নানগাগবাকে প্রেসিডেন্ট ঘোষণা সেনাবাহিনীর,জিম্বাবুয়ের প্রেসিডেন্ট মুগাবে আটক
জিম্বাবুয়ের প্রেসিডেন্ট রবার্ট বুগাবে ও তার স্ত্রী গ্রেসকে আটক করেছে সেনাবাহিনী। একই সঙ্গে দেশটির অন্তর্বর্তী প্রেসিডেন্ট হিসেবে দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে সম্প্রতি বহিষ্কৃত ভাইস প্রেসিডেন্ট এমারসন নানগাগবাকে।
রাষ্ট্রের নিয়ন্ত্রণ সেনাবাহিনী নেওয়ার কিছু সময় পর এই খবর এলো। ক্ষমতাসীন জিম্বাবুয়ে আফ্রিকান ন্যাশনাল ইউনিয়ন-প্যাট্রিয়টিক ফ্রন্টের (জানু-পিএফ) টুইটার অ্যাকাউন্টে আজ বুধবার দুপুরে এ কথা বলা হয়েছে। সেই অ্যাকাউন্টটির বরাত দিয়ে আন্তর্জাতিক সংবাদমাধ্যম এ খবর দিচ্ছে।
এদিকে ৩৭ বছর ধরে ক্ষমতায় থাকা জিম্বাবুয়ের প্রেসিডেন্ট মুগাবের ভাগ্যে কী ঘটতে যাচ্ছে, তা নিয়ে কোনো শব্দ উচ্চারণ করেনি সেনারা। সরকারের পক্ষ থেকেও এ নিয়ে আনুষ্ঠানিক কোনো বক্তব্য দেওয়া হয়নি। এর আগে জিম্বাবুয়ের রাষ্ট্রীয় টেলিভিশন জিম্বাবুয়ে ব্রডকাস্টিং করপোরেশন (জেডবিসি) দেশটির সেনা সদস্যরা দখলে নিয়েছে বলে বার্তা সংস্থা রয়টার্সের খবরে বলা হয়েছে।
খবরে আরো বলা হয়, জেডএএনইউ-পিএফ পার্টিতে মিত্রদের আকস্মিক অপসারণের বিষয়ে মঙ্গলবার হস্তক্ষেপের হুমকি দেন সেনাপ্রধান জেনারেল কনস্টান্টিনো চিওয়েঙ্গা। এর ২৪ ঘণ্টা পরই রাজধানীর প্রধান সড়কগুলোতে সেনাদের সাঁজোয়া যান চলতে দেখা যায়। এদিকে ওই হুমকির মাত্র দুই ঘণ্টা পর সেনারা জেডবিসির দখল নিয়ে কর্মীদের কর্মস্থল ছাড়ার নির্দেশ দেয়।
ওই সময় কয়েকজনকে হেনস্তা করা হয় বলে রয়টার্সকে জানান টেলিভিশনের দুজন কর্মী ও এক মানবাধিকারকর্মী।
সমকামিতার বিরোধিতা করে মার্কিন নিষেধাজ্ঞার কবলে উগান্ডা!
উগান্ডার সরকার সমকামিতাবিরোধী আইন পাস
করার কারণে দেশটির বিরুদ্ধে নিষেধাজ্ঞা আরোপ করেছে আমেরিকা। ওয়াশিংটন দাবি
করেছে- সমকামিতাকে বৈধতা না দিয়ে মানবাধিকার লংঘন করেছে উগান্ডা।
এ কারণে উগান্ডার কয়েক জন শীর্ষস্থানীয়
কর্মকর্তার বিরুদ্ধে ভ্রমণ নিষেধাজ্ঞা আরোপ করেছে মার্কিন পররাষ্ট্র
মন্ত্রণালয়। এ নিষেধাজ্ঞার কারণে ওই সব কর্মকর্তা আমেরিকায় ঢুকতে পারবে না।
উগান্ডার সঙ্গে যৌথ সামরিক মহড়াও বাতিল করে দিয়েছে ওয়াশিংটন। যৌথ
প্রকল্পগুলোতেও আর অর্থায়ন করবে না মার্কিন কর্তৃপক্ষ।
তবে আমেরিকার নিষেধাজ্ঞা সত্ত্বেও তাদের
সিদ্ধান্তে অটল থাকার ঘোষণা দিয়েছে উগান্ডার সরকার। দেশটির সরকারের
মুখপাত্র অফউনু অপোন্ডো বলেছেন, “উগান্ডা হচ্ছে একটি স্বাধীন-স্বার্বভৌম
দেশ। হুমকি-ধমকি এমনকি অর্থনৈতিক সাহায্য বন্ধ করে দেয়া হলেও জাতীয়
স্বার্থে নেয়া সিদ্ধান্তে পরিবর্তন আনবে না তার দেশ।”
উগান্ডা সমকামিতাকে অপরাধ হিসেবে গণ্য করে
আইন পাস করেছে। এ আইনে সমকামীদেরকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দেয়ার কথা বলা
হয়েছে। পবিত্র কুরআনে এসেছে- সৃষ্টিকর্তা মহান আল্লাহ এর আগে সমকামিতার
অপরাধে লুত (আ.)-র সম্প্রদায়কে ধ্বংস করে দিয়েছিলেন। ইরানে সমকামিতার
সর্বোচ্চ শাস্তি হচ্ছে মৃত্যুদণ্ড।
Disclaimer:
This post might be introduced by another website. If this replication violates copyright policy in any way without attribution of its original copyright owner, please make a complain immediately to this site admin through Contact.
