সর্বশেষ সংবাদ

শাহীনূর হত্যা ঘটনায় ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় কমান্ডারসহ ৯ র‌্যাব সদস্যের বিরুদ্ধে মামলা




ব্রাহ্মণবাড়িয়ার নবীনগরের শাহীনুর আলম আলম হত্যা ঘটনায় র‌্যাব-১৪ এর ভৈরব ক্যাম্পের কমান্ডার মেজর এ জেড এম সাকিব সিদ্দিকীসহ ক্যাম্পের ৯ জন সদস্যের বিরুদ্ধে মামলা হয়েছে। এদের ছাড়া আরো দু’জনের বিরুদ্ধে মামলা করা হয়েছে। রোববার দুপুরে ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় নবীনগর সিনিয়র জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট নাজমুন নাহারের আদালতে মামলাটি দায়ের করেন নিহত শাহনুরের ভাই মেহেদী হাসান। বিজ্ঞ আদালত আগামী ৪ জুন মামলাটির অধিকতর শুনানি এবং আদেশের তারিখ ধার্য করেছেন।



মামলার অন্যা আসামি হলেন র‌্যাব-১৪ এর ভৈরব ক্যাম্পের সাব-ইন্সপেক্টর মোঃ এনামুল হক। এছাড়া নাম উল্লেখ না করে র্যাবের ৭ জন সদস্যকে আসামি করা হয়। র্যাবের ৯ জন ছাড়াও নবীনগর উপজেলার কৃষ্ণনগরের মৃত মন্তাজ মিয়ার ছেলে নজরুল ইসলাম (৫৮) ও নবীনগরের মৃত শরাফত আলীর ছেলে আবু তাহের মিয়াকে (৪৫) আসামি করা হয়।



উল্লেখ্য, নবীনগর উপজেলা সদরে চিরকুট পাঠিয়ে একাধিক বাড়িতে চাঁদা দাবি ও বিভিন্ন বাড়িতে আগুন দেয়ার সঙ্গে জড়িত থাকার অভিযোগে র‌্যাব-১৪ এর ভৈরব ক্যাম্পের একটি দল গত ২৯ এপ্রিল রাতে অভিযান চালিয়ে উপজেলার বগডহর গ্রামের মহিউদ্দিন ওরফে মদনকে (৪১) গ্রেফতার করে। পরে মদনের স্বীকারোক্তি অনুযায়ী এ ঘটনার সঙ্গে জড়িত থাকার অভিযোগে বগডহর গ্রামের রহিছ মেম্বারের ছেলে শাহীনুর আলমকে (৪৩) গ্রেফতার করে। পরদিন বুধবার দুপুরে তাদেরকে নবীনগর থানায় হস্তান্তর করা হয়। বৃহস্পতিবার নবীনগর থানার পুলিশ গ্রেফতারকৃতদের আদালতের মাধ্যমে জেল হাজতে পাঠায়। জেল হাজতে শাহীনূর আলম অসুস্থ হয়ে পড়লে তাকে গত ৪ মে ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলা সদর হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। সেখানে তার অবস্থার অবনতি হলে, ওইদিনই তাকে উন্নত চিকিত্সার জন্য কুমিল্লা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে প্রেরণ করা হয়। সেখানে চিকিত্সাধীন অবস্থায় শাহীনূর ৬ মে রাত ৮টার দিকে মারা যান।



এ ব্যাপারে ব্রাহ্মণবাড়িয়ার জেলা কারাগারের সুপার মো. গিয়াস উদ্দিন বলেন, শাহীনূরকে জেল হাজতে গ্রহণ করার সময় তার শরীরে বেশ ‘আউট ইনজুরি’ ছিল। একপর্যায়ে তার শারীরিক অবস্থার অবনতি হলে, তাকে ৪ মে ব্রাহ্মণবাড়িয়া সদর হাসপাতালে পাঠানো হয়। পরে সেখানে তার অবস্থার আরো খারাপ হলে, ওইদিনই কুমিল্লা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে তাকে প্রেরণ করা হয়। সেখানেই ৬ মে রাতে তিনি মারা যান।

মৃত্যুর পর থেকেই পরিবারের পক্ষ থেকে র্যাবের নির্যাতনে শাহনরের মৃত্যু হয়েছে বলে অভিযোগ করা হয়। রোববার এই অভিযোগে মামলা দায়ের করা হয়। এ ব্যাপারে র‌্যাব-১৪ এর ভৈরব ক্যাম্পের কমান্ডার সাকিব সিদ্দিকীর সঙ্গে কথা বলার জন্য তার মোবাইল ফোনে যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও সংযোগ পাওয়া যায়নি।




Disclaimer:

This post might be introduced by another website. If this replication violates copyright policy in any way without attribution of its original copyright owner, please make a complain immediately to this site admin through Contact.

আল কায়েদা যুক্তরাষ্ট্রেরই সৃষ্টি : হিলারি ক্লিনটন




‘আল কায়েদা’ যুক্তরাষ্ট্রেরই সৃষ্টি বলে জানালেন সাবেক মার্কিন পররাষ্ট্রমন্ত্রী হিলারি ক্লিনটন। সম্প্রতি ফক্স টেলিভিশনে দেয়া এক সাক্ষাত্কারে তিনি এই গোপন বার্তা ফাঁস করলেন। আফগানিস্তানে তত্কালীন সোভিয়েত বাহিনীকে পরাস্ত করতেই যুক্তরাষ্ট্র আল কায়েদা বাহিনী সৃষ্টি করেছে বলে হিলারি ক্লিনটনের করা এমন মন্তব্যের পর খোদ যুক্তরাষ্ট্রেই বিতর্কের ঝড় উঠেছে।

.

১৯৮০ থেকে ১৯৯৪—এই সময়ের মধ্যে আফগানিস্তানে একটি সশস্ত্র বাহিনী তৈরিতে যুক্তরাষ্ট্র প্রায় ৫৩ মিলিয়ন ডলার খরচ করেছিল। আর এই পুরো প্রকল্পটি নিয়ন্ত্রণ করা হতো পাকিস্তানভিত্তিক একটি শিক্ষা প্রতিষ্ঠান থেকে।



ওই প্রকল্পের আওতায় আফগানিস্তানের বাচ্চাদের পাঠ্যপুস্তকে সন্ত্রাস ও মারণাস্ত্র সম্পর্কিত অনেক প্রবন্ধ প্রকাশ করা হয়েছিল। শুধু তা-ই নয়, সোভিয়েত বাহিনীর বিরুদ্ধে লড়াই করার জন্য কোন কোন অস্ত্র ব্যবহার করলে ভালো হবে এমন তথ্যও অনায়াসে দেয়া হয়েছিল সে সময় পাঠ্যপুস্তকগুলোতে।



এছাড়া ইংরেজি বর্ণমালা পরিচয়ে বিভিন্ন উসকানিমূলক শব্দ ও বাক্য নিয়ম করে পড়ানো হতো। যেমন ইংরেজি ‘টি’তে ‘টুফাং (বন্দুক-জাবেদ বন্দুক হাতে মুজাহিদিনে যুক্ত হয়)’ এবং ‘জে’তে জিহাদ শেখানো হতো। এমনকি গণনা শেখানোর সময় ৫ বন্দুক + ৫ বন্দুক = ১০ বন্দুক শেখানো হতো।


Disclaimer:

This post might be introduced by another website. If this replication violates copyright policy in any way without attribution of its original copyright owner, please make a complain immediately to this site admin through Contact.

সাকিবের কলকাতা চ্যাম্পিয়ন




রোমাঞ্চকর ফাইনালে কিংস ইলেভেন পাঞ্জাবকে ৩ উইকেটে হারিয়ে আইপিএলের শিরোপা জিতেছে কলকাতা নাইট রাইডার্স।
২০০ রানের বড় লক্ষ্য তাড়া করতে নেমে প্রথম ওভারেই রবিন উথাপ্পার বিদায়ে শুরুটা ভালো হয়নি কলকাতার। আসরের সর্বোচ্চ রান সংগ্রাহককে ফিরিয়ে দেন মিচেল জনসন।
দ্বিতীয় উইকেটে অধিনায়ক গৌতম গম্ভীরের (২৩) সঙ্গে ৫৩ ও তৃতীয় উইকেটে ইউসুফ পাঠানের (৩৬) সঙ্গে ৭১ রানের দুটি জুটি উপহার দিয়ে দলকে ২ উইকেটে ১৩০ রানে পৌঁছে দিয়েছিলেন মনিশ পাণ্ডে।
রান আউট হওয়ার আগে সাকিব আল হাসান খেলেন ৭ বলে ১২ রানের আক্রমণাত্মক ইনিংস। এরপর রায়ান ডেন ডেসকাটে দ্রুত ফিরলেও দলকে এগিয়ে নিতে থাকেন মনিশ।
এক সময়ে ১৯ বলে মাত্র ২১ রানের প্রয়োজনীয়তার সামনে নিয়ে এসেছিলেন দলকে। কিন্তু অতিরিক্ত মারতে গিয়ে মনিশের বিদায়ে দলকে অস্বস্তিতে ফেলে দেয়।
৯৪ রানের বিস্ফোরক ইনিংস খেলা মনিশের ৫০ বলের ইনিংসে ছিল ৭টি চার ও ৬টি বিশাল ছক্কা।
এর আগে রোববার ব্যাঙ্গালোরের এম চিন্নাস্বামী স্টেডিয়ামে টস হেরে ব্যাট করতে নেমে ঋদ্ধিমান সাহার ৪ উইকেটে ১৯৯ রান করে পাঞ্জাব।
চতুর্থ ওভারেই বীরেন্দর শেবাগের বিদায়ে শুরুটা ভালো হয়নি পাঞ্জাবের। আগের ম্যাচে শতক করা শেবাগ (৭) পেসার উমেশ যাদবের বলে গৌতম গম্ভীরের ক্যাচে পরিণত হন।
তিন নম্বরে ব্যাট করতে নেমে অধিনায়ক জর্জ বেইলির (১) দ্রুত বিদায় দলের ওপর চাপ আরো বাড়ায়। সুনীল নারায়ণের বলে বোল্ড হয়ে যান তিনি।
ষষ্ঠ ওভারে ৩০ রানে দুই উইকেট হারানো পাঞ্জাবকে বড় সংগ্রহের দিকে নিয়ে যান ঋদ্ধিমান ও মানান ভোহরা। তৃতীয় উইকেটে ১২৯ রানের জুটি গড়েন দু’জন। ফিরতি ক্যাচ নিয়ে ভোহরাকে (৬৭) বিদায় করে ৭২ বল স্থায়ী জুটি ভাঙেন পীযূষ চাওলা।
এরপর প্রায় একাই খেলছেন ঋদ্ধিমান। শেষ পর্যন্ত ১১৫ রানে অপরাজিত থাকেন তিনি। আইপিএলের ফাইনালে প্রথম শতক হাঁকানো ঋদ্ধিমানের ৫৫ বলের ইনিংসে ছিল ১০টি চার ও ৮টি ছক্কা।
তার আক্রমণাত্মক ব্যাটিংয়ে শেষ ১০ ওভারে ১৪১ রান যোগ করে পাঞ্জাব।
কলকাতার পক্ষে চাওলা ২ উইকেট নেন ৪৪ রানে। টানা চার ওভার বল করা সাকিব কোনো উইকেট না পেলেও দেন মাত্র ২৬ রান।
২০১২ সালে প্রথমবার ফাইনালে উঠেই শিরোপা জিতেছিল কলকাতা। পাঞ্জাবের এটাই ছিল প্রথম ফাইনাল।
সংক্ষিপ্ত স্কোর :
কিংস ইলেভেন পাঞ্জাব: ২০ ওভারে ১৯৯/৪ (শেবাগ ৭, ভোহরা ৬৭, বেইলি ১, ঋদ্ধিমান ১১৫*, ম্যাক্সওয়েল ০, মিলার ১*; চাওলা ২/৪৪, যাদব ১/৩৯, নারায়ণ ১/৪৬)।


Disclaimer:

This post might be introduced by another website. If this replication violates copyright policy in any way without attribution of its original copyright owner, please make a complain immediately to this site admin through Contact.

