা এখন পাগলপ্রায়। নিহতের স্ত্রী রাবেয়া আকতার কান্নাজড়িত কণ্ঠে সাংবাদিকদের কাছে অনুরোধ জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী যেন তার স্বামীর লাশ দেশে ফিরিয়ে আনার ব্যবস্থা করেন। নিহত নায়েক মিজানুর রহমান কুমিল্লার দেবিদ্বার উপজেলার মোহনপুর ইউপির ভৈষেরকুট-ভেলানগর গ্রামের মোল্লা বাড়ির শহীদ মুক্তিযোদ্ধা ল্যান্স করপোরাল আব্দুল হাফিজের ছেলে। গতকাল বিকেলে তার বাড়িতে গিয়ে দেখা যায় গ্রামজুড়ে বিরাজ করছে শোকাবহ পরিবেশ। আশপাশের লোকজন ওই বাড়িতে ভিড় করছেন মিজানের পরিবারকে সান্ত্বনা দিতে। কিন্তু তার বৃদ্ধ মা, স্ত্রী ও সন্তানদের কাছে যেই সান্ত্বনা দিতে যাচ্ছেন তাদের গগনবিদারী আর্তনাদে সেই কান্নায় ভেঙে পড়ছেন। তার মা রাবেয়া আক্তার ছেলের জন্য কাঁদতে কাঁদতে পাগলপ্রায়। স্ত্রী ও চার মেয়ের মধ্যে ছোট মেয়ে হাবিবা (৪) এখনো জানে না, তার বাবা আর কখনো ফিরে আসবেন না। হাবিবাকে তার বাবার কথা জিজ্ঞেস করলে সে বলে আমার বাবা চাকরি করতে গেছেন।



নিহতের পরিবার জানায়, ১৯৭১ সালে বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধের সময় মায়ের গর্ভে মিজানকে রেখে তার বাবা যুদ্ধে শহীদ হন। তৎকালীন তার বাবা বাংলাদেশ সেনাবাহিনীতে ল্যান্স করপোরাল পদে কর্মরত ছিলেন। এরপর মিজানের মাকে তার চাচা আবুল কাশেম বিয়ে করেন। তিনিও বিজিবির অবসরপ্রাপ্ত নায়েক সুবেদার ছিলেন। মিজানুর রহমান ১৯৮৮ সালে চাকরিতে যোগ দেন। দুই মাস আগে লালমনিরহাট থেকে তাকে বান্দরবানের নাইক্ষ্যংছড়িতে বদলি করা হয়। তিনি নাইক্ষ্যংছড়ির দোছড়ি ইউনিয়নের পানছড়ির বিজিবি ক্যাম্পে কর্মরত ছিলেন।



সূত্র মতে গত বুধবার সকালে নাই্যংছড়ি-মিয়ানমার সীমান্তের ৫২ নম্বর পিলারের কাছে ৩১ বিজিবির একটি টহল দলকে লক্ষ্য করে মিয়ানমার সীমান্তরী বাহিনীর (বর্ডার গার্ড পুলিশ) সদস্যরা গুলিবর্ষণ করার পর তিনি নিখোঁজ হন। ঘটনার পর থেকে বিজিবি সদস্য নায়েক সুবেদার মিজানের ব্যবহৃত এলএমজি রাইফেল ও ১২০ রাউন্ড গুলিও খুঁজে পাওয়া যাচ্ছে না। তাকে মিয়ানমারে নিয়ে যাওয়া হয়েছে বলে দাবি বিজিবির। এ ঘটনার পর নাই্যংছড়ি থানায় একটি সাধারণ ডায়েরি করা হয়েছে।



বান্দরবানের দোছড়ি ইউনিয়নের ক্যাম্পের নিখোঁজ বিজিবির নায়েক সুবেদার মিজানুর রহমানকে নিয়ে সৃষ্ট জটিলতার জের ধরে মিয়ানমারের সাথে যোগাযোগ করছে পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়।

গতকাল সন্ধ্যায় বাংলানিউজকে এ তথ্য জানান পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের বহিঃপ্রচার অনুবিভাগের মহাপরিচালক সালাহউদ্দিন নোমান চৌধুরী।



গতকাল বেলা আড়াইটায় বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ (বিজিবি) ও মিয়ানমারের সীমান্তরী বাহিনী মিয়ানমার বর্ডার গার্ড পুলিশের (বিজিপি) মধ্যে গুলিবিনিময় শুরু হয়। বিকেল ৫টা পর্যন্ত এ গুলিবিনিময় চলে।



জানা যায়, মিয়ানমারের সীমান্তরী বাহিনীর হাতে আটক বিজিবি সদস্য নায়েক মো: মিজানুর রহমানকে গতকাল ফেরত দেয়ার কথা ছিল। বিকেল ৩টায় একটি পতাকা বৈঠকও অনুষ্ঠিত হওয়ার কথা। সে জন্য নাই্যংছড়ি সীমান্তের পাইনছড়ি ৫২ নম্বর সীমান্ত পিলার এলাকায় অপো করছিলেন বিজিবির সদস্যরা। কিন্তু মিজানুর রহমানকে ফিরিয়ে না দিয়ে অতর্কিতে গুলিবর্ষণ করে মিয়ানমারের সীমান্তরী বাহিনীর সদস্যরা। পরে বিজিবিও পাল্টা গুলি চালায়।