নাইজেরিয়ায় আবার ২০ নারী অপহৃত, বোকো হারামের ৫০ জঙ্গিকে হত্যা
নাইজেরিয়ার নিষিদ্ধঘোষিত জঙ্গি সংগঠন বোকো হারাম আবারো ২০ নারীকে অপহরণ করেছে।
সরকারি সূত্রের বরাত দিয়ে ইরানের প্রেস
টিভি জানিয়েছে, সোমবার দেশটির উত্তর-পূর্বাঞ্চলীয় শহর চিবকের কাছে একটি
গ্রাম থেকে এসব অপহরণ করা হয়।
জঙ্গি তৎপরতা বিরোধী টাস্কফোর্সের চিবক
শাখার প্রধান আদু ইব্রাহিম জানান, সোমবার ভোরে গুরকিন ফুলানি গ্রামে
মানুষ যখন সাপ্তাহিক বাজারের প্রস্তুতি নিয়ে ব্যস্ত ঠিক তখনই জঙ্গিরা
সেখানে হামলা চালায়। তারা অস্ত্রের মুখে গ্রামের ২০ জন তরুণীকে একটি ট্রাকে
করে নিয়ে যায়। এ সময় স্থানীয় ৩ পুরুষ জঙ্গিদের বাধা দিতে চেষ্টা করলে
তাদেরও নারীদের সঙ্গে নিয়ে যাওয়া হয়।
এর আগে গত ১৫ এপ্রিল একই এলাকা থেকেই
বোকো হারাম জঙ্গিরা প্রায় তিন শ' ছাত্রী ও তরুণীকে অপহরণ করে নিয়ে যায়। এ
নিয়ে বিশ্বজুড়ে তুমুল প্রতিক্রিয়া ও নিন্দার ঝড় ওঠে।
এদিকে,গতকাল দেশটির উত্তর-পূর্ব প্রদেশ বরনোতে সেনাবাহিনী অভিযান চালিয়ে বোকো হারামের ৫০ সদস্যকে হত্যা করেছে।
নাইজেরিয়ার সেনা মুখপাত্র ক্রিস
ওলুকোলেড সংবাদমাধ্যমকে জানান, সেনা অভিযানে সন্ত্রাসীদের তীব্র
বন্দুকযুদ্ধ হয়েছে। এতে ৫০ জন সন্ত্রাসী নিহত হয়েছে। সেই সঙ্গে তাদের কাছ
থেকে ৩০টি রাইফেল, ৩৬টি হ্যান্ড গ্রেনেড, সাতটি মেশিন গান ও ১১টি রকেটচালিত
গ্রেনেড উদ্ধার করা হয়েছে। এ অভিযানে চারজন সেনাসদস্য আহত হয়েছেন বলে তিনি
জানান।
২০০৯ সাল থেকে বোকো হারাম নামে
ইসলামী জঙ্গি সংগঠন নাইজেরিয়ায় নিরাপত্তা হুমকি সৃষ্টি করেছে। গত এক বছরে
নিষিদ্ধ ঘোষিত সন্ত্রাসী সংগঠন বোকো হারামের হাতে নিহত হয়েছে তিন হাজারের
বেশি মানুষ। গত বছরের মে মাস থেকে চলতি বছরের মার্চ পর্যন্ত এসব মানুষ নিহত
হয়েছে।
নরওয়ে উদ্বাস্তু পরিষদ পরিচালিত ‘দ্যা
ইন্টারনাল ডিসপ্লেসমেন্ট মনিটরিং সেন্টার বা আইডিএমসি’র এক রিপোর্টে এ তথ্য
দেয়া হয়েছে। সংস্থাটি বলেছে, গত মে মাসে নাইজেরিয়ার উত্তর-পূর্বাঞ্চলে
রাষ্ট্রীয় জরুরি অবস্থা ঘোষণার আগ পর্যন্ত এসব হত্যাকাণ্ড হয়েছে।
আইডিএমসি বলেছে, ওই সময়ে অন্তত আড়াই লাখ
মানুষ ঘর-বাড়ি ছাড়া হয়েছে। এছাড়া, বোকো হারাম ও কয়েকটি উগ্রবাদী সংগঠনের
তৎপরতার কারণে এ পর্যন্ত উদ্বাস্ত হয়েছে ৩৩ লাখ মানুষ। নরওয়েভিত্তিক এ
সংস্থাটি আরো বলেছে, সন্ত্রাস-বিরোধী অভিযান ও রাষ্ট্রীয় জরুরি অবস্থা বলবৎ
থাকার পরও তাকফিরি সন্ত্রাসীরা তাদের হামলা জোরদার করেছে। এছাড়া, দিন দিন
পুরো পশ্চিম আফ্রিকা ঝুঁকির মুখে চলে যাচ্ছে বলে সতর্ক করেছে আইডিএমসি।
সুত্র : (রেডিও তেহরান)
Disclaimer:
This post might be introduced by another website. If this replication violates copyright policy in any way without attribution of its original copyright owner, please make a complain immediately to this site admin through Contact.