অর্থ পাচার মামলায় পেলের ছেলে এদিনিয়োকে ৩৩ বছরের কারাদণ্ড




ব্রাজিলের জীবন্ত কিংবদন্তি ফুটবল খেলোয়াগ
পেলের ছেলে এদিনিয়োকে ৩৩ বছরের কারাদণ্ড দিয়েছে দেশটির একটি আদালত। মাদক
চোরাচালান থেকে অর্জিত অর্থ পাচারের দায়ে তাকে এ দণ্ড দেয়া হয়েছে।






ব্রাজিলের সাও পাওলো স্টেটের ঊপকূলীয় শহর
প্রাইয়া গ্রান্দের নিকটবর্তী এলাকার একটি আদালত তাকে এ দণ্ড দেয়। ব্রাজিলের
বিভিন্ন সংবাদ মাধ্যম বলেছে, আদালতের এ আদেশের বিরুদ্ধে আপিল করবেন তিনি।





৪৩ বছর বয়সী এদিনিয়োর প্রকৃত নাম এদসন
চোলবি দো নাসিমেন্তো। তিনি নিজেও একজন ফুটবলার। নব্বইয়ের দশকে বাবার পুরাতন
ক্লাব সান্তোসের গোলরক্ষক ছিলেন তিনি। বর্তমানে এই ক্লাবেরই গোলরক্ষকদের
কোচের দায়িত্বে রয়েছেন পেলের এই ছেলে।





এর আগে ২০০৫ সালে প্রথমবার গ্রেপ্তার হয়ে
কারাবরণ করেন এদিনিয়ো। মাদক চোরাচালান এবং সান্তোস শহরের একজন কুখ্যাত মাদক
পাচারকারীর সঙ্গে সংশ্লিষ্টতার দায়ে সে সময় তাকে কারাদণ্ড দেয়া হয়। পেলেও
তখন বলেছিলেন, “আমার ছেলের বিরুদ্ধে আনা অভিযোগের কোনো প্রমাণ নেই।" 




এবার মুদ্রাপাচারের দায়ে এদিনিয়োর সঙ্গে
অন্য চারজনও দণ্ডিত হয়েছেন। তাদের মধ্যে নালদিনয়ো নামের একজন ওই অঞ্চলে
মাদক চোরাচালান চক্রের হোতা বলে অভিযোগ রয়েছে।


Disclaimer:

This post might be introduced by another website. If this replication violates copyright policy in any way without attribution of its original copyright owner, please make a complain immediately to this site admin through Contact.

রুশ হেলিকপ্টার বিধ্বস্ত; আঞ্চলিক নেতাসহ নিহত ১৬




রাশিয়ার উত্তর-পূর্বাঞ্চলীয় একটি হ্রদে
হেলিকপ্টার বিধ্বস্ত হয়ে ১৬ জন নিহত হয়েছে বলে ধারণা হচ্ছে। এরমধ্যে পাঁচ
জনের মৃতদেহ উদ্ধার করা সম্ভব হয়েছে। দেশটির দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা
মন্ত্রণালয় আজ (রোববার) এ তথ্য জানিয়েছে।






রাশিয়ার মুরমানস্ক অঞ্চলের মুনোজিরো হ্রদে
গতকাল মি-এইট মডেলের একটি হেলিকপ্টার বিধ্বস্ত হয়। আরোহীদের দুই জনকে
জীবিত উদ্ধার করা হয়েছে। বাকীরা সবাই পানিতে ডুবে মারা গেছে বলে ধারণা করা
হচ্ছে। রাশিয়ার দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র তাতিয়ানা
যাকহারোভা বলেছেন, হেলিকপ্টারটি এখন পানির নিচে। ডুবুরিরা আরোহীদের
উদ্ধারের চেষ্টা করছেন। একজন রুশ কর্মকর্তা বলেছেন, মৃতদেহ উদ্ধার না হওয়া
পর্যন্ত আমরা ধরে নিচ্ছি তারা বেঁচে আছেন। এখনই তাদেরকে মৃত হিসেবে ঘোষণা
করা যাচ্ছে না। 





হেলিকপ্টারটির আরোহীদের মধ্যে মুরমানস্ক
অঞ্চলের ডেপুটি গভর্নর, একজন উপমন্ত্রী ও ফসফেট কোম্পানি ‘আপাতিত’র প্রধান
ছিলেন। তবে আঞ্চলিক প্রশাসন আরোহীদের নাম-পরিচয় জানাতে অস্বীকার করেছে।




উদ্ধার অভিযানে অন্তত একশ’ ব্যক্তি অংশ
নিচ্ছেন। যান্ত্রিক ত্রুটি অথবা খারাপ আবহাওয়ার কারণেই দুর্ঘটনা ঘটেছে বলে
ধারণা করা হচ্ছে। খারাপ আবহাওয়ার কারণে উদ্ধার অভিযান শুরু করতেও দেরি
হয়েছে বলে জানা গেছে।


(রেডিও তেহরান)


Disclaimer:

This post might be introduced by another website. If this replication violates copyright policy in any way without attribution of its original copyright owner, please make a complain immediately to this site admin through Contact.

ভারতে আদিবাসি কিশোরী ধর্ষিতা; জরিমানা ৩ হাড়ি দেশি মদ!




পশ্চিমবঙ্গের বীরভূম জেলায় আদিবাসী এক
স্কুলছাত্রীকে ধর্ষণের সঙ্গে জড়িতদের শাস্তি হিসেবে তিন হাড়ি দেশি মদ
জরিমানা করেছে স্থানীয় মোড়ল।  






স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, বৃহস্পতিবার
বিকেলে বীরভূমে মোহাম্মদ বাজারে ষষ্ঠ শ্রেণির এক স্কুলছাত্রীকে ধর্ষণ করে
তিন দুর্বৃত্ত। গতকাল দুপুর ১২টায় ওই ঘটনার বিচারের জন্য সালিশি সভা বসে।
শাস্তি হিসেবে ধর্ষকদের তিন হাড়ি দেশি মদ জরিমানা করে গ্রাম্য মোড়ল।
পাশাপাশি অভিযুক্তের সঙ্গে আপোষ করার নির্দেশ দেয়া হয় সালিশি সভায়।
 একইসঙ্গে ধর্ষিতার পরিবারকে  হুমকি দিয়ে বলা হয়,এ ঘটনা পুলিশকে জানালে
বাড়িতে আগুন লাগিয়ে দেয়া হবে।





মোড়লের হুমকি উপেক্ষা করে পুলিশের কাছে
অভিযোগ দায়ের করে মেয়েটির পরিবার। অভিযোগ দায়ের হওয়ার পরই পুলিশ ওই
গ্রামের মোড়লসহ তিন ধর্ষককের গ্রেফতার করে।  




এর আগে চলতি বছরের জানুয়ারি মাসে বীরভূমের
লাভপুরে এক মুসলিম তরুণের সঙ্গে প্রেমের শাস্তি হিসেবে এক আদিবাসি তরুণীকে
ধর্ষণ করার নির্দেশ দেয় পঞ্চায়েতের মোড়ল। পরে তরুণীকে বাড়ি থেকে তুলে
মোড়লসহ ১৩ জন ধর্ষণ করে বাড়ির সামনে ফেলে রেখে যায়। এ নিয়ে সারা দেশে
ব্যাপক সমালোচনার ঝড় ওঠে। ভারতের সুপ্রিম কোর্টও চাঞ্চল্যকর এ ঘটনা নিয়ে
উদ্বেগ প্রকাশ করে স্বতঃপ্রণোদিত হয়ে পশ্চিমবঙ্গ সরকারকে নোটিশ দেয়।

১ জুন (রেডিও তেহরান)


Disclaimer:

This post might be introduced by another website. If this replication violates copyright policy in any way without attribution of its original copyright owner, please make a complain immediately to this site admin through Contact.

পাবনায় সন্ত্রাসীদের ব্রাশ ফায়ারে নিহত ৪




পাবনার পুষ্পপাড়ায় অজ্ঞাত সন্ত্রাসীদের
গুলিতে আহত আওয়ামী লীগ কর্মী ও চরমপন্থীদলের সদস্য রফিকুল ইসলাম (৩০) মারা
গেছেন। এ নিয়ে নিহতের সংখ্যা দাঁড়ালো ৪ জনে।  






শনিবার রাত পৌনে ৯টার দিকে পুষ্পপাড়া
বাজারে ২০/২৫ জন অজ্ঞাত দুর্বৃত্ত অতর্কিতভাবে একটি দোকান লক্ষ্য করে ব্রাশ
ফায়ার করে। এতে ঘটনাস্থলেই আওয়ামী লীগ কর্মী হিসেবে পরিচিত সুলতান, ফজলু
এবং সালাম নিহত হয়। অন্যদিকে রফিকুল ও মামুন গুলিবিদ্ধ হয়ে আহত হন। পরে
আহতদের পাবনা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। তবে রফিকুলের অবস্থার
অবনতি হওয়ায় তাকে ঢাকায় নেয়ার পথে রোববার ভোরে তিনি মারা যান।



পাবনা সদর উপজেলা আওয়ামী লীগের
সাংগঠনিক সম্পাদক শেখ রাসেল আলী মাসুদ দাবি করেন, নিহতরা আওয়ামী লীগের
স্থানীয় নেতা-কর্মী ছিলেন। তবে আতাইকুলা ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সাধারণ
সম্পাদক আতিয়ার রহমান বলেন, তারা আওয়ামী লীগের কেউ নয়। এলাকায় নাম ভাঙিয়ে
বিভিন্ন অপকর্ম করে বেড়াত।





পাবনার অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (বিশেষ শাখা)
এস এম মোস্তাইন হোসেন সন্ত্রাসীদের হামলায় তিনজনের মৃত্যুর খবর নিশ্চিত
করে জানান, তিনজনই চরমপন্থী সংগঠন ‘বাহিনী’র সদস্য ছিল বলে পুলিশ
প্রাথমিকভাবে নিশ্চিত হয়েছে।





নিহতদের বিরুদ্ধে ওই এলাকায় খুন, ধর্ষণ ও চাঁদাবাজিসহ ব্যাপক সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ডের অভিযোগ রয়েছে।


এ দিকে, সকাল থেকে এলাকাবাসী এই
হত্যাকাণ্ডের প্রতিবাদে ও জড়িতদের গ্রেফতারের দাবিতে পাবনা-ঢাকা মহাসড়কের
পুষ্পপাড়া এলাকায় সড়ক অবরোধ করে রেখেছে এবং দফায় দফায় বিক্ষোভ করছে।

যে কোন অপ্রীতিকর পরিস্থিতি এড়াতে ওই এলাকায় অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে।


Disclaimer:

This post might be introduced by another website. If this replication violates copyright policy in any way without attribution of its original copyright owner, please make a complain immediately to this site admin through Contact.

ব্রাজিলের ডিফেন্স বিশ্বসেরা






এবারের বিশ্বকাপে ব্রাজিলই ফেবারিট। জিতলেই যষ্ঠবার। এ হবে তাদের জন্য বিরাট অর্জন। কোচ সোলারি নিজেও তার দল নিয়ে অনেক আশাবাদী। বিশ্বের তাবৎ বড় বড় বিশেষজ্ঞ এক বাক্যে বলেছেন, ব্রাজিলই এবার বিশ্বকাপ তাদের ঘরেই রেখে দেবে। এর পেছনে যুক্তির কোনো শেষ নেই। এবার মুখ তুলেছেন কার্লোস আলবার্তো পেরেইরা। ব্রাজিলের টেকনিক্যাল ডাইরেক্টর ৭১ বছরের পেরেইরা মনে করেন, সেলেকাওদের ডিফেন্স হচ্ছে শক্তিশালী। তারা এই সৌন্দর্যমণ্ডিত ব্যাক লাইনকে সামনে রেখেই চলতি গ্রীষ্মে বিশ্বকাপ জয় করবে। এবং তারা ফেবারিট হিসেবে প্রমাণ করবে, বিশ্বকাপের জন্যই তাদের জন্ম। তিনি আরো যোগ করেন, থিয়েগো সিলভা ও ডেভিড লুইসের মূল্যমান ধরা হলে বলা যেতে পারে, ব্রাজিল ডিফেন্স সবচেয়ে দামি। এমনকি চ্যাম্পিয়ন লিগের ফাইনালে গোল করা মার্সেলো নিজের জায়গা করে নিয়েছেন। এই কারণে সোলারি তার দলের রক্ষণভাগের শক্তি নিয়ে সন্তুষ্ট এবং যা বিশ্বকাপে আলো ছড়াবে।



সাংবাদিকদের সাথে কথা বলতে গিয়ে পেরেইরা বলেন, মার্সেলো তো শেষ মুহূর্তে যোগ দিয়েছেন। এর ফলে বোঝা যায় তিনি কোন মাপের ফুটবলার। আমরা তাদের ওপর বিশ্বাস রেখেছি। ব্রাজিল দলের দিকে তাকালে দেখা যাবে কেমন চমৎকার একটি দল সেলেকাওরা। আমাদের রয়েছে সবচেয়ে দামি ও সেরা সেন্ট্রাল ডিফেন্ডার। ম্যাকসওয়েলও আছেন। দলের সবাই নামীদামি ও মহান ফুটবলার। দলে আছে মহান স্ট্রাইকার। ফলে সাফল্য পাওয়ার জন্য দলটি মুখিয়ে আছে।