এ বিষয়ে সালাহউদ্দিন নোমান বাংলানিউজকে বলেন, নাই্যংছড়ির ঘটনার পর থেকেই কূটনৈতিক চ্যানেলে মিয়ানমারের সাথে যোগাযোগ রেখেছে পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়।



এ দিকে পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের আরেকজন ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা শুক্রবার সন্ধ্যায় টেলিফোনে বাংলানিউজকে বলেন, বৃহস্পতিবারেই পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় ঢাকার মিয়ানমারের রাষ্ট্রদূতকে ডেকে এ ঘটনার প্রতিবাদ জানানো হয়েছে।

তিনি বলেন, আমাদের জানা মতে, শুক্রবার পতাকা বৈঠক করে মিজানকে ফেরত দেয়ার কথা। কিন্তু বৈঠকটি না হয়ে গুলিবিনিয়ম হওয়া খুবই অনভিপ্রেত। পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় বিষয়টি অতি গুরুত্বের সাথে দেখছে। কূটনৈতিক-পর্যায়ে আলোচনাও চলছে।



নিখোঁজ বিজিবি নায়েক সুবেদার মিজানুর রহমান সম্পর্কে তিনি বলেন, সম্ভবত তিনি নিহত হয়েছেন।

অপর দিকে, বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ (বিজিবি) জানায়, বুধবার সকালে নিয়মিত টহলের অংশ হিসেবে নাই্যংছড়ির পানছড়ি বিওপির ২০ সদস্যের বিজিবির একটি দল ৫২ নম্বর সীমান্ত পিলারের কাছে যায়। সীমান্ত পিলারের কাছে পৌঁছামাত্র বিজিবি সদস্যদের ওপর নির্বিচারে গুলি ছুড়তে শুরু করে মিয়ানমারের সীমান্তরী বাহিনী মিয়ানমার বর্ডার গার্ড পুলিশ।



গুলি থামার পর থেকে নিখোঁজ হন বিজিবির সদস্য নায়েক মিজানুর রহমান।

মিজানকে আটক ও সীমান্তে নির্বিচারে গুলিবর্ষণের প্রতিবাদে ঢাকায় নিযুক্ত মিয়ানমারের রাষ্ট্রদূত মিউ মিন্ট থানকে বৃহস্পতিবার দুপুরে পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে তলব করে কড়া প্রতিবাদ জানানো হয়।



এ দিকে নিখোঁজ মিজানুর বেঁচে আছেন কিনা সে ব্যাপারে বিজিবির প থেকে কিছু জানা না গেলেও নাই্যংছড়ি থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) রফিকুল ইসলাম তার মৃত্যুর খবর নিশ্চিত করেছেন।


Disclaimer:

This post might be introduced by another website. If this replication violates copyright policy in any way without attribution of its original copyright owner, please make a complain immediately to this site admin through Contact.



জন্ম যাদের অবৈধ তারা সব কিছুতেই অবৈধ দেখে : প্রধানমন্ত্রী




প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেছেন, জন্ম যাদের অবৈধ তারা সব কিছুতেই অবৈধ দেখে। যারা সরকার নিয়ে বৈধতার প্রশ্ন তুলছে, তারাই কি বৈধ? জিয়াউর রহমান সংবিধান লঙ্ঘন করে ক্ষমতায় উত্তরণ করল। জিয়াউর রহমান কারফিউ দিয়েছিল। কোন গণতন্ত্র দিয়েছিল। কারফিউ গণতন্ত্র? তিনি যে দল গঠন করেছিলেন সেটাই তো অবৈধ।

আজ শনিবার বিকেলে ৪টার দিকে জাপান সফর নিয়ে গণভবনে সংবাদ সম্মেলনে তিনি এ কথা বলেন।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, ট্রাক, বাসসহ বিভিন্ন জায়গায় আগুন দেয়া। মানুষ মারা হয়েছে। যারা হত্যা করে নির্বাচন ঠেকাতে চেয়েছিল। তারা কি আবার ডিক্টেটরশিপ আনতে চেয়েছিল। নির্বাচনে ৪০ ভাগ ভোট পড়েছিল। তাই কেন এর বৈধতা হবে না। আজ পর্যন্ত একটা সরকার দেখান যারা গণতন্ত্র রক্ষা করে সরকার পরিচালনা করতে পেরেছে। আমরা পেরেছি।



তিনি বলেন, আগের সরকার কেউ ল্যান্ড বাউন্ডারি ঠিক করতে পারে নি। আমরা ১৯৯৬ সাল থেকে শুরু করেছি। তিস্তা চুক্তি নিয়ে আমরা আলোচনা শুরু করেছি। পশ্চিমবঙ্গের মুখ্যমন্ত্রী এতে বাধা দিয়েছেন। তাই থেমে গিয়েছিল। আমরা তো শুরু করেছি।