গাদ্দাফিকে উৎখাত করেছে সিআইএ, হাফতার তাদের এজেন্ট
![]() |
| জেনারেল খলিফা হাফতার |
লিবিয়ার সাবেক স্বৈরশাসক মুয়াম্মার
গাদ্দাফির উৎখাতে পেছনে তৎপর ছিল মার্কিন কেন্দ্রীয় গোয়েন্দা সংস্থা সিআইএ
এবং লিবিয়ার জেনারেল খলিফা হাফতার সিআইএ’র এজেন্ট।
ইরানের ইংরেজি নিউজ চ্যানেল প্রেস টিভিকে
দেয়া সাক্ষাৎকারে এ সব কথা বলেছেন স্টপইমপেরিয়ালিজম ডটকম নামের ওয়েব সাইটের
প্রতিষ্ঠাতা এবং রাজনৈতিক বিশ্লেষক এরিখ ড্রেইটসার।
ফোনে দেয়া এ
সাক্ষাৎকারে এরিখ ড্রেইটসার আরো বলেন, "লিবিয়ার অপারেশনে গোড়া থেকেই জড়িত
ছিল সিআইএ। সত্যি বলতে কী, মার্কিন সাবেক প্রেসিডেন্ট রিগ্যানের আমল থেকেই
সিআইএ লিবিয়ায় তৎপর রয়েছে।" এর কারণ তুলে ধরতে যেয়ে তিনি বলেন, ১৯৮০-এর
দশকে সিআইএ’কে দিয়ে গাদ্দাফিকে উৎখাতের অনেকবার চেষ্টা করেছে রিগ্যান
প্রশাসন।
ড্রেইটসার জানান, এ সব তৎপরতার সময়ে লিবিয়ায় গোপন
নেটওয়ার্ক স্থাপন করে এবং সে সময়কার সিআইএ’র একজন প্রধান এজেন্ট হলেন
জেনারেল হাফতার। তিনিই এখন বেনগাজি শহরে লিবিয়ার ন্যাশনাল আর্মির নেতৃত্ব
দিচ্ছেন।
তিনি বলেন, গাদ্দাফির আমলে সেনাপ্রধানের দায়িত্ব পালন
করেছেন হাফতার। হাফতার প্রায় দুই দশক আমেরিকায় কাটিয়েছেন এবং মার্কিন
নাগরিকত্ব গ্রহণ করেছেন। এরিখ ড্রেইটসার জানান, ২০১১ সালে অস্থিতিশীলতা
চলাকালে লিবিয়ায় তিনি ফিরে আসেন এবং সে সময়ে গাদ্দাফির লিবিয় আরব জমহুরি
সরকারকে উৎখাত করা হয়। তিনি জানান, আমেরিকা ও ন্যাটো যখন লিবিয়ার বোমা
হামলা চালাচ্ছিল ঠিক সে মুহূর্তে নিজ এজেন্টকে লিবিয়ায় ফিরিয়ে আনে সিআইএ।
ড্রেইটসার আরো জানান, বেনগাজির কোনো কোনো
তথাকথিত সন্ত্রাসীগোষ্ঠীর সঙ্গে সিআইএ’র ঘনিষ্ঠ যোগাযোগ রয়েছে। এ সব
গোষ্ঠীরই একটি ২০১২ সালের ১১ সেপ্টেম্বর বেনগাজির তথাকথিত মার্কিন
রাষ্ট্রদূত ক্রিস্টোফর স্টিভেন্সের বাসভবনে হামলা করেছিল। ড্রেইটসার বলেন,
কার্যত এ বাসভবন ছিল সিআইএ’র কার্যালয় এবং এখান থেকে সিরিয়ার প্রেসিডেন্ট
বাশার আল-আসাদের বিরুদ্ধে যুদ্ধের জন্য লোকবল, অর্থ এবং অস্ত্র পাঠানোর
কাছে লিপ্ত ছিলেন রাষ্ট্রদূত স্টিভেন্স। কাজেই সিআইএ কেবল গাদ্দাফিকেই
উৎখাত করেনি বরং নিজের লোকদের বিরুদ্ধেও হামলা করেছে বলে জানান এরিখ
ড্রেইটসার।
সুত্র : রেডিও তেহরান
Disclaimer:
This post might be introduced by another website. If this replication violates copyright policy in any way without attribution of its original copyright owner, please make a complain immediately to this site admin through Contact.