১৯৯৪  বিশ্বকাপে জয়ী কোচ পেরেইরা আরো বলেন, ব্রাজিল এবারের বিশ্বকাপে অবশ্যই ফেবারিট। তবে তা অর্জন করে নিতে হবে। আমরা বলি না যে, আমরাই জিতব। তবে এটা তো ঠিক যে আমরা ফেবারিট। ২০০১ বিশ্বকাপে শতকরা নব্বই ভাগ লোক বলেছিল যে, আর্জেন্টিনা অথবা ফ্রান্স বিশ্বকাপ জয় করবে। কিন্তু এ দু’টি দল গ্রুপ পর্ব পেরুতে পারেনি। ফেবারিটের তকমা আঁটা দলগুলো ম্যাচ বদলে দিতে পারে না। কারণ ফেবারিটকে মাঠে খেলতে হবে। এবং নিজেদের শক্তির স্ফূরণ ঘটিয়ে একের পর এক ম্যাচ জিততে হবে।



তিনি আরো বলেন, আমরা কোনো কিছুতেই অবাক হবো না। কারণ আমাদের জনগণ আমাদের সাহায্য করবে। কারণ ব্রাজিল কেমন দল তা নিয়ে তারা আলোচনা করে। এমনকি অন্য দলগুলোর ব্যাপারেও তারা খবর রাখে। প্রতিটি দলই প্রতিপক্ষের শক্তি সম্পর্কে অবহিত। আমরাও আমাদের গ্রুপ পর্বের দলগুলো নিয়ে কাজ করেছি। তবে এর বাইরে ১৬ দলের শক্তি সম্পর্কে আমরা ভালোই জানি। ফলে ভীত হওয়ার মতো কিছু নেই। এই অর্থে আমরাও অবাক নই। ১৯৫০ সালের বিশ্বকাপে ফইনালে উরুগুয়ের কাছে ব্রাজিল পরাজিত হয়েছিল। সেই বেদনাদায়ক অধ্যায়ের পর আবার ব্রাজিল বিশ্বকাপের স্বাগতিক হয়েছে। এই ব্যাপারে পেরেইরা বলেন, বর্তমান দলের সবাই সেই দুঃখজনক অতীতকে পেছনে ফেলে মারাকানা স্টেডিয়ামে নতুন ইতিহাস নির্মাণের জন্য বদ্ধপরিকর। অতীত ও বর্তমান প্রেক্ষপট ভিন্ন। আমরা এর আগে পরাজিত হয়েছি। এবং আবার পরাজিত হতে চাই না। ব্রাজিলের ফুটবলারেরা তাদের ফ্যানদের কাছ থেকে এত ভালোবাসা পায়, যা অতুলনীয়। ২০১৩ কনফেডারেশন কাপে ব্রাজিল দল তার সমর্থকদের কাছ থেকে যে ভালোবাসা পেয়েছিল বিশ্বকাপেও তা পাবে।


Disclaimer:

This post might be introduced by another website. If this replication violates copyright policy in any way without attribution of its original copyright owner, please make a complain immediately to this site admin through Contact.

জ্বালানি ছাড়াই জ্বলবে বাল্ব চলবে অটোগাড়ি




বিদ্যুৎ ও জৈব জ্বালানি ছাড়াই ব্যাটারির সাহায্যে ভূগর্ভ থেকে সেচ কিংবা গৃহস্থালির কাজে পানি উত্তোলন, বৈদ্যুতিক ফ্যান চালানো, বাল্ব জ্বালানো ও অটোগাড়ি চালানো যাবে। এমনই এক প্রযুক্তি উদ্ভাবন করেছেন নজরুল ইসলাম নামে এক ব্যক্তি। তার বাড়ি রাজশাহীর বাঘা উপজেলার আহম্মদপুর গ্রামে। তিনি দশম শ্রেণী পর্যন্ত পড়ালেখা করেছেন। 






নজরুল ইসলাম তার নতুন উদ্ভাবিত যন্ত্রের নাম দিয়েছেন ‘পাওয়ার বক্স’। এতে কোনো বিদ্যুৎ কিংবা জ্বালানির প্রয়োজন নেই। পাওয়ার বক্স চললেই নিজে থেকেই ব্যাটারি চার্জ হবে। তিনি নিজ বাড়িতে তার উদ্ভাবিত যন্ত্র দ্বারা বাড়ির বৈদ্যুতিক ফ্যান, বাল্ব, রঙিন টিভি এবং পানি উত্তোলন করে দেখিয়েছেন। এতে কোনো বিদ্যুৎ, ডিজেল ও পেট্রলের প্রয়োজন নেই। পাওয়ার বক্স চললেই ব্যাটারি চার্জ হবে।





নজরুল ইসলাম  বলেন, ‘আমি আজ থেকে ১০ বছর আগে চিন্তা করেছি এ ধরনের পাওয়ার বক্স উদ্ভাবন করব। কিন্তু আর্থিক সঙ্কট ও নানা সীমাবদ্ধতার কারণে এ প্রযুক্তি উদ্ভাবনে বিলম্ব হয়েছে। অবশেষে গত দুই বছরের চেষ্টার ফলে আমার স্বপ্নের এই পাওয়ার বক্স উদ্ভাবন করতে সম হয়েছি। আর গত ২৪ মে উপজেলা সদরের শাহদৌলা ডিগ্রি কলেজ সংলগ্ন এলাকায় আনুষ্ঠানিকভাবে পাওয়ার বক্স যন্ত্রের সফল পরীা করে দেখিয়েছি।’ 





তিনি আরো জানান, এই পাওয়ার বক্সের মাধ্যমে ভূগর্ভ থেকে পানি উত্তোলন, ব্যাটারি চার্জ, ফ্যান চালানো, বাল্ব জ্বালানো, রঙিন টিভি ও ফ্রিজ চালানোসহ ৮-১০ বিঘা জমিতে সেচের মাধ্যমে আবাদ করা যাবে। এ ছাড়া অটোগাড়ি চলবে এবং ব্যাটারিতে বৈদ্যুতিক চার্জ লাগবে না। ব্যাটারি ওই পাওয়ার বক্সের মাধ্যমেই অটো চার্জ হবে এবং অন্য গাড়ির ব্যাটারিও চার্জ করা যাবে। ব্যাটারি দীর্ঘ মেয়াদে চলবে ও এতে বাড়তি কোনো খরচ হবে না।





তিনি আরো জানান, এ প্রযুক্তির সঠিক ব্যবহার কাজকে সহজ সাশ্রয়ী এবং লাভজনক করে তুলবে। এই প্রযুক্তিটি অটোগাড়ি চালকেরা যথাযথভাবে ব্যবহার করে লাভবান হওয়ার পাশাপাশি সেচসমস্যা সমাধানেও ভূমিকা রাখবে। তিনি দেশের স্বার্থে সহজ এই প্রযুক্তিটি কৃষক ও অটোগাড়ি চালকদের মধ্যে দ্রুত ছড়িয়ে দেয়ার পরামর্শ দেন। সরকারি ও বেসরকারি সহযোগিতা পেলে এই প্রযুক্তির প্রচার ও প্রসারসহ নতুন প্রযুক্তি উদ্ভাবনে কার্যকর ভূমিকা রাখতে পারবেন মনে করেন তিনি। 





নজরুল ইসলাম বলেন, জ্বালানি সাশ্রয়ী এ প্রযুক্তিতে চারটি বিভিন্ন ভোল্টের ব্যাটারি, একটি করে ডিসি মোটর, হাইস্পিড জেনারেটর, বেল্ট, পুলি, শ্যাফ্ট এবং প্রয়োজন মতো বৈদ্যুতিক কেবল ব্যবহার করা হয়েছে। এতে সাকুল্যে এতে খরচ হয়েছে ৪০ হাজার টাকা। মাঝে এক ঘণ্টা করে বিরতি দিয়ে দিনে ২০ ঘণ্টা চালানো যাবে এ প্রযুক্তি। গবেষণার মাধ্যমে একে আরো সাশ্রয়ী ও টেকসই করা সম্ভব। তখন দাম আরো কম হবে।




Disclaimer:

This post might be introduced by another website. If this replication violates copyright policy in any way without attribution of its original copyright owner, please make a complain immediately to this site admin through Contact.


ঋণের ভারে সোজা হতে পারছে না পুঁজিবাজার




ঋণের ভারে জর্জরিত পুঁজিবাজার। শত চেষ্টা করেও সোজা হয়ে দাঁড়াতে পারছে না। গতি ফিরে আসছে না বাজারগুলোতে। মাঝে মধ্যে সাময়িক গতি এলেও তা টেকসই হচ্ছে না। ফলে বিনিয়োগকারীরা যে যার অবস্থান থেকে লোকসান কাটিয়ে ওঠার চেষ্টা করলেও তাতে কোনো ফল হচ্ছে না। বাজারে সক্ষমতা ধরে রাখা ুদ্র একটি অংশ সাময়িক এ ভালো অবস্থার সুযোগ নিতে পারলেও বেশির ভাগের লোকসানের পাল্লা দিন দিন ভারী হচ্ছে। অনেক ক্ষেত্রে পুনর্বিনিয়োগ করে দর সমন্বয় করেও কাজ হচ্ছে না। বিনিয়োগকারীদের একটি বড় অংশ ঋণের জালে আটকে পড়ার কারণেই এমনটি ঘটছে বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা।



পুঁজিবাজার বিপর্যয়ের পর ব্যাপক দরপতনের কারণে বাজারে ঋণ প্রদানকারী প্রতিষ্ঠানগুলো ভয়াবহ ঋণের জালে আটকা পড়ে যায়। ঋণগ্রহীতা কয়েক লাখ গ্রাহক শিকার হয় এই পরিস্থিতির। টানা দরপতনের ফলে তারা এ সময় নিজেদের পুঁজি হারানোর পাশাপাশি সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠানগুলোর কাছে এখনো ঋণের জালে আটকে আছেন। একইভাবে প্রতিষ্ঠানগুলো গ্রাহকদের ঋণ প্রদান করতে গিয়ে নিজ নিজ মূল প্রতিষ্ঠানের পাশাপাশি কোনো কোনো ক্ষেত্রে অন্যান্য প্রতিষ্ঠানের কাছেও দায়বদ্ধ হয়ে রয়েছে। আর ঋণের এ চক্রে খাবি খাচ্ছে গোটা পুঁজিবাজার। এক হিসেবে জানা যায় বিপর্যয়ের পর পুঁজিবাজারের সাথে সংশ্লিষ্ট বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানের প্রায় ১৫ হাজার কোটি টাকা মার্জিন লোনে আটকে রয়েছে। ঋণপ্রদানকারী বিভিন্ন মার্চেন্ট ব্যাংক ও ব্রোকার হাউজের এ ঋণ লক্ষাধিক বিনিয়োগকারীর কাছে যার অধিকাংশ গ্রাহক হিসেবেই এখন নিষ্ক্রিয়। এ হিসেবে গ্রাহকদের পুঁজিতো নেই তার ওপর প্রতিষ্ঠানগুলোর কাছে বড় অঙ্কের ঋণ গুনতে হচ্ছে যা সুদের আকারে দিন দিন আরো বাড়ছে। কোনো কোনো ক্ষেত্রে গ্রাহকদের ধারণকৃত শেয়ার বিক্রি করার পরও সমন্বয় করা সম্ভব হচ্ছে না। এ অবস্থায় হিসাবধারী গ্রাহকরা না পারছেন এ ঋণ শোধ করতে না পারছেন পুনর্বিনিয়োগের মাধ্যমে এসব হিসাব সক্রিয় করতে।



বিনিয়োগকারীদের একটি বড় অংশ এভাবেই এখন বাজারের বাইরে। সংশ্লিষ্টদের মতে, কোনোভাবে ঋণ গ্রহণকারী এসব গ্রাহকের হিসাব সক্রিয় করা গেলে বাজার কিছুটা হলেও গতি ফিরে পেত। এ ধারণা থেকেই গত তিন বছরেরও বেশি সময় সরকার ও বাজার নিয়ন্ত্রক সংস্থা অনেক উদ্যোগ নিয়েছে। কিন্তু বাজারের মূল সমস্যা মার্জিন ঋণের বিষয়টি নিয়ে সংশ্লিষ্ট দায়িত্বশীল প্রতিষ্ঠানগুলোর প থেকে কার্যকর কোনো পদপে নেয়নি। সর্বশেষ বাংলাদেশ ব্যাংক গত বছরের শেষ দিকে বিনিয়োগকারীদের সুদ মওকুফে ৯০০ কোটি টাকার তহবিল যোগান দিলেও ঋণের আকারের তুলনায় তা খুবই নগণ্য বলে খুব একটা কার্যকর ফল পায়নি। এ ছাড়া এ তহবিল ঠিক কিভাবে ব্যবহার করা হচ্ছে তা নিয়েও রয়েছে যথেষ্ট ধোঁয়াশা। তাই বারবার সময় বৃদ্ধি করার পরও এ ঋণ গ্রহণে বিনিয়োগকারীদের যথাযথ সাড়া পাচ্ছে না প্রতিষ্ঠানগুলো।