শেখ হাসিনা বলেন, আমরা তো দেশের স্বার্থ নিয়ে কথা বলি। কিন্তু বিএনপি ও জাতীয় পার্টিতো কিছু বলতেই পারে না। খালেদা জিয়া তো ভারতে গিয়ে গঙ্গা চুক্তির কথা ভুলেই গেছিলেন।

ভারতের সাথে চুক্তি নিয়ে অনেকের অনেক রকম মন্তব্য প্রসঙ্গে তিনি বলেন, যারা এ চুক্তিকে দেশ বিক্রির চুক্তি বলেছিল তারাই এখন দাবি করেন এ চুক্তি বাস্তবায়নের। বুঝলি না ফেলি বুঝবি দিন গেলি।

২১ সালের মধ্যে বাংলাদেশকে একটি মধ্যম আয়ের দেশে উন্নীত করা হবে বলেও প্রত্যাশা ব্যক্ত করেন প্রধানমন্ত্রী।

সরকারের বৈধতা প্রসঙ্গে সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের জবাবে শেখ হাসিনা বলেন, যারা সরকারের বৈধতা নিয়ে প্রশ্ন করে তাদের বৈধতা কী?



যুদ্ধপরাধীদের বিচার প্রসঙ্গে শেথ হাসিনা বলেন, যুদ্ধপরাধীদের বিচার আমরাই শুরু করেছি। বঙ্গবন্ধুও যুদ্ধাপরাধীদের বিচার শুরু করেছিলেন। কিন্তু জিয়াউর রহমান ক্ষমতায় আসার পর বিচার বন্ধ করে দিয়েছিল। আমরা বিচার শুরু করেছি। আমরাই শেষ করব। আমেরিকার জন কেরি আমাকে বলেছিলেন যেন কাদের মোল্লার ফাঁসি না হয়। কিন্তু আমি ভয় পাইনি। এমন পরিস্থিতে আর কে সাহস করত কাদের মোল্লার ফাঁসি কার্যকর করা। একমাত্র বঙ্গবন্ধুর কন্যাই এমন সাহস দেখাতে পারেন।



মুক্তিযুদ্ধে বিদেশী বন্ধুদের সংবর্ধনা ক্রেস্টে স্বর্ণ কম বেশি নিয়ে সাংবাদিকেদের এক প্রশ্নের জবাবে শেখ হাসিনা বলেন, কথায় আছে স্বর্ণকার মায়ের গহনা বানালেও সেখান স্বর্ণ চুরি করে।

জাপান সফর সফল হয়েছে দাবি করে প্রধানমন্ত্রী বলেন, এ সফরে জাপানের সাথে সম্পর্কের নতুন মাত্রা যুক্ত হয়েছে। জাপান সব সময় বাংলাদেশের পাশে রয়েছে। ভবিষ্যতেও এ ধারা অব্যাহত থাকবে বলে আশ্বস্ত করেছে জাপান।

শেখ হাসিনা বলেন, জাপানে বাংলাদেশী শ্রমিকদের নিয়োগের বিষয়ে আমি জাপানের প্রধানমন্ত্রীকে অনুরোধ জানিয়েছি। এছাড়া দ্বিপাক্ষিক বাণিজ্য বৃদ্ধির লক্ষ্যে আলোচনা হয়েছে বলেও জানান তিনি।

তিনি আরো বলেন, জাপানের সাথে আলোচনায় জাপানের ফুকুশিমা পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্রের অভিজ্ঞতা শেয়ারের বিষয়ে ঐক্যবদ্ধ হয়েছি।



বাংলাদেশী শিক্ষার্থীদের জন্য বৃত্তি বৃদ্ধি, পররাষ্ট্র বিষয়ক সমঝোতা স্মারক, জাপানি বিনিয়োগকারীদের জন্য চট্টগ্রামে একটি বিশেষায়িত অর্থনৈতিক জোন তৈরি ও ব্যবসা বৃদ্ধির বিষয়ে আলোচনা হয়েছে বলেও সংবাদ সম্মেলনে জানান প্রধানমন্ত্রী। ২৪ মে দিনগত রাত ১২টায় চারদিনের সরকারি সফরে জাপান যান প্রধানমন্ত্রী। সফরে তার সফরসঙ্গী ছিলেন ১০৯ জন। সফরকালে জাপানের সম্রাট আকিহিতো এবং প্রধানমন্ত্রী শিন জো অ্যাবের সাথে সাক্ষাৎ করেন প্রধানমন্ত্রী। এছাড়া এ সফরে দুদেশের মধ্যে কয়েকটি চুক্তিও সই হয়।




Disclaimer:

This post might be introduced by another website. If this replication violates copyright policy in any way without attribution of its original copyright owner, please make a complain immediately to this site admin through Contact.

বৈশিষ্ট্যযুক্ত পোস্ট

IBN SINA