ইয়েমেন উপকূলে জাহাজডুবি: আফ্রিকার ৬০ নাগরিকের মৃত্যু
ইয়েমেনের উপকূলে একটি নৌযান ডুবে আফ্রিকার অন্তত ৬০ জন নাগরিক মারা গেছে। গত সপ্তাহে এ ঘটনা ঘটেছে বলে জানিয়েছে জাতিসংঘ।
জাতিসংঘ উদ্বাস্তু বিষয়ক হাই কমিশনারের
মুখপাত্র আড্রিয়ান এডওয়ার্ড জেনেভায় এক সংবাদ ব্রিফিংয়ে জানিয়েছেন, গত
শনিবার ইথিওপিয়া ও সোমালিয়ার এসব নাগরিক লোহিত সাগর পাড়ি দিয়ে এডেন উপসাগরে
ঢোকার পর উপূকূলবর্তী এলাকায় মারা যায়। তাদের সঙ্গে ইয়েমেনের দুই নাবিকও
মারা গেছেন।
চলতি বছর আফ্রিকা থেকে ইয়েমেনে আসা
অভিবাসী মৃত্যুর এটাই সবচেয়ে একক বড় ঘটনা। এসব হতভাগ্য অভিবাসী লোহিত সাগর
থেকে এডেন উপসাগর হয়ে ইয়েমেনে আশ্রয়ের জন্য যাচ্ছিল। বাব আল-মান্দেব উপকূলে
ভেসে আসা লাশ নিয়ে স্থানীয় লোকজন দাফন করেছে বলে জানান আড্রিয়ান এডওয়ার্ড।
তবে, কোথা থেকে নৌযানটি যাত্রা করেছিল সে সম্পর্কে কোনো সুনির্দিষ্ট তথ্য
দিতে পারেন নি জাতিসংঘের এ কর্মকর্তা।
ইয়েমেনে জাতিসংঘ উদ্বাস্তু বিষয়ক এক
কর্মকর্তা বলেছেন, দুর্যোগপূর্ণ আবহাওয়ার বলে পড়ে এসব লোক মারা গেছে এবং
এদের বেশিরভাগই ইথিওপিয়ার অধিবাসী। জাতিসংঘের হিসাব অনুযায়ী, চলতি বছর
ইয়েমেনে আশ্রয়প্রার্থী প্রায় ১২৫ জন মারা গেছে।
সুত্র : (রেডিও তেহরান)
Disclaimer:
This post might be introduced by another website. If this replication violates copyright policy in any way without attribution of its original copyright owner, please make a complain immediately to this site admin through Contact.
সোমালিয়ার পার্লামেন্ট ভবনে হামলা: নিহত ১০
সোমালিয়ার পার্লামেন্ট ভবনে সশস্ত্র
ব্যক্তিদের হামলায় অন্তত ১০ ব্যক্তি নিহত হয়েছে। আজ (রোববার) রাজধানী
মোগাদিশুতে অবস্থিত পার্লামেন্ট ভবনের বাইরে পরপর দু’টি শক্তিশালী বোমা
হামলা চালানোর পর সন্ত্রাসীরা ভবনটিতে ঢুকে পড়ার চেষ্টা করে।
হামলার সময় কঠোর নিরাপত্তা বেষ্টিত
পার্লামেন্টে সংসদ অধিবেশন চলছিল। নিরাপত্তারক্ষীরা সন্ত্রাসীদের প্রতিহত
করতে গেলে দু’পক্ষের মধ্যে তীব্র বন্দুকযুদ্ধ হয়। সংঘর্ষে অন্তত চার
নিরাপত্তা কর্মী ও ছয়জন বন্দুকধারী নিহত হয়। আহত হন দু’জন সংসদ সদস্যসহ
সাতজন।
আন্তর্জাতিক সন্ত্রাসী নেটওয়ার্ক
আল-কায়েদার সঙ্গে সংশ্লিষ্ট আশ-শাবাব এ হামলার দায়িত্ব স্বীকার করেছে। এর
আগেও আশ-শাবাব গোষ্ঠী মোগাদিশুর প্রধান আদালত কমপ্লেক্স ও প্রেসিডেন্ট
প্রাসাদে একই ধরনের হামলা চালিয়েছে। সোমালিয়ার বর্তমান সরকারকে উৎখাতের
চেষ্টা করছে আশ-শাবাব।
২৪ মে (রেডিও তেহরান)
Disclaimer:
This post might be introduced by another website. If this replication violates copyright policy in any way without attribution of its original copyright owner, please make a complain immediately to this site admin through Contact.