অন্য দিকে পুঁজিবাজারে ব্যাংক ও আর্থিক প্রতিষ্ঠানের বিনিয়োগসীমা নিয়ে সৃষ্ট জটিলতার আবর্তে ঘুরপাক খাচ্ছে পুঁজিবাজার। শুরুতে মোট দায়ের ১০ শতাংশ বিনিয়োগ সুবিধা থাকলেও এখন তা কমিয়ে মোট মূলধনের ২৫ শতাংশ নির্ধারণ করে দেয় কেন্দ্রীয় ব্যাংক। কিন্তু ২০১০ সালের পুঁজিবাজার বিপর্যয়ের আগে অতিরিক্ত মুনাফার লোভে বেশির ভাগ প্রতিষ্ঠানই এ সীমা মানেনি। কোনো কোনো প্রতিষ্ঠান মোট দায়ের ২৫ শতাংশের ওপর পুঁজিবাজারে বিনিয়োগ করে বসে। পরবর্তীতে বাংলাদেশ ব্যাংক লাগাম টেনে ধরলে তার নেতিবাচক প্রভাব পড়ে বাজারে। সেখানেই শুরু পুঁজিবাজার বিপর্যয়ের। আর এর জের চলছে গত তিন বছরের ও বেশি সময়। এখনো কালেভদ্রে বাজারগুলো সাময়িক মূল্য বৃদ্ধির ধারায় ফিরলে ঋণ সমন্বয়ের অংশ হিসেবে প্রতিষ্ঠানগুলোর বিক্রয়চাপের শিকার হচ্ছে পুঁজিবাজার। আর এর ফল ভোগ করছে বাজারের সাধারণ বিনিয়োগকারীরা। তারা না পারছেন বাজারে টিকে থাকতে না পারছেন ব্যাপক লোকসান ঘাড়ে নিয়ে বাজার ছাড়তে। এ অবস্থা থেকেই ক্রমান্বয়ে আস্থাহীনতা বাড়ছে পুঁজিবাজারে।



পুঁজিবাজার সংশ্লিষ্টরা মনে করেন, শুধু সুদ মওকুফ বা এ ধরনের ছোটখাটো কোনো উদ্যোগ শেয়ারবাজারের এ সমস্যা নিরসন সম্ভব নয়। বড় ধরনের তারল্য প্রবাহ ঘটাতে না পারলে বাজারগুলো স্বাভাবিক গতি পাবে না। তারা মনে করেন, কমপক্ষে পাঁচ হাজার কোটি টাকার একটি থোক বরাদ্দ নিয়ে সংশ্লিষ্ট সব মহলের সাথে বসে একটি কার্যকর কর্মপরিকল্পনা গ্রহণ করতে হবে যাতে সরকারও একটি নির্দিষ্ট সময়ে এ টাকা ফেরত পায় আবার তা পুঁজিবাজারে রক্তপ্রবাহের কাজও করে। বাংলাদেশ ব্যাংককেও এ প্রক্রিয়ার সঙ্গে যুক্ত করতে হবে যাতে তারা এমন কোনো পদক্ষেপ না নেয় যা প্রকারান্তরে পুঁজিবাজারের স্বার্থের বিপক্ষে যায়। আবার তহবিলেরও সুষ্ঠু ব্যবহার নিশ্চিত করা সম্ভব হয়। তাদের মতে, যেকোনো প্রক্রিয়ায় মার্চেন্ট ব্যাংক ও ব্রোকার হাউজগুলোর বিনিয়োগ হিসাব আবার সক্রিয় করার ব্যবস্থা নিতে হবে। কারণ সক্ষম বিনিয়োগকারীদের একটি বড় অংশই এসব প্রতিষ্ঠানের গ্রাহক। তাদের একবার সচল করা গেলে বাজার তার সুফল পাবে।




Disclaimer:

This post might be introduced by another website. If this replication violates copyright policy in any way without attribution of its original copyright owner, please make a complain immediately to this site admin through Contact.


মিয়ানমারের রণসজ্জা,সীমান্তে গোলাগুলি : আতঙ্কে এলাকাবাসী




বান্দরবানের নাইক্ষ্যংছড়ির দোছড়ি সীমান্তে বিজিবি ও মিয়ানমারের সীমান্ত রক্ষী বাহিনীর মধ্যে গতকাল আবারো প্রচণ্ড গুলিবিনিময় হয়েছে। দেড় ঘণ্টারও বেশি সময় ধরে চলা এই গুলিবিনিময়ে মিয়ানমারের সীমান্ত রক্ষী বাহিনীর বর্ডার গার্ড পুলিশের (বিজিপি) সদস্যরা ভারী অস্ত্র ব্যবহার করেছে। গত বুধবার মিয়ানমারের সীমান্ত রক্ষী বাহিনী বর্ডার গার্ড পুলিশ (বিজিপি) সদস্যদের গুলিতে নিহত হন বিজিবির নায়েক সুবেদার মিজানুর রহমান। গতকাল তার লাশ ফেরত দেয়ার কথা থাকলেও তা না দিয়ে উল্টো গুলি বর্ষণ করে বিজিপি। বর্তমানে মিয়ানমার তার সীমান্তে ব্যাপক সৈন্য সমাবেশ ঘটিয়ে রণপ্রস্তুতি নিচ্ছে বলে নির্ভরযোগ্য সূত্রে জানা গেছে। মংডু শহরের বলিবাজার, ফকিরাবাজার, ওয়ালিদং, তুমব্রু ও ঢেঁকিবুনিয়া সীমান্ত এলাকার ১ নম্বর ও ২ নম্বর সেক্টরে মিয়ানমার অতিরিক্ত সৈন্য সমাবেশ ঘটিয়েছে। সীমান্তের জিরো পয়েন্ট এলাকায় অঘোষিত কারফিউ চলছে। এ পরিস্থিতিতে উখিয়া-নাইক্ষ্যংছড়ি সীমান্ত এলাকায় বসবাসকারী লোকজনের মধ্যে বিরাজ করছে উদ্বেগ-উৎকণ্ঠা। ফলে উভয় দেশের সীমান্ত এলাকা জনশূন্য হয়ে পড়েছে। আতঙ্কে পাইনছড়ি এলাকার আশপাশের পাড়াগুলোর লোকজন নিরাপদ জায়গায় আশ্রয় নিয়েছেন।



বেলা ৩টা ২০ মিনিটের সময় পাইনছড়ি সীমান্তের ৫২ নম্বর পিলারের কাছে বিজিবির একটি টহল দল আগের দিন বিজিপির অতর্কিত গুলিবর্ষণের পর থেকে নিখোঁজ নায়েক সুবেদার মিজানুর রহমানের লাশ নিতে গেলে বিজিপি সদস্যরা অতর্কিত গুলিবর্ষণ করে। বিজিবিও আত্মরক্ষার্থে পাল্টাগুলি চালায়। বিকেল ৫টা পর্যন্ত চলে গুলিবিনিময়। তবে এ ঘটনায় কোনো হতাহতের খবর পাওয়া যায়নি। বিজিপির আবারো গুলিবর্ষণের পর পাইনছড়ি সীমান্তে বিজিবির শক্তি বৃদ্ধি করা হয়েছে। নাইক্ষ্যংছড়ি সীমান্তজুড়ে নিরাপত্তা জোরদার করা হয়েছে। নাইক্ষ্যংছড়ির ইউএনও আবু সাফায়েত মো: সহিদুর রহমান সীমান্তে গুলি বিনিময়ের কথা স্বীকার করে বলেছেন, পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণ করা হচ্ছে।



বিজিবি ও দোছড়ির স্থানীয় সূত্র জানায়, বিজিবির নিখোঁজ নায়েক সুবেদারের লাশ নেয়া জন্য বিজিবির ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা গতকাল বেলা ৩টানাগাদ সীমান্তের ৫০ নম্বর পিলার এলাকায় সাদাপতাকা নিয়ে অবস্থান নেন। পরে ৫২ নম্বর পিলারের স্থানে বিজিপির পক্ষ থেকে লাশ হস্তান্তর করা হবে জানালে বিজিবির একটি দল সেখানে যাওয়ার পথে মিয়ানমারের বিজিপি সদস্যরা অতর্কিত গুলিবর্ষণ শুরু করে। বিজিবির একটি সূত্র জানায়, মিয়ানমারের সীমান্ত রক্ষী বাহিনী ভারী অস্ত্রে সজ্জিত হয়ে হামলা চালায়। হামলায় ৮৫ ও ৬০ মি: মি: অস্ত্রসহ ভারী মেশিনগান ব্যবহার করা হয়। হামলার সময় ওই এলাকায় বিজিবির চট্টগ্রামের রিজিয়ন কমান্ডার ব্রিগেডিয়ার জেনারেল সৈয়দ আহম্মদ আলী, কক্সবাজারের সেক্টর কমান্ডার কর্নেল ফরিদ হাসানসহ বিজিবির ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা অবস্থান করছিলেন। নিখোঁজ নায়েক সুবেদার মিজানের লাশ নেয়ার জন্য নাইক্ষ্যংছড়ি থেকে একটি কফিনও সীমান্তে নেয়া হয়। কিন্তু মিয়ানমার লাশ ফেরত না দিয়ে অতর্কিত গুলিবর্ষণ করে। দোছড়ির ইউপি চেয়ারম্যান রশিদ আহম্মদ জানান, পাইনছড়ি সীমান্তে গুলিবিনিময়ের পর আতঙ্কে ওই এলাকার আশপাশের পাড়ার লোকজন পালিয়ে গেছে। কক্সবাজার বিজিবির সেক্টরের এক ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা গুলিবিনিময়ের কথা স্বীকার করে জানিয়েছেন, মিয়ানমারের সীমান্ত রক্ষীবাহিনীর আচরণে পরিস্থিতি ক্রমশ খারাপের দিকে যাচ্ছে। বান্দরবানের পুলিশ সুপার দেবদাশ ভট্টাচার্য জানিয়েছেন, বিজিবির পক্ষ থেকে তাদের বলা হয়েছে, মঙ্গলবার গুলিবর্ষণের ঘটনায় নিখোঁজ নায়েক সুবেদার মিজানুর রহমান গুলিবিদ্ধ হয়ে মারা গেছেন। তাকে সীমান্তের ওপারে নিয়ে যাওয়া হয়েছে। গতকাল দুপুরে তার লাশ ফেরত দেয়ার কথা ছিল। এ সময় মিয়ানমারের পক্ষ থেকে প্রথম গুলিবর্ষণ করা হয়।



বিজিবি ও স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, সদ্য স্থাপিত পাইনছড়ি বিওপি ক্যাম্প থেকে গত বুধবার একদল বিজিবি সদস্য নিয়মিত টহলের উদ্দেশ্যে বের হয়ে দোছড়ি ও তেছড়ি খালের সংযোগস্থলে পৌঁছলে সকাল সাড়ে ৯টার দিকে মিয়ানমার সীমান্ত থেকে বিজিপি তাদের লক্ষ্য করে ব্যাপক গুলিবর্ষণ শুরু করে। এ সময় বিজিবি সদস্য ছোটাছুটি করে পালিয়ে গেলেও দায়িত্বরত নায়েক সুবেদার মিজানুর রহমান গুলিবিদ্ধ হয়ে ঘটনাস্থলে মারা যান। পরে বিজিপি জাতিসঙ্ঘ কনভেনশন অমান্য করে বাংলাদেশ সীমান্তের জিরো পয়েন্ট এলাকায় অনুপ্রবেশ করে অস্ত্র ও গোলাবারুদসহ তার লাশ নিয়ে যায়।



উল্লেখ্য, ১৯৯১ সালের শেষের দিকে মিয়ানমার সীমান্তরক্ষী তৎকালীন নাসাকা বাহিনী অতর্কিতভাবে ঘুমধুমের রেজু ফাত্রাঝিরি বিজিবি ক্যাম্পে হামলা চালিয়ে এক বিজিবি সদস্যকে হত্যা করে অস্ত্র ও গোলাবারুদ লুট করে নিয়ে যায়। এ ঘটনাকে পুঁজি করে মিয়ানমার থেকে প্রায় আড়াই লক্ষাধিক রোহিঙ্গা বাংলাদেশে অনুপ্রবেশের ঘটনা ঘটে। ধারণা করা হচ্ছে, রোহিঙ্গাদের আবারো বাংলাদেশে ঠেলে দেয়ার জন্য পরিকল্পিতভাবে মিয়ানমারের বিজিপি সদস্যরা সীমান্তে অস্থিতিশীল পরিবেশ সৃষ্টির লক্ষ্যে বারবার গুলিবর্ষণ করছে।