বোকো হারামের ওপর নিষেধাজ্ঞা আরোপ
নাইজেরিয়ার সশস্ত্র সন্ত্রাসী গোষ্ঠী বোকো হারামের ওপর নিষেধাজ্ঞা আরোপ করেছে জাতিসংঘ নিরাপত্তা পরিষদ। এ গোষ্ঠী নাইজেরিয়ার দুই শতাধিক স্কুল ছাত্রীকে অহরণ করার পাঁচ সপ্তাহ পর এ নিষেধাজ্ঞা আরোপ করা হলো।এর ফলে আন্তর্জাতিক সন্ত্রাসী নেটওয়ার্ক আল-কায়েদার সঙ্গে জড়িত এ গোষ্ঠীর বিরুদ্ধে অস্ত্র নিষেধাজ্ঞা আরোপের পথ সুগম হলো। নাইজেরিয়ার আহ্বানে জাতিসংঘ নিরাপত্তা পরিষদ এ প্রস্তাব অনুমোদন করেছে।
অবশ্য কাগজে কলমে যাই বলা হোক না কেনো বাস্তব ক্ষেত্রে তা কতোটা কার্যকর হবে সে বিষয়ে এরই মধ্যে প্রশ্ন তুলেছেন অনেক বিশ্লেষক।
জাতিসংঘের নথিতে বলা হয়েছে, আল-কায়েদার সঙ্গে জড়িত গোষ্ঠীগুলোর কাছ থেকে প্রশিক্ষণ নিয়েছে বোকো হারাম। এ ছাড়া, মালিতে আল-কায়েদার সদস্যদের সঙ্গে লড়াইও করেছে এ গোষ্ঠীর সদস্যরা।
২০০৯ সাল থেকে নাইজেরিয়ার সরকার পতনের লক্ষ্যে বোকো হারাম লড়াই চালিয়ে যাচ্ছে। বোমা হামলাসহ সহিংস তৎপরতার মাধ্যমে তারা এ পর্যন্ত দেশটির হাজার হাজার নাগরিককে হত্যা করেছে। এক বছর আগে নাইজেরিয়ার সরকার ব্যাপক অভিযানের ঘোষণা দিলেও বোকো হারামের হামলা প্রতিহত করতে ব্যর্থ হয়। এ বিষয়টি নাইজেরিয়ার জনগণকে ক্ষুব্ধ করে তুলেছে।
(রেডিও তেহরান/সমর/এমআই/২৩)
Disclaimer:
This post might be introduced by another website. If this replication violates copyright policy in any way without attribution of its original copyright owner, please make a complain immediately to this site admin through Contact.
নাইজেরিয়ায় বোমা বিস্ফোরণে নিহত ১১৮; বোকো হারামকে সন্দেহ
নাইজেরিয়ার একটি বাস টার্মিনালে ভয়াবহ জোড়া বোমা বিস্ফোরণে অন্তত ১১৮ জন নিহত হয়েছে।
নাইজেরিয়ার মধ্যাঞ্চলীয় জশ শহরে কয়েক
মিনিটের ব্যবধানে বোমা দু টির বিস্ফোরণ ঘটে। কোনো গোষ্ঠী এ হামলার দায়িত্ব
স্বীকার করেনি তবে সরকারি কর্মকর্তা ও প্রত্যক্ষদর্শীরা তাকফিরি গোষ্ঠী
বোকো হারামকে দায়ী করেছেন।
হামলার পর প্রেসিডেন্ট জনাথন গুডলাক
বলেছেন, সন্ত্রাসীদের বিরুদ্ধে এ যুদ্ধে বিজয়ী হতে সরকার সম্পূর্ণভাবে
প্রতিশ্রুতিবদ্ধ এবং মানব উন্নয়ন ও সভ্যতার শত্রুদের এসব নারকীয় কর্মকাণ্ডে
সরকার ভীত হবে না।
একটি ট্রাক থেকে প্রথম বিস্ফোরণটি ঘটেছে
স্থানীয় সময় মঙ্গলবার বিকেল ৩টার দিকে। এর ২০ মিনিট পর সেখানে দ্বিতীয়
বিস্ফোরণ ঘটে; সে সময় বিস্ফোরণস্থলে উদ্ধার তৎপরতা চলছিল। প্রত্যক্ষদর্শীরা
বলছেন, দ্বিতীয় বিস্ফোরণে বেশ কয়েকজন উদ্ধারকর্মী নিহত হয়েছেন। প্রাদেশিক
গভর্নরের মুখপাত্র পাম আইয়ুবা জানিয়েছেন, নিহতদের বেশিরভাগই নারী ও শিশু
যাদের অনেকেই এত বেশি পুড়ে গেছে যে, শনাক্ত করা কঠিন হয়ে পড়ছে।
২১ মে (রেডিও তেহরান)
Disclaimer:
This post might be introduced by another website. If this replication violates copyright policy in any way without attribution of its original copyright owner, please make a complain immediately to this site admin through Contact.
লিবিয়ার বেনগাজির শহরের আকাশে বিমান উড্ডয়ন নিষিদ্ধ করল সেনাবাহিনী
লিবিয়ার সেনাবাহিনী দেশটির পূর্বাঞ্চলীয়
বেনগাজি শহরের আকাশে বিমান উড্ডয়ন নিষিদ্ধ করেছে। মেজর জেনারেল খলিফা
হাফতার নামের এক সেনা কর্মকর্তা সেখানে দু’টি সশস্ত্র গোষ্ঠীর বিরুদ্ধে
অভিযান চালানোর পর এই ঘোষণা দেয়া হলো।
এ অভিযানে খলিফা হাফতার সরকারি জঙ্গিবিমান
ও সেনা ব্যবহার করছেন। প্রচণ্ড সংঘর্ষে এ পর্যন্ত ৭৯ জন নিহত এবং ১৪১ জন
আহত হয়েছে বলে লিবিয়া এক স্বাস্থ্য কর্মকর্তা জানিয়েছেন।
হাফতার
অভ্যুত্থানের চেষ্টা করছেন বলে এর আগে লিবিয়া সরকার অভিযোগ করেছে। এ
সত্ত্বেও সেনা অভিযান চালিয়ে যাওয়া হবে বলে দাবি করেছেন হাফতার। তিনি
লিবিয়ার আল-ওয়াতন টেলিভিশনকে বলেন, বেনগাজি সন্ত্রাসীমুক্ত না হওয়া পর্যন্ত
অভিযান চলবে।
২০১১ সালে গণঅভ্যুত্থান শুরুর পর লিবিয়ার সাবেক
স্বৈরশাসক কর্নেল গাদ্দাফির সেনাদল ত্যাগ করে বিদ্রোহী বাহিনীর দায়িত্ব
নিয়েছিলেন হাফতার। বর্তমানে ন্যাশনাল আর্মি নামের একটি গোষ্ঠীর নেতৃত্ব
দিচ্ছেন তিনি। লিবিয়ায় অনেক সশস্ত্র গোষ্ঠী তৎপর রয়েছে এবং এগুলোর কোনো
কোনোটি দেশটির সেনাবাহিনীর প্রতি অনুগত। অঞ্চল ও শহরের নিয়ন্ত্রণকে কেন্দ্র
করে লিবিয়ার সেনাবাহিনীর মধ্যে চরম বিভক্তি বিরাজ করছে। তৎপরতা চালানোর
ক্ষেত্রে এ সেনাবাহিনী বেশিরভাগ সময়ই কেন্দ্রীয় সরকারের নির্দেশের তোয়াক্কা
করে না।
১৮ মে (রেডিও তেহরান)
Disclaimer:
This post might be introduced by another website. If this replication violates copyright policy in any way without attribution of its original copyright owner, please make a complain immediately to this site admin through Contact.
বসনিয়া ও সার্বিয়ায় শতাব্দীর ভয়াবহ বন্যা
বসনিয়া ও সার্বিয়ায় ১২০ বছরের মধ্যে সবচেয়ে ভারি বৃষ্টি এবং মারাত্মক বন্যা দেখা দিয়েছে। এ পরিপ্রেক্ষিতে দেশ দুইটির অংশবিশেষে জরুরি অবস্থা ঘোষণা করা হয়েছে। বন্যায় এ পর্যন্ত অন্তত ২০ ব্যক্তি নিহত হয়েছে।
নদী-নালার উপচে পড়া পানিতে আশপাশের শহর ও গ্রাম তলিয়ে গেছে এবং ভূমিধসে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে অনেক ঘরবাড়ি।
পানিবন্দি হাজার হাজার মানুষকে উদ্ধারের জন্য সেনাবাহিনীর কয়েকটি হেলিকপ্টার পাঠানো হয়েছে। কিন্তু খারাপ আবহাওয়ার কারণে ত্রাণ তৎপরতায় সমস্যা হচ্ছে।

বন্যাকবলিত অসহায় মানুষ সরকারি সাহায্যের জন্য অপেক্ষা করছেন। কিন্তু ঝড়ো
বাতাস এবং প্রচণ্ড বৃষ্টির কারণে তাদের সময়মত হয়ত সহায়তা দেয়া যাবে না বলে
আশংকা করা হচ্ছে।
একটি উদ্ধারকারী হেলিকপ্টারের পাইলট বলেছেন, খারাপ আবহাওয়ার কারণে উদ্ধার
তৎপরতা স্থগিত রাখতে হয়েছে। আবহাওয়া সত্যিই মারাত্মক খারাপ এবং হেলিকপ্টার
নিয়ে কাজ করা সম্ভব নয়। বন্যায় বসনিয়ার হাজার হাজার বাড়ির বিদ্যুৎ সরবরাহ
বন্ধ হয়ে গেছে।
Disclaimer:
This post might be introduced by another website. If this replication violates copyright policy in any way without attribution of its original copyright owner, please make a complain immediately to this site admin through Contact.