গতকাল শুক্রবার সকালে সীমান্ত এলাকা ঘুরে বিজিবি ও স্থানীয় গ্রামবাসীর সাথে কথা বলে জানা যায়, সম্প্রতি নাইক্ষ্যংছড়ি সীমান্তের বাইশপারি ৪১ নম্বর সীমান্ত পিলার এলাকায় মিয়ানমার বর্ডার গার্ড পুলিশের গুলিবর্ষণের ঘটনায় স্থানীয় জনমনে আতঙ্ক বিরাজ করছে। ঘুমধুম বিজিবির সুবেদার সাহাব উদ্দিন জানান, সীমান্তে উদ্ভূত পরিস্থিতি নিয়ে লোকজন আতঙ্কগ্রস্ত হয়ে পড়েছে। যে কারণে সীমান্তের উভয় পাড় মানবশূন্য হয়ে পড়েছে। রেজু আমতলী ক্যাম্পের সুবেদার মো: সোহরাব হোসেন জানান, বিজিপির গুলিবর্ষণের পর থেকে সীমান্ত এলাকার পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রাখতে বিজিবি সতর্ক অবস্থায় রয়েছে। নাইক্ষ্যংছড়ি থানার অফিসার ইনচার্জ রফিকুল ইসলাম জানান, গতকাল শুক্রবার পতাকা বৈঠকের মাধ্যমে নিহত বিজিবির নায়েক সুবেদার মিজানুর রহমানের লাশ ফেরত দেয়ার কথা থাকলেও বিকেল পর্যন্ত ফেরত দেয়নি।



কক্সবাজার ১৭ বিজিবির অধিনায়ক লে. কর্নেল খন্দকার সাইফুল আলম বলেন, বুধবার পাইনছড়ি সীমান্ত এলাকায় গুলিবর্ষণের ঘটনার পর থেকে আমার নিয়ন্ত্রণাধীন ১৮ থেকে ৪০ নম্বর সীমান্ত পিলার পর্যন্ত সীমান্তের পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রাখতে অতিরিক্ত বিজিবি সদস্য মোতায়েন করা হয়েছে এবং তাদেরকে যেকোনো পরিস্থিতি মোকাবেলা করার জন্য সতর্ক থাকতে বলা হয়েছে। তিনি আরো জানান, মিয়ানমার আগে থেকে সীমান্তে অতিরিক্ত সৈন্য সমাবেশ ঘটিয়েছে। সীমান্তের পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণ সম্পর্কিত দুই দেশের মধ্যে সেক্টর কমান্ডার পর্যায়ে একটি বৈঠক আগামী ৩ জুন মিয়ানমারের রাখাইন রাজ্যের মংডুতে অনুষ্ঠিত হওয়ার কথা রয়েছে।



নাইক্ষ্যংছড়ি উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা বলেন, শুক্রবারও পাইনছড়ি সীমান্ত এলাকায় মিয়ানমার বিজিপি সদস্যরা আবারো দফায় দফায় গুলিবর্ষণ অব্যাহত রেখেছে। যে কারণে বিজিবির ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা ঘটনাস্থলের কাছাকাছি থাকায় যোগাযোগ করতে না পারায় বিস্তারিত জানানো সম্ভব হচ্ছে না। দৌছড়ি ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান রশিদ আহমদ বলেন, পাইনছড়ি এলাকায় শুক্রবার বিজিপি আবারো গুলিবর্ষণ করায় সীমান্ত এলাকায় পূর্বনির্ধারিত পতাকা বৈঠক হয়নি। ফলে লাশ হস্তান্তর প্রক্রিয়াও স্থগিত হয়ে যায়।



মিজানুরের গ্রামের বাড়িতে শোকের মাতম



বান্দরবান নাইক্ষ্যংছড়ি সীমান্তের পানছড়ি ৫২ নম্বর পিলার এলাকায় মিয়ানমার সীমান্তরী বাহিনীর (বর্ডার গার্ড পুলিশ) সাথে বর্ডার গার্ড বাংলাদেশের (বিজিবি) সদস্যদের গুলিবিনিময়ে নিহত বিজিবির নায়েক সুবেদার মিজানুর রহমানের গ্রামের বাড়ি কুমিল্লার দেবিদ্বারে চলছে শোকের মাতম। মিজানকে হারিয়ে তার স্ত্রী-সন্তানরা এখন পাগলপ্রায়। নিহতের স্ত্রী রাবেয়া আকতার কান্নাজড়িত কণ্ঠে সাংবাদিকদের কাছে অনুরোধ জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী যেন তার স্বামীর লাশ দেশে ফিরিয়ে আনার ব্যবস্থা করেন। নিহত নায়েক মিজানুর রহমান কুমিল্লার দেবিদ্বার উপজেলার মোহনপুর ইউপির ভৈষেরকুট-ভেলানগর গ্রামের মোল্লা বাড়ির শহীদ মুক্তিযোদ্ধা ল্যান্স করপোরাল আব্দুল হাফিজের ছেলে। গতকাল বিকেলে তার বাড়িতে গিয়ে দেখা যায় গ্রামজুড়ে বিরাজ করছে শোকাবহ পরিবেশ। আশপাশের লোকজন ওই বাড়িতে ভিড় করছেন মিজানের পরিবারকে সান্ত্বনা দিতে। কিন্তু তার বৃদ্ধ মা, স্ত্রী ও সন্তানদের কাছে যেই সান্ত্বনা দিতে যাচ্ছেন তাদের গগনবিদারী আর্তনাদে সেই কান্নায় ভেঙে পড়ছেন। তার মা রাবেয়া আক্তার ছেলের জন্য কাঁদতে কাঁদতে পাগলপ্রায়। স্ত্রী ও চার মেয়ের মধ্যে ছোট মেয়ে হাবিবা (৪) এখনো জানে না, তার বাবা আর কখনো ফিরে আসবেন না। হাবিবাকে তার বাবার কথা জিজ্ঞেস করলে সে বলে আমার বাবা চাকরি করতে গেছেন।



নিহতের পরিবার জানায়, ১৯৭১ সালে বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধের সময় মায়ের গর্ভে মিজানকে রেখে তার বাবা যুদ্ধে শহীদ হন। তৎকালীন তার বাবা বাংলাদেশ সেনাবাহিনীতে ল্যান্স করপোরাল পদে কর্মরত ছিলেন। এরপর মিজানের মাকে তার চাচা আবুল কাশেম বিয়ে করেন। তিনিও বিজিবির অবসরপ্রাপ্ত নায়েক সুবেদার ছিলেন। মিজানুর রহমান ১৯৮৮ সালে চাকরিতে যোগ দেন। দুই মাস আগে লালমনিরহাট থেকে তাকে বান্দরবানের নাইক্ষ্যংছড়িতে বদলি করা হয়। তিনি নাইক্ষ্যংছড়ির দোছড়ি ইউনিয়নের পানছড়ির বিজিবি ক্যাম্পে কর্মরত ছিলেন।



সূত্র মতে গত বুধবার সকালে নাই্যংছড়ি-মিয়ানমার সীমান্তের ৫২ নম্বর পিলারের কাছে ৩১ বিজিবির একটি টহল দলকে লক্ষ্য করে মিয়ানমার সীমান্তরী বাহিনীর (বর্ডার গার্ড পুলিশ) সদস্যরা গুলিবর্ষণ করার পর তিনি নিখোঁজ হন। ঘটনার পর থেকে বিজিবি সদস্য নায়েক সুবেদার মিজানের ব্যবহৃত এলএমজি রাইফেল ও ১২০ রাউন্ড গুলিও খুঁজে পাওয়া যাচ্ছে না। তাকে মিয়ানমারে নিয়ে যাওয়া হয়েছে বলে দাবি বিজিবির। এ ঘটনার পর নাই্যংছড়ি থানায় একটি সাধারণ ডায়েরি করা হয়েছে।



বান্দরবানের দোছড়ি ইউনিয়নের ক্যাম্পের নিখোঁজ বিজিবির নায়েক সুবেদার মিজানুর রহমানকে নিয়ে সৃষ্ট জটিলতার জের ধরে মিয়ানমারের সাথে যোগাযোগ করছে পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়।

গতকাল সন্ধ্যায় বাংলানিউজকে এ তথ্য জানান পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের বহিঃপ্রচার অনুবিভাগের মহাপরিচালক সালাহউদ্দিন নোমান চৌধুরী।



গতকাল বেলা আড়াইটায় বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ (বিজিবি) ও মিয়ানমারের সীমান্তরী বাহিনী মিয়ানমার বর্ডার গার্ড পুলিশের (বিজিপি) মধ্যে গুলিবিনিময় শুরু হয়। বিকেল ৫টা পর্যন্ত এ গুলিবিনিময় চলে।



জানা যায়, মিয়ানমারের সীমান্তরী বাহিনীর হাতে আটক বিজিবি সদস্য নায়েক মো: মিজানুর রহমানকে গতকাল ফেরত দেয়ার কথা ছিল। বিকেল ৩টায় একটি পতাকা বৈঠকও অনুষ্ঠিত হওয়ার কথা। সে জন্য নাই্যংছড়ি সীমান্তের পাইনছড়ি ৫২ নম্বর সীমান্ত পিলার এলাকায় অপো করছিলেন বিজিবির সদস্যরা। কিন্তু মিজানুর রহমানকে ফিরিয়ে না দিয়ে অতর্কিতে গুলিবর্ষণ করে মিয়ানমারের সীমান্তরী বাহিনীর সদস্যরা। পরে বিজিবিও পাল্টা গুলি চালায়।

এ বিষয়ে সালাহউদ্দিন নোমান বাংলানিউজকে বলেন, নাই্যংছড়ির ঘটনার পর থেকেই কূটনৈতিক চ্যানেলে মিয়ানমারের সাথে যোগাযোগ রেখেছে পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়।



এ দিকে পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের আরেকজন ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা শুক্রবার সন্ধ্যায় টেলিফোনে বাংলানিউজকে বলেন, বৃহস্পতিবারেই পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় ঢাকার মিয়ানমারের রাষ্ট্রদূতকে ডেকে এ ঘটনার প্রতিবাদ জানানো হয়েছে।

তিনি বলেন, আমাদের জানা মতে, শুক্রবার পতাকা বৈঠক করে মিজানকে ফেরত দেয়ার কথা। কিন্তু বৈঠকটি না হয়ে গুলিবিনিয়ম হওয়া খুবই অনভিপ্রেত। পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় বিষয়টি অতি গুরুত্বের সাথে দেখছে। কূটনৈতিক-পর্যায়ে আলোচনাও চলছে।



নিখোঁজ বিজিবি নায়েক সুবেদার মিজানুর রহমান সম্পর্কে তিনি বলেন, সম্ভবত তিনি নিহত হয়েছেন।

অপর দিকে, বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ (বিজিবি) জানায়, বুধবার সকালে নিয়মিত টহলের অংশ হিসেবে নাই্যংছড়ির পানছড়ি বিওপির ২০ সদস্যের বিজিবির একটি দল ৫২ নম্বর সীমান্ত পিলারের কাছে যায়। সীমান্ত পিলারের কাছে পৌঁছামাত্র বিজিবি সদস্যদের ওপর নির্বিচারে গুলি ছুড়তে শুরু করে মিয়ানমারের সীমান্তরী বাহিনী মিয়ানমার বর্ডার গার্ড পুলিশ।



গুলি থামার পর থেকে নিখোঁজ হন বিজিবির সদস্য নায়েক মিজানুর রহমান।

মিজানকে আটক ও সীমান্তে নির্বিচারে গুলিবর্ষণের প্রতিবাদে ঢাকায় নিযুক্ত মিয়ানমারের রাষ্ট্রদূত মিউ মিন্ট থানকে বৃহস্পতিবার দুপুরে পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে তলব করে কড়া প্রতিবাদ জানানো হয়।



এ দিকে নিখোঁজ মিজানুর বেঁচে আছেন কিনা সে ব্যাপারে বিজিবির প থেকে কিছু জানা না গেলেও নাই্যংছড়ি থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) রফিকুল ইসলাম তার মৃত্যুর খবর নিশ্চিত করেছেন।


Disclaimer:

This post might be introduced by another website. If this replication violates copyright policy in any way without attribution of its original copyright owner, please make a complain immediately to this site admin through Contact.