বেনগাজিতে সংঘর্ষে নিহত ২৪: অভ্যুত্থানের প্রচেষ্টা
লিবিয়ার পূর্বাঞ্চলীয় শহর বেনগাজিতে দুইটি সশস্ত্র গোষ্ঠীর মধ্যে প্রচণ্ড সংঘর্ষে অন্তত ২৪ জন নিহত হয়েছে। সরকারি বাহিনী এই সংঘর্ষে জড়িয়ে পড়েছে। লিবিয়ার প্রধানমন্ত্রী আবদুল্লাহ-আত-থিনি সরকারি বাহিনীর এ অভিযানকে বিপ্লবের বিরুদ্ধে অভ্যুত্থান বলে নিন্দা জানিয়েছেন।
এদিকে, বেনগাজির বিমানবন্দর বন্ধ করে দেয়া হয়েছে। সেনাবাহিনীর যে অংশ এ অভিযানে জড়িয়ে পড়েছে তার নিয়ন্ত্রণে রয়েছেন লিবিয় সেনাবাহিনীর সাবেক কর্নেল খালিফা হাফতার। 'রাফাল্লাহ আস-সাহাতি' এবং '১৭ ফেব্রুয়ারি' নামের দু’টি গোষ্ঠীর ঘাঁটি অবরোধ করেছে হাফতারের প্রতি অনুগত সেনারা। প্রত্যক্ষদর্শীরা বলছেন, হামলার কাজে হেলিকপ্টার ও যুদ্ধবিমান ব্যবহৃত হয়েছে।
কিন্তু রাজধানী ত্রিপোলিতে এক সংবাদ সম্মেলনে এ হামলার নিন্দা করেছেন প্রধানমন্ত্রী আবদুল্লাহ। একে তিনি অবৈধ এবং অভ্যুত্থানের চেষ্টা বলে অভিহিত করেন। তিনি বলেন, বেনগাজিতে কোনো সশস্ত্র গোষ্ঠী ঢোকার চেষ্টা করলে তা ঠেকানোর নির্দেশ দিয়েছে ত্রিপোলি সরকার। কোনো সশস্ত্র গোষ্ঠীর আইনগত বৈধতা নেই বলেও জানান তিনি। এ ছাড়া, বিমান বাহিনী যে বোমা বর্ষণ করেছে তাও অবৈধভাবে করা হয়েছে এবং ত্রিপোলি সরকার এ ধরণের কোনো নির্দেশ দেয় নি বলে প্রধানমন্ত্রী জানান।
২০১১ সালে গণঅভ্যুত্থান শুরুর পর কর্নেল গাদ্দাফির সেনাদল ত্যাগ করে বিদ্রোহী বাহিনীর দায়িত্ব নিয়েছিলেন হাফতার। বর্তমানে ন্যাশনাল আর্মি নামের একটি গোষ্ঠীর নেতৃত্ব দিচ্ছেন তিনি। আপাতত বেনগাজিতে অস্বস্তিকর শান্ত অবস্থা বিরাজ করলেও আবারো সেখানে সংঘর্ষ হতে পারে বলে অধিবাসীরা আশংকা করছেন।
লিবিয়ায় অনেক সশস্ত্র গোষ্ঠী তৎপর রয়েছে এবং কোনো কোনোটি দেশটির সেনাবাহিনীর প্রতি অনুগত। অঞ্চল ও শহরকে কেন্দ্র করে লিবিয়ার সেনাবাহিনীর মধ্যে চরম বিভক্তি বিরাজ করছে। তৎপরতা চালানোর ক্ষেত্রে এ সেনাবাহিনী বেশিরভাগ সময়ই কেন্দ্রের নির্দেশের তোয়াক্কা করে না।
এদিকে, সাম্প্রতিক গোলযোগের পরিপ্রেক্ষিতে ত্রিপোলির দূতাবাসের বিরুদ্ধে একটি সশস্ত্র গোষ্ঠীর হুমকিকে কেন্দ্র করে আলজেরিয়া দেশটিতে বিশেষ বাহিনী পাঠিয়েছে। ত্রিপোলির রাষ্ট্রদূত ও দূতাবাস কর্মীদের সামরিক বিমানযোগে সরিয়ে আনার জন্য এ বাহিনী পাঠানো হয়েছে।
(রেডিও তেহরান/সমর/এমআই/১৭)
Disclaimer:
This post might be introduced by another website. If this replication violates copyright policy in any way without attribution of its original copyright owner, please make a complain immediately to this site admin through Contact.
নাইজেরিয়ায় আবার ভয়াবহ বোমা হামলা: নিহত ১৯ আহত ৬০
নাইজেরিয়ার রাজধানী আবুজায় আবার ভয়াবহ গাড়িবোমা হামলা চালিয়েছে সন্ত্রাসীরা। বৃহস্পতিবার রাতে চালানো এ হামলায় অন্তত ১৯ জন নিহত ও অপর ৬০ জনেরও বেশি লোক আহত হয়েছে।
আবুজার নিয়ানিয়া এলাকার একটি গাড়ি পার্কের কাছে এ হামলা চালানো হয়। ওই পার্কে গত ১৪ এপ্রিল চালানো অন্য এক হামলায় অন্তত ৭০ জন নিহত হয়। প্রত্যক্ষদর্শীরা জানিয়েছেন, বৃহস্পতিবারের বোমা হামলা চালানো হয় একটি বাস স্টেশনের নিকটবর্তী একটি পুলিশ চেকপয়েন্টে। তারা বলেন, এক ব্যক্তি এসে গাড়ি থামিয়ে এটি থেকে নেমে যাওয়ার একটু পরেই এটি বিস্ফোরিত হয়।
এখনো কোনো গোষ্ঠী এ হামলার দায়িত্ব স্বীকার করেনি। তবে গতমাসের বোমা হামলার দায়িত্ব স্বীকার করেছিল উগ্র জঙ্গিগোষ্ঠী বোকো হারাম।এ সন্ত্রাসী গোষ্ঠীটির বিচরণক্ষেত্র হচ্ছে নাইজেরিয়ার উত্তর-পূর্বাঞ্চল।
কিন্তু গত ১৪ এপ্রিলের বোমা হামলায় এ আশঙ্কা জোরদার হয় যে, তারা তাদের
তৎপরতার পরিধি বাড়িয়ে রাজধানী পর্যন্ত চলে যেতে সক্ষম হয়েছে।
সম্প্রতি এক ভিডিও বার্তায় বোকো হারামের নেতা আবুবকর শেকাউ বলেন, “আমরা আপনাদের শহরেই আছি কিন্তু আপনারা জানতে পারবেন না আমাদের অবস্থান ঠিক কোন্ জায়গায়।
Disclaimer:
This post is first time introduced by other news website. If this replication violates copyright policy in any way without attribution of its original copyright owner, please make a complain immediately to this site admin through Contact.