জন্ম যাদের অবৈধ তারা সব কিছুতেই অবৈধ দেখে : প্রধানমন্ত্রী




প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেছেন, জন্ম যাদের অবৈধ তারা সব কিছুতেই অবৈধ দেখে। যারা সরকার নিয়ে বৈধতার প্রশ্ন তুলছে, তারাই কি বৈধ? জিয়াউর রহমান সংবিধান লঙ্ঘন করে ক্ষমতায় উত্তরণ করল। জিয়াউর রহমান কারফিউ দিয়েছিল। কোন গণতন্ত্র দিয়েছিল। কারফিউ গণতন্ত্র? তিনি যে দল গঠন করেছিলেন সেটাই তো অবৈধ।

আজ শনিবার বিকেলে ৪টার দিকে জাপান সফর নিয়ে গণভবনে সংবাদ সম্মেলনে তিনি এ কথা বলেন।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, ট্রাক, বাসসহ বিভিন্ন জায়গায় আগুন দেয়া। মানুষ মারা হয়েছে। যারা হত্যা করে নির্বাচন ঠেকাতে চেয়েছিল। তারা কি আবার ডিক্টেটরশিপ আনতে চেয়েছিল। নির্বাচনে ৪০ ভাগ ভোট পড়েছিল। তাই কেন এর বৈধতা হবে না। আজ পর্যন্ত একটা সরকার দেখান যারা গণতন্ত্র রক্ষা করে সরকার পরিচালনা করতে পেরেছে। আমরা পেরেছি।



তিনি বলেন, আগের সরকার কেউ ল্যান্ড বাউন্ডারি ঠিক করতে পারে নি। আমরা ১৯৯৬ সাল থেকে শুরু করেছি। তিস্তা চুক্তি নিয়ে আমরা আলোচনা শুরু করেছি। পশ্চিমবঙ্গের মুখ্যমন্ত্রী এতে বাধা দিয়েছেন। তাই থেমে গিয়েছিল। আমরা তো শুরু করেছি।



শেখ হাসিনা বলেন, আমরা তো দেশের স্বার্থ নিয়ে কথা বলি। কিন্তু বিএনপি ও জাতীয় পার্টিতো কিছু বলতেই পারে না। খালেদা জিয়া তো ভারতে গিয়ে গঙ্গা চুক্তির কথা ভুলেই গেছিলেন।

ভারতের সাথে চুক্তি নিয়ে অনেকের অনেক রকম মন্তব্য প্রসঙ্গে তিনি বলেন, যারা এ চুক্তিকে দেশ বিক্রির চুক্তি বলেছিল তারাই এখন দাবি করেন এ চুক্তি বাস্তবায়নের। বুঝলি না ফেলি বুঝবি দিন গেলি।

২১ সালের মধ্যে বাংলাদেশকে একটি মধ্যম আয়ের দেশে উন্নীত করা হবে বলেও প্রত্যাশা ব্যক্ত করেন প্রধানমন্ত্রী।

সরকারের বৈধতা প্রসঙ্গে সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের জবাবে শেখ হাসিনা বলেন, যারা সরকারের বৈধতা নিয়ে প্রশ্ন করে তাদের বৈধতা কী?



যুদ্ধপরাধীদের বিচার প্রসঙ্গে শেথ হাসিনা বলেন, যুদ্ধপরাধীদের বিচার আমরাই শুরু করেছি। বঙ্গবন্ধুও যুদ্ধাপরাধীদের বিচার শুরু করেছিলেন। কিন্তু জিয়াউর রহমান ক্ষমতায় আসার পর বিচার বন্ধ করে দিয়েছিল। আমরা বিচার শুরু করেছি। আমরাই শেষ করব। আমেরিকার জন কেরি আমাকে বলেছিলেন যেন কাদের মোল্লার ফাঁসি না হয়। কিন্তু আমি ভয় পাইনি। এমন পরিস্থিতে আর কে সাহস করত কাদের মোল্লার ফাঁসি কার্যকর করা। একমাত্র বঙ্গবন্ধুর কন্যাই এমন সাহস দেখাতে পারেন।



মুক্তিযুদ্ধে বিদেশী বন্ধুদের সংবর্ধনা ক্রেস্টে স্বর্ণ কম বেশি নিয়ে সাংবাদিকেদের এক প্রশ্নের জবাবে শেখ হাসিনা বলেন, কথায় আছে স্বর্ণকার মায়ের গহনা বানালেও সেখান স্বর্ণ চুরি করে।

জাপান সফর সফল হয়েছে দাবি করে প্রধানমন্ত্রী বলেন, এ সফরে জাপানের সাথে সম্পর্কের নতুন মাত্রা যুক্ত হয়েছে। জাপান সব সময় বাংলাদেশের পাশে রয়েছে। ভবিষ্যতেও এ ধারা অব্যাহত থাকবে বলে আশ্বস্ত করেছে জাপান।

শেখ হাসিনা বলেন, জাপানে বাংলাদেশী শ্রমিকদের নিয়োগের বিষয়ে আমি জাপানের প্রধানমন্ত্রীকে অনুরোধ জানিয়েছি। এছাড়া দ্বিপাক্ষিক বাণিজ্য বৃদ্ধির লক্ষ্যে আলোচনা হয়েছে বলেও জানান তিনি।

তিনি আরো বলেন, জাপানের সাথে আলোচনায় জাপানের ফুকুশিমা পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্রের অভিজ্ঞতা শেয়ারের বিষয়ে ঐক্যবদ্ধ হয়েছি।



বাংলাদেশী শিক্ষার্থীদের জন্য বৃত্তি বৃদ্ধি, পররাষ্ট্র বিষয়ক সমঝোতা স্মারক, জাপানি বিনিয়োগকারীদের জন্য চট্টগ্রামে একটি বিশেষায়িত অর্থনৈতিক জোন তৈরি ও ব্যবসা বৃদ্ধির বিষয়ে আলোচনা হয়েছে বলেও সংবাদ সম্মেলনে জানান প্রধানমন্ত্রী। ২৪ মে দিনগত রাত ১২টায় চারদিনের সরকারি সফরে জাপান যান প্রধানমন্ত্রী। সফরে তার সফরসঙ্গী ছিলেন ১০৯ জন। সফরকালে জাপানের সম্রাট আকিহিতো এবং প্রধানমন্ত্রী শিন জো অ্যাবের সাথে সাক্ষাৎ করেন প্রধানমন্ত্রী। এছাড়া এ সফরে দুদেশের মধ্যে কয়েকটি চুক্তিও সই হয়।




Disclaimer:

This post might be introduced by another website. If this replication violates copyright policy in any way without attribution of its original copyright owner, please make a complain immediately to this site admin through Contact.

আইএসআইএল সন্ত্রাসীদের হাতে সিরিয়ার ২০০ কুর্দি অপহৃত





সিরিয়ায় লড়াইরত বিদেশি মদদপুষ্ট ব্রিদোহী

সিরিয়ায় তৎপরত বিদেশি মদদপুষ্ট কথিত
ইসলামিক স্টেট অব ইরাক অ্যান্ড দ্যা লিভ্যান্ট বা আইএসআইএল সন্ত্রাসীরা ২০০
কুর্দি বেসামরিক নাগরিককে অপহরণ করেছে। সিরিয়ার উত্তর-পূর্বাঞ্চলীয়
আলেপ্পো প্রদেশ থেকে এসব কুর্দি নাগরিককে অপহরণ করা হয়েছে।






ব্রিটেনভিত্তিক কথিত মানবাধিকার গোষ্ঠী
সিরিয়ান অবজারভেটরি ফর হিউম্যান রাইটস জানিয়েছে, আলেপ্পো প্রদেশের কাবাসিন
শহর থেকে আইএসআইএল সন্ত্রাসীরা ১৯৩ জন কুর্দি নাগরিককে অপহরণ করে। অপহৃতদের
বয়স ১৭ থেকে ৭০ বছরের মধ্যে।





সিরিয়ান অবজারভেটরি ফর হিউম্যান রাইটসের
পরিচালক রামি আব্দুর-রহমান বলেছেন, কুর্দি নাগরিকদের অপহরণের কারণ স্পষ্ট
নয় তবে এ ধরনের ঘটনা ওই এলাকায় বার বার ঘটছে। এলাকাটি অনেক দিন ধরেই
আইএসআইএল সন্ত্রাসীদের নিয়ন্ত্রণে রয়েছে।






৩১ মে (রেডিও তেহরান)




Disclaimer:

This post might be introduced by another website. If this replication violates copyright policy in any way without attribution of its original copyright owner, please make a complain immediately to this site admin through Contact.

কম্পিউটারে হৃদয়,মন ও মস্তিস্কের সব তথ্য আপলোড করতে পারবে মানুষ




কম্পিউটারে হৃদয় মন সব আপলোড করে অমরত্ব পাবে মানুষ। এমনটিই বিশ্বাস বর্তমান তুখোর সব প্রযুক্তিবিদ ভবিষ্যত্বাদীদের। লাইভ সায়েন্স-এ প্রকাশিত এক সংবাদে এ তথ্য জানা গেছে।



মস্তিষ্কভিত্তিক কম্পিউটার তৈরিতেও অনেকখানি এগিয়ে গেছেন এ সব প্রযুক্তিবিদরা। একে তারা বলছেন ব্রেইন-কম্পিউটার ইন্টারফেস (বিসিআই) । এক্ষেত্রে মস্তিষ্কের ককলিয়ার ইমপ্লান্টকে বিশেষ ইলেকট্রোডের সহায়তায় জুড়ে দেয়া হয় কম্পিউটারের সঙ্গে। কিছুদিন আগে এ ধরনের একটি কম্পিউটারের মাধ্যমে জন্ম বধির এক ব্যক্তি নাকি প্রথমবারের মতো শব্দ শুনতে পান।

অনেক বিজ্ঞানী আবার বিসিআইকে মেরুদণ্ড শুকিয়ে যাওয়া ব্যক্তিদের কার্যক্ষমতা পুনরুদ্ধারে ব্যবহার করছেন।



এ মতবাদে বিশ্বাসী একদল ক্ষ্যাপাটে (!) বিজ্ঞানী ও প্রযুক্তিবিদ সম্প্রতি একত্র হয়েছিলেন গ্লোবাল ফিউচার ২০৪৫ ইন্টারন্যাশনাল কংগ্রেসে। সম্মেলনের উদ্যোক্তা রুশ বিলিয়নেয়ার দিমিত্রি ইতসকভ। পুরোদস্তুর বিজ্ঞান আর কল্পবিজ্ঞান জগতের মাঝামাঝি তার বিচরণ। সম্মেলনে আরো হাজির ছিলেন ধর্মীয় ও আধ্যাত্মিক সব নেতারা।



ইতসকভ আর তার দল বলছে, খুব বেশি দিন নেই যখন কম্পিউটার মানুষের দেহের সব দুর্বলতা দূর করতে সাহায্য করবে। উল্টোটাও একইভাবে সম্ভব।



মানুষের মস্তিষ্কের বহুমুখী ক্ষমতাকে কম্পিউটারের নির্ভুলতার সঙ্গে যোগ করলে তা যে মানুষের চেয়ে অধিক শক্তিশালী হবে; তা বলার অপেক্ষা রাখে না। কে না চায় আজীবন বাঁচতে? মানব দেহ খুব জোর ১০০-১৫০ বছর আপনাকে বাঁচিয়ে রাখতে পারবে।



কিন্তু আপনার মস্তিষ্ক যদি কম্পিউটারের সাহায্যে বেঁচে থাকে, সেটি কি নতুন জীবন নয়? সেই মস্তিষ্কনির্ভর কম্পিউটারকে কে মারবে?



ইতসকভ ও অন্য ট্রান্সহিউম্যানিস্টরা সিঙ্গুলারিটিকে ধরছেন ডিজিটাল অমরত্ব হিসেবে। তাদের মতে, প্রযুক্তি ব্যবহার করে মানুষের মস্তিষ্কের কার্যধারা ও মনের অলিগলি এখনই কম্পিউটারে অল্প পরিমাণে হলেও ধরা সম্ভব হচ্ছে।



কয়েক বছরের মধ্যে প্রযুক্তি দিয়েই মানুষের সব চিন্তাধারার প্রক্রিয়াকে আবেগের সংমিশ্রণসহ হয়তো কম্পিউটার প্রোগ্রাম হিসেবে আপলোড করা সম্ভব হবে। তাতে জৈব দেহের প্রয়োজন ফুরিয়ে যাবে মানুষের।



এ মুহূর্তে ইতসকভ বাহিনীর এ ধারণাকে কল্পবিজ্ঞান মনে হতে পারে। তবে স্নায়ুবিজ্ঞানের অবিশ্বাস্য উন্নতির কল্যাণে মস্তিষ্কের কার্যক্রম রেকর্ড করতে পেরেছেন বিজ্ঞানীরা। পাশাপাশি ক্ষতিগ্রস্ত মস্তিষ্কের আংশিক পুনর্গঠনেও সফল হয়েছেন তারা।



কার্জওয়েলের অন্যতম পরিচয় তিনি গুগলের প্রকৌশল বিভাগের পরিচালক। তার মতে, ২০৪৫ সালের মধ্যেই ক্ষমতায় মানুষের মস্তিষ্ককে ছাড়িয়ে যাবে প্রযুক্তি।



সৃষ্টি হবে নতুন ধরনের অতি বুদ্ধিমত্তার, যাকে বিজ্ঞানীরা বলছেন সিঙ্গুলারিটি। অন্য বিজ্ঞানীদের ধারণা, ২১০০ সালের মধ্যেই মানুষের ওপর আধিপত্য বিস্তার করবে রোবট।



মুরের নীতি অনুযায়ী, প্রতি দুই বছর অন্তর কম্পিউটিং ক্ষমতা দ্বিগুণ বৃদ্ধি পায়। এদিকে বেশকিছু প্রযুক্তির কল্পনাতীত উন্নতি হয়েছে, যার মধ্যে রয়েছে জেনেটিক সিকোয়েন্সিং ও ত্রিমাত্রিক মুদ্রণ।

কার্জওয়েল বলেন, অতি রক্ষণশীল হিসাব অনুযায়ী মানুষের মস্তিষ্কের ক্ষমতাকে ১০০ কোটি গুণ বাড়ানো সম্ভব।




Disclaimer:

This post might be introduced by another website. If this replication violates copyright policy in any way without attribution of its original copyright owner, please make a complain immediately to this site admin through Contact.