নাইজেরিয়ায় সর্বশেষ অপহৃত তরুণীর সংখ্যা ১১: সরকারি কর্মকর্তা
নাইজেরিয়ায় সন্ত্রাসীগোষ্ঠী বোকো হারামের হাতে সর্বশেষ অপহৃত তরুণীদের সংখ্যা বেড়ে ১১-তে দাঁড়িয়েছে। দেশটির উত্তর-পূর্বাঞ্চলীয় বোর্নো প্রদেশের গৌজা এলাকার সরকারি কর্মকর্তা হাম্বা তাডা এ তথ্য জানিয়েছেন।
গত রোববার বন্দুকধারীরা গৌজা এলাকার একটি গ্রাম থেকে এসব তরুণীকে অপহরণ করে। প্রাথমিকভাবে ওই গ্রামের বাসিন্দারা আটটি তরুণীর কথা বললেও পরে জানা গেছে ১১টি তরুণীকে অপহরণ করেছে সন্ত্রাসীরা।
তিনি জানান, ওয়ারাবে গ্রাম থেকে আট তরুণীকে অপহরণের পর বন্দুকধারীরা পাঁচ কিলোমিটার দূরের ওয়ালা গ্রাম থেকে আরো তিন তরুণীকে অপহরণ করে।
সন্ত্রাসীগোষ্ঠী বোকো হারামের নেতা আবুবকর শেকাউ বলেছেন, তার দলের চরমপন্থিরা গত ১৪ এপ্রিল থেকে এ পর্যন্ত ২৭৬টি তরুণীকে অপহরণ করেছে। এসব তরুণীকে এখন বিক্রি করে দেয়ার হুমকি দিচ্ছে বোকা হারাম।
গত পাঁচ বছর ধরে বোর্নো প্রদেশে বোকো হারাম ব্যাপকভাবে তৎপর রয়েছে এবং এ প্রদেশ তাদের স্বর্গরাজ্য হিসেবে পরিচিতি পেয়েছে।
Disclaimer:
This post is first time introduced by other news website. If this replication violates copyright policy in any way without attribution of its original copyright owner, please make a complain immediately to this site admin through Contact.
ভেঙে গেছে দক্ষিণ সুদানের যুদ্ধবিরতি; আবার শুরু সংঘর্ষ শুরু করেছে দু'পক্ষ
ভেঙে গেছে দক্ষিণ সুদানের যুদ্ধবিরতি এবং সরকার ও বিরোধী পক্ষের সেনাদের মধ্যে যুদ্ধ ছড়িয়ে পড়েছে। যুদ্ধবিরতির পর দেশটিতে পাঁচ মাসের গৃহযুদ্ধ অবসানের যে আশা দেখা দিয়েছিল যুদ্ধ বিরতি ভেঙে যাওয়ার ফলে তা ক্ষীণ হয়ে উঠল।
দক্ষিণ সুদানে দ্বিতীয় দিনের মতো সংঘর্ষ অব্যাহত রয়েছে এবং যুদ্ধবিরতি লংঘনের জন্য দু পক্ষ একে অপরকে দায়ী করেছে।
দেশটির প্রতিরক্ষামন্ত্রী কুল মানইয়াং জানিয়েছেন, তেলসমৃদ্ধ আপার নীল প্রদেশে সংঘর্ষ ছড়িয়ে পড়েছে তবে সরকারি সেনাদের আত্মরক্ষার প্রয়োজন ছাড়া সংঘর্ষে না জড়ানোর পরামর্শ দেয়া হয়েছে বলে তিনি জানান। অন্যদিকে বিদ্রোহী গ্রুপ বলেছে, ইউনিট প্রদেশে তাদের অবস্থানে সরকারি সেনারা হামলা করেছে।
গত শুক্রবার প্রেসিডেন্ট সালভা কির এবং বিদ্রোহী নেতা রিয়েক মাচারের মধ্যে যুদ্ধবিরতি বিষয়ে একটি চুক্তি হয় তবে শুরু থেকেই দু পক্ষ পরস্পরকে চুক্তি লংঘনের জন্য অভিযুক্ত করে আসছে।
Disclaimer:
This post is first time introduced by other news website. If this replication violates copyright policy in any way without attribution of its original copyright owner, please make a complain immediately to this site admin through Contact.

