প্রাচীন পৃথিবীতে এলিয়েন আগমনের ছবি সহ বিতর্কিত কিছু প্রমাণ


বর্তমান যুগ বিজ্ঞান ও প্রযুক্তির যুগ। প্রতিদিনই বিজ্ঞান যেভাবে এগিয়ে চলেছে সেরকম ইতিহাসে আর কখনোই হয় নি। কিন্তু তারপরও এই পৃথিবীর বুকেই এরকম অনেক জিনিস বা ঘটনা আছে যেগুলোর কোন যুক্তিসংগত ব্যাখ্যা বিজ্ঞানীদের কাছে নেই। সেরকমই কিছু যুক্তির বাইরের জিনিস নিয়ে এ আয়োজন ।



আজকের আয়োজনে তুলে ধরা হলো এমন কিছু প্রত্নতাত্ত্বিক নিদর্শনের কথা, যেগুলো নিশ্চিতভাবেই প্রমাণ দেয় প্রাচীন পৃথিবীতে ভিনগ্রহবাসী প্রাণীদের আগমনের। তালিকায় আছে প্রাচীন রকেট হতে শুরু করে প্রাচীন মহাকাশচারী মূর্তি, এমনকি এলিয়েনের মমি পর্যন্ত! পৃথিবী জুড়ে বিজ্ঞানীদের বড় একটা অংশ প্রতিনিয়ত মাথা ঘামিয়ে যাচ্ছেন এসব নিয়ে। এখন পর্যন্ত আবিষ্কার করতে পারেন নি গ্রহণযোগ্য কোনো ব্যাখ্যা। সব কিছু একটি দিকেই নির্দেশ করে- এলিয়েনরা এসেছিল, প্রাচীন মানুষদের সাথে অত্যন্ত ভালো যোগাযোগ ছিল তাদের!



(১)মমিটি কি এলিয়েনের?



























প্রচ্ছদে যে মমিটির ছবিটি দেখছেন সেটা পাওয়া যায় মিশরের লাহুনে। অদ্ভুত আকৃতির এই মমিটির দৈর্ঘ্য ১৫০ থেকে ১৬০ সেন্টিমিটার। এটা দ্বিতীয় সিনুসরেটের রাজত্বকালের সময়কার হতে পারে বলে ধারণা করছেন প্রত্নতত্ত্ববিদরা। মমিটির বয়স প্রায় ২০০০ বছর। কিন্তু এটা কি মানুষ? নাকি এলিয়েন? এই প্রশ্নের সদুত্তর এখনো জানা নেই কারো।



(২)১১০২ সালের মহাশূন্যচারী!





































স্পেনের সালামানকা শহরে একটি গির্জা নির্মিত হয় ১১০২ সালে। সেই হিসেবে এটাকে বিশ্বের প্রাচীন স্থাপনাগুলোর একটি হিসেবে ধরা যায়। গির্জার পাথরের দেয়াল খোদাই করে নানা রকম সুন্দর নকশা আঁকা হয়েছিল। কিন্তু এর মাঝেই খুব অদ্ভুত এক নকশা যে কাউকে চমকে দেবে। নকশাটি হচ্ছে একজন মহাশূন্যচারীর! আরো অদ্ভুত বিষয় হচ্ছে, এই মহাশূন্যচারীর আপাদমস্তক আধুনিক মহাশূন্যচারীদের পোশাকের মত পোশাকে ঢাকা। এমনকি পায়ের জুতোর তলা পর্যন্ত। কেউ জানে ১২শ শতাব্দীর একটি গির্জার দেয়ালে বিংশ শতাব্দীর নভোচারীর নকশা কিভাবে এলো?



(৩) নাজকা লাইনের অদ্ভুত নকশা







































পেরুর নাজকা লাইনের এই ছবিটি দেখুন। দুজন মানুষ যেন আকাশ থেকে নেমে আসা কোন ভিনগ্রহের যানের প্রতি সম্মান জানাচ্ছে। আসলেই কি তাই?



(৪) ২৫০০ বছর আগের রকেট!



























তুরস্কের ইস্তানবুলে পাওয়া যাওয়া প্রাচীন এ নিদর্শন কি প্রাচীন যুগের এক
আসন বিশিষ্ট মহাশূন্যযান বা স্পেস-শিপের নিদর্শন? ইস্তানবুলের
প্রত্নতাত্ত্বিক যাদুঘরে বহুদিন যাবৎ এ নিদর্শনটিকে খুঁজে পাওয়া যায় নি।
এটাকে টপরাক্কেল শহর থেকে উদ্ধার করা হয়। ২৫০০ বছর আগে উরারটু শাসনামলে এ
শহরটি টুস্পা নামে পরিচিত ছিল। যাদুঘরের তত্ত্বাবধানকারী এটাকে ‘ভুয়া’ মনে
করেন। কারণ উরারটু যুগের অন্য প্রাচীন নিদর্শনের সাথে এটার মিল নেই। তার
উপর এটা দেখতে মহাশূন্যযানের মত!



(৫)বাল্টিক সাগরের নিচে এই জিনিসটি কি?





























২০১১ সাল। বাল্টিক সাগরের একদম নিচে ‘ভিন্ন গ্রহের যান” এর মত দেখতে একটি
অদ্ভুত জিনিস পাওয়া যায়। এটা বহু মানুষের মনে প্রশ্নের উদ্রেক করে। কেউই
বুঝতে পারছিলেন না জিনিসটি কি। সুইডেনের গবেষকরা সমুদ্রে গভীরে অভিযান
চালান কিন্তু সেটা আরো বিতর্কের সূত্রপাত ঘটায়। কারণ, এ জিনিসটি ৩০০ মিটার
লম্বা একটি দাগের শেষ প্রান্তে ছিল, যেটা দেখে মনে হয় এই রহস্যময় জিনিসটি
এতটকু পথ অতিক্রম করে এখানে এসেছে থেমেছে। বেশির ভাগ বিজ্ঞানীর ধারণা এটা
ক্রাশ ল্যান্ড করা একটি স্পেসশীপ!





Disclaimer:

This post might be introduced by another website. If this replication violates copyright policy in any way without attribution of its original copyright owner, please make a complain immediately to this site admin through Contact.

ধর্ষণের পর গাছে ঝুলিয়ে হত্যা: ক্ষোভে উত্তাল উত্তর প্রদেশ, গ্রেফতার ৩




ভারতের উত্তর প্রদেশের বদায়ূঁতে দুই দলিত
কিশোরীকে গণধর্ষণের পর গাছে ঝুলিয়ে হত্যার ঘটনায় তীব্র সমালোচনার মুখে
পড়েছে মুখ্যমন্ত্রী অখিলেশ যাদবের প্রশাসন। কেন্দ্রীয় সরকারের চাপ ও
বিভিন্ন মহলের সমালোচনার মুখে অবশেষে এক পুলিশসহ অভিযুক্ত তিনজনকে গ্রেফতার
করা হয়েছে। বাকি চারজন এখনও পলাতক।






চাঞ্চল্যকর এ ঘটনার তদন্তের অগ্রগতি জানতে
লখনউয়ের সচিবালয়ে ফোন করে রিপোর্ট তলব করেছেন কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী
রাজনাথ সিং।  এরপর মুখ্যমন্ত্রী অখিলেশ যাদব অভিযুক্তদের অবিলম্বে
গ্রেফতারের নির্দেশ দেন। সেইসঙ্গে দ্রুত বিচার ট্রাইব্যুনাল গঠন করে
অভিযুক্ত শাস্তি দেয়া হবে বলেও জানান। যদিও মুখ্যমন্ত্রীর একটি বেফাঁস
মন্তব্যের কারণে এসব উদ্যোগ বাস্তবায়ন নিয়ে সন্দেহ দেখা দিয়েছে।





গতকাল এক সংবাদ সম্মেলনে উত্তর প্রদেশে
একের পর এক ধর্ষণের ঘটনা নিয়ে মুখ্যমন্ত্রীর প্রতিক্রিয়া জানতে চেয়েছিলেন
এক মহিলা সাংবাদিক। অখিলেশ এ সময় ক্ষোভ প্রকাশ করে বলেন, “আপনার কোনো
সমস্যা হয়েছে? আপনি তো সুরক্ষিত। কেন মাথা ঘামাচ্ছেন তা হলে?” তার পরে সবার
উদ্দেশে মুখ্যমন্ত্রী বলেন, “আমাদের রাজ্যের মতো পুলিশ কন্ট্রোল রুম আর
কোথাও নেই। যদি কিছু ঘটে থাকে, আমরা অবশ্যই ব্যবস্থা নেব।”





বদায়ূঁর ঘটনায় ধর্ষিতা দলিত মেয়ে দু’টির
পরিবারের অভিযোগ, তারা বলা সত্ত্বেও সঙ্গে সঙ্গে কোনো ব্যবস্থাই নেয়নি
পুলিশ। পরে  দু’জন কনস্টেবলকে বরখাস্ত করা হয়।    





গত বুধবার সকালে বদায়ূঁর কাটরা গ্রামে ১৪
এবং ১৫ বছরের দুই কিশোরীর ঝুলন্ত দেহ উদ্ধার করা হয় একটি আমগাছ থেকে। এক
কিশোরীর বাবা বলছেন,  জাতিগত বিদ্বেষের কারণে ওই অঞ্চলের প্রভাবশালী যাদবরা
এই ঘটনা ঘটিয়েছে। 





তিনি জানান, “মঙ্গলবার রাত থেকেই মেয়েরা
নিখোঁজ ছিল। পরে অপহরণকারী এক ব্যক্তির বাড়ি যান তারা। সেই ব্যক্তি অপহরণের
কথা স্বীকার করলেও মেয়েদের ছাড়তে চায়নি। সেই সময়ে সেখানে হাজির ছিলেন এক
কনস্টেবল। তিনি কোনও সাহায্য করেননি।”





মেয়ে দু’টির পরিবার থানায় এফআইআর করতে
গেলে ঘণ্টার পর ঘণ্টা তাদের অভিযোগ গ্রহণ করা হয়নি। এ সময়ই তারা জানতে
পারেন, মেয়ে দু’টির মৃতদেহ গাছে ঝুলিয়ে দেয়া হয়েছে। ঘটনা জানাজানি হতেই
ক্ষোভে ফেটে পড়েন গ্রামবাসীরা। এরপরই সক্রিয় হয় পুলিশ। ধর্ষণ এবং খুনের
মামলা দায়ের করা হয় অভিযুক্তদের বিরুদ্ধে। কিন্তু সাত অভিযুক্তের মধ্যে
মাত্র তিন জন এখন পর্যন্ত গ্রেফতার হয়েছে। এর মধ্যে একজন পুলিশকর্মী সর্বেশ
যাদব। আর অন্য দু’জন ধর্ষণে অভিযুক্ত দুই ভাই পাপ্পু এবং অবধেশ যাদব। বাকি
দু’জনের মধ্যে আছে পাপ্পুদের আর এক ভাই উর্বেশ যাদব এবং পুলিশকর্মী ছত্রপল
যাদব। অন্য দু’জনের পরিচয় জানা যায়নি।


বদায়ূঁর ঘটনার পর পরই সমাজবাদী পার্টি
প্রধান মুলায়ম সিং যাদবের নির্বাচনী কেন্দ্র আজমগড় থেকেও ধর্ষণের খবর আসে।
আজমগড়ের সরাইমির এলাকায় ১৭ বছরের একটি দলিত মেয়েকে চারজন মিলে ধর্ষণ করে
বলে পুলিশ জানায়।





এখানেই শেষ নয়। মুখ্যমন্ত্রী অখিলেশের
নিজের জেলা এটাওয়ায় এক নির্যাতিতার মাকে ধর্ষণে অভিযুক্ত ব্যক্তির বাবা
নৃশংসভাবে পিটিয়েছে। পুলিশের কাছে অভিযোগ দায়ের করার পর থেকেই তাদের
নানাভাবে হুমকি দিচ্ছে অভিযুক্ত ব্যক্তির পরিবার।




এই তিন ঘটনায় বিএসপি নেত্রী মায়াবতী
মুখ্যমন্ত্রী অখিলেশের সমালোচনা করে রাজ্যে প্রেসিডেন্ট শাসন জারি ও সিবিআই
তদন্তের দাবি জানিয়েছেন তিনি। নারী ও শিশুকল্যাণ মন্ত্রী মেনকা গান্ধীও
বলেছেন, প্রয়োজনে ওই ঘটনায় সিবিআই তদন্তের নির্দেশ দেয়া যেতে পারে।


৩১ মে (রেডিও তেহরান)




Disclaimer:

This post might be introduced by another website. If this replication violates copyright policy in any way without attribution of its original copyright owner, please make a complain immediately to this site admin through Contact.

নিহত বিজিবি’র নায়েক সুবেদার মিজানুরের বাড়িতে শোকের মাতম




বান্দরবান নাইক্ষ্যংছড়ি সীমান্তের পানছড়ি ৫২ নম্বর পিলার এলাকায় মিয়ানমার সীমান্তরক্ষী বাহিনীর (বর্ডার গার্ড পুলিশ) সঙ্গে বর্ডার গার্ড বাংলাদেশের (বিজিবি) সদস্যদের গুলিবিনিময়ে নিহত বিজিবি’র নায়েক সুবেদার মিজানুর রহমানের গ্রামের বাড়ি কুমিল্লার দেবিদ্বারে চলছে শোকের মাতম।  তাকে হারিয়ে মিজানের স্ত্রী ও সন্তানরা এখন পাগল প্রায়। নিহতের স্ত্রী রাবেয়া আকতার কান্না জর্জরিত কন্ঠে সাংবাদিকদের কাছে অনুরোধ জানিয়েছেন, প্রধানমন্ত্রী যেন তার প্রিয় স্বামীর লাশ দেশে ফিরিয়ে আনার ব্যবস্থা করেন।

নিহত নায়েক মিজানুর রহমান (৪৩) কুমিল্লা জেলার দেবিদ্বার উপজেলার মোহনপুর ইউপির ভৈষেরকুট-ভেলানগর গ্রামের মোল্লা বাড়ির শহীদ মুক্তিযোদ্ধা ল্যান্স কর্পোরাল আব্দুল হাফিজের ছেলে।
শুক্রবার বিকেলে সরেজমিনে তার নিজ বাড়িতে গিয়ে দেখা যায়, গোটা গ্রামে বিরাজ করছে শোকাবহ পরিবেশ। আশপাশের গ্রামের হাজারো মানুষ এই বাড়িতে ভিড় করছে মিজানের পরিবার কে সান্তনা দেয়ার জন্য। কিন্তু তার বৃদ্ধ মা, স্ত্রী ও সন্তানদের কাছে যেই সান্তনা দিতে কাছে যাচ্ছেন তাদের গগনবিধারী আর্তনাদে তিনিই কান্নায় ভেঙে পড়ছে। আত্মীয়-স্বজনদের কান্নায় যেন আকাঁশ ভারী হয়ে উঠেছে।  তার মাতা রাবেয়া আক্তার (৬২) ছেলের জন্য কান্না করতে করতে পাগল প্রায়। তার স্ত্রী ও ৪ মেয়ের মধ্যে ছোট মেয়ে হাবিবা আক্তার (৪) এখনো জানে না তার বাবা আর কখনো ফিরে আসবে না। হাবিবা কে তার বাবার কথা জিজ্ঞেস করলে সে বলে আমার বাবা চাকরি করতে গেছে।

নিহতের পরিবার জানায়, ১৯৭১ সালে বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধ সময়ে মায়ের গর্ভে মিজানকে রেখে তার বাবা যুদ্ধে শহীদ হন। ওই সময়ে তার বাবা বাংলাদেশ সেনাবাহিনীতে ল্যান্স কর্পোরাল ছিলেন। এরপর মিজানের মাকে তার চাচা আবুল কাশেম বিয়ে করেন। তিনিও  বিজিবি’র অবসরপ্রাপ্ত নায়েক সুবেদার ছিলেন। মিজানুর রহমান ১৯৮৮ সালে চাকরিতে যোগদান করেন। ২ মাস আগে লালমনিরহাট থেকে তাকে বান্দরবান নাইক্ষ্যংছড়িতে বদলি করা হয়। তিনি নাইক্ষ্যংছড়ি দোছড়ি ইউনিয়নের পানছড়ির বিজিবি ক্যাম্পে কর্মরত ছিলেন।
সূত্রমতে, ২৮ মে  বুধবার সকালে নাইক্ষ্যংছড়ি-মিয়ানমার সীমান্তের ৫২ নম্বর পিলারের কাছে ৩১ বিজিবির একটি টহল দলকে লক্ষ করে মিয়ানমার সীমান্তরক্ষী বাহিনীর সদস্যরা গুলিবর্ষণ করার পর তিনি নিখোঁজ হন। ঘটনার পর থেকে বিজিবি সদস্য নায়েক সুবেদার মিজানের ব্যবহৃত এলএমজি রাইফেল ও ১২০ রাউন্ড গুলিও খুঁজে পাওয়া যাচ্ছে না। তাকে মিয়ানমারে নিয়ে যাওয়া হয়েছে বলে দাবি বিজিবির। এ ঘটনার পর নাইক্ষ্যংছড়ি থানায় একটি সাধারণ ডাইরি করা হয়েছে।



Disclaimer:

This post might be introduced by another website. If this replication violates copyright policy in any way without attribution of its original copyright owner, please make a complain immediately to this site admin through Contact.

মেসি চরম ইর্ষা করেন ম্যারাডোনাকে




বিশ্বকাপ দুয়ারে। এখানেও একই বিতর্ক কে বিশ্বের সেরা। তবে আর্জেন্টাইন অধিনায়ক লিওলেন মেসির নজর বিশ্বকাপ ট্রফি জয়ে। তিনি এবার বিশ্বকাপ জিততে বদ্ধপরিকর।মেসি বলেছেন, ‘আন্তর্জাতিক পর্যায়ে ডিয়েগো ম্যারাডোনা, পেলে এবং ফ্রাঞ্জ বেকেনবাওয়যারের সাফল্যে আমার ঈর্ষা হয়।’ মেসির এই ঈর্ষার কারণও অযৌক্তিক নয়। নিজে গ্রেট ম্যারাডোনার ১০ নম্বর জার্সি গায়ে চড়িয়ে খেলেন ক্লাব ও জাতীয় দলে। চার চারবার ফিফা ব্যালন ডি’অর জিতেছেন। বড় ধরনের ২১টি টাইটেল ট্রফি শোভা বৃদ্ধি করছে তার শোকেসের। গড়েছেন গোলের একাধিক বিশ্ব রেকর্ড।এরপরও ২৬ বছর বয়সী বার্সেলোনার এই স্ট্রাইকারের কোথায় যেন অতৃপ্তি! কেউ না বললেও স্পষ্ট, দেশের হয়ে বিশ্বকাপ না জেতা। আর এটিতেই তার এবং ম্যারাডোনার ব্যবধান।

আর এজন্য এবারের বিশ্বকাপ ট্রফিটি নিজের শোকেসে নিতে মেসি কঠোর পরিশ্রম করছেন। তিনি মনে করেন, আগামী জুনে শুরু হতে যাওয়া বিশ্বকাপ ফুটবলের ফাইনালে খেলবে তার দল আর্জেন্টিনা। ম্যারাডোনা, পেলে এবং বেকেনবাওয়ারের হাতে বিশ্বের সবচেয়ে দামী ট্রফি দেখার পর কেমন লাগে- ইএসপিএন’র এমন প্রশ্নে মেসি বলেন, ‘আমি ঈর্ষান্বিত হয়ে পড়ি। এটি সুস্থ ঈর্ষা। আমি তার (ম্যারাডোনা) অবস্থান কিনে নিতে চাই।’ তিনি বিশ্বকাপ না জেতার কষ্টেরও বর্ণনা দেন। কারণ গত বিশ্বকাপে ম্যারাডোনার অধীনে মেসিরা অংশ নেন। তিনি বলেন, ‘আমি যতবারই বিশ্বসেরা হই না কেন তাতে মানুষের ধারণার কিছু যায় আসবে না। সবার কাছে সেরা হতে হলে আমাকে বিশ্বকাপ জিততেই হবে।’

বার্সেলোনা স্ট্রাইকার বলেন, ‘২০০৬ থেকে ২০১০ সাল পর্যন্ত অনেক কিছু শিখেছি। ভাল-খারাপ সব অভিজ্ঞতা পেয়েছি, যা আমাকে একজন ভাল মানুষ এবং পেশাদার ফুটবলার হতে সাহায্য করেছে।’তিনি আরও বলেন, ‘আমিই আমার সেরা সমালোচক। আমি সব সময় ভাল কিছু করতে চাই। অনেক কিছু করতে এবং বলতে চাই।’ মেসি বলেন, ‘আমার ফুটবল খেলার পেছনে একটিই কারণ ছোট্ট থেকে আমি ফুটবলকে উপভোগ করি। এখনও আমি সব সময় সেটিই করে চলেছি।’ তিনি বলেন, ‘আমি সব সময় বলি, খেলা করে দীর্ঘসময় মজা পাওয়া না গেলে এবং উপভোগ্য না হলে কিছুই করা যাবে না। আমি ফুটবলই খেলি। কারণ আমি ফুটবলকে ভালবাসি, এটি ঘিরেই আমার সবকিছু। যেমনটি নেইমার, ইনিয়েস্তা, জাভি, ক্রিশ্চিয়ানো রোনালদো, রিবেরি এবং রবেনরাও করছেন।’





Disclaimer:

This post might be introduced by another website. If this replication violates copyright policy in any way without attribution of its original copyright owner, please make a complain immediately to this site admin through Contact.

আপনার সুটকেস যখন আপনার স্কুটার






চীনের এক ব্যক্তি তার সুটকেসটিকে ব্যাটারি চালিত স্কুটারে পরিণত করেছেন। ফলে সুটকেসটি এখন শুধু তার প্রয়োজনীয় মালামালই বহন করছে না, তাকে নিয়ে যাচ্ছে গন্তব্যে।  হে লিয়াংকাই নামের ওই ব্যক্তি বাস করেন চীনের হিউনান প্রদেশে। তিনি এ গাড়িটি নিয়ে চাংষা রেল স্টেশনে উপস্থিত হন এবং জনগণকে তার আবিস্কার সম্পর্কে অবহিত করেন। এরপর তিনি সেটিতে চেপে সেখান থেকে কয়েক কিলোমিটার দূরে তার বাসায় চলে যান।

তার এ সুটকেস স্কুটারটির ওজন সাত কেজি এবং সেটি দু’জন লোককে বহন করতে সক্ষম।  এটা ঘণ্টায় ২০ কিলোমিটার পর্যন্ত গতিতে একটানা ৫০-৬০ কিমি পর্যন্ত চলাচল করতে পারে।
আরো অবাক করা ব্যাপার হচ্ছে, এটাতে জিপিএস নেভিগেশন সুবিধা আছে এবং চুরি টেকাতে বার্গলার অ্যালার্মও সংযুক্ত করা হয়েছে। তবে এটা যেহেতু ব্যাটারি চালিত তাই চার্জের প্রয়োজন হয়।

পেশায় কৃষক হে জানান এই সুটকেস স্কুটারটি আবিষ্কার করতে তার ১০ বছর সময় লেগেছে। তার এ আবিষ্কারের স্বীকৃতি হিসেবে তিনি  ১৯৯৯ সালে যুক্তরাষ্ট্রের একটি সংগঠন থেকে পুরস্কারও পেয়েছেন।


Disclaimer:

This post might be introduced by another website. If this replication violates copyright policy in any way without attribution of its original copyright owner, please make a complain immediately to this site admin through Contact.

কসোভো প্রধানমন্ত্রীর প্রতিশ্রুতি : হিজাব নিষেধাজ্ঞা প্রত্যাহারের




ফের নির্বাচিত হলে হিজাবের ওপর থেকে নিষেধাজ্ঞা প্রত্যাহার করে নেয়ার প্রতিশ্রুতি দিয়েছেন কসোভোর প্রধানমন্ত্রী হাশিম থাচি। আগামী ৮ জুন দেশটিতে অনুষ্ঠিত আগাম নির্বাচন ঘিরে এক প্রচারণা অনুষ্ঠানে তিনি এই প্রতিশ্রুতি দেন।

মুসলিম সংখ্যারিষ্ঠ দেশ হলেও কসোভোয় সরকারিভাবে হিজাবের ওপর নিষেধাজ্ঞা রয়েছে। এর ফলে ধর্মীয় অনুশাসন পালনে অভ্যস্ত অনেক মুসলিম ছাত্রীর পড়াশোনায় ব্যাঘাত সৃষ্টি হয়। একইসঙ্গে নির্বাচিত হলে দুই লাখ কর্মসংস্থান সৃষ্টিরও প্রতিশ্রুতি দিয়েছেন থাচি।কসোভোর সংসদ নির্বাচনে ১২০ আসনের বিপরীতে অন্তত ৩০টি দল অংশ নিচ্ছে। দলগুলো এককভাবে প্রতিদ্বন্দ্বিতার পাশাপাশি জোটগতভাবেও নির্বাচনে অংশ নিচ্ছে।




Disclaimer:

This post might be introduced by another website. If this replication violates copyright policy in any way without attribution of its original copyright owner, please make a complain immediately to this site admin through Contact.

বৈশিষ্ট্যযুক্ত পোস্ট

IBN SINA