উন্নত হবে অনলাইনকেন্দ্রিক ব্যবসায় : এ ব্যাপারে কোনো সন্দেহ নেই যে, গত বছর অনলাইন মার্কেট হিসেবে সবচেয়ে জনপ্রিয়তা পেয়েছে অ্যামাজন আর ওয়ালমার্ট। তাদের জনপ্রিয়তার কারণে অন্য কারো নাম সেভাবে উল্লেখ হয়নি সারা বছর। পরিষ্কারভাবে আইবিএমের উন্নত কমার্স ব্যবস্থায় আগের মুদ্রাব্যবস্থা ডিজিটাল সময় অনুযায়ী পরিবর্তিত হচ্ছে। কোম্পানিটি জানিয়েছে আগামী পাঁচ বছরে বাস্তবজীবনে প্রণিধানযোগ্য কম্পিপউটার এবং এলাকা নির্দেশক প্রযুক্তির ব্যবহারের কারণে বিপণনব্যবস্থা আরো উন্নত হয়ে যাবে। ফলে দোকানের পাশ দিয়ে হেঁটে গেলেও দোকানের পণ্যের তালিকা চলে আসবে ব্যক্তির স্মার্টফোনে। আর পরে তা থেকে পছন্দ করে যেকোনো জিনিস কিনতে বা পরীক্ষা করতে দোকানিদের রিকোয়েস্ট পাঠালে তারাই ক্রেতাকে পরবর্তী পদক্ষেপ নিতে সাহায্য করবে।

উন্নত ওষুধ : ১৯৯৯ সালে যুক্তরাষ্ট্রের ফুড অ্যান্ড ড্রাগ অ্যাডমিনিস্ট্রেশনের অনুমতিতে ভিওক্স ওষুধটি বাজারে আসার পর অনেক জনপ্রিয় হয়ে উঠেছিল। কারণ কিছুই না অন্যান্য ওষুধের চেয়ে অনেক বেশি কার্যকর ছিল সেটি আর পাকস্থলীর কোনো ক্ষতি করত না। কিন্তু দুর্ভাগ্যজনকভাবে দেখা যায় ওষুধটি কিছু রোগীর ক্ষেত্রে হার্ট অ্যাটাক এবং স্ট্রোকের জন্য দায়ী। কিন্তু যদি আগে থেকেই ওষুধের সব পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া সম্পর্কে জেনে নেয়া হয় তাহলে এ ধরনের ঘটনা কমে যাবে অনেকখানি। আইবিএমের মতে, আগামী পাঁচ বছরের মধ্যে চিকিৎসকেরা এক দিনেই ব্যক্তির ডিএনএ পরীক্ষা করে সে সমস্যার সমাধান করে দিতে পারবে। ফলে ডিএনএর ওপর ভিত্তি করে পরীক্ষা করায় সহজেই পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া ছাড়া রোগীর চিকিৎসা সম্ভব হবে।

উন্নত সুরক্ষাব্যবস্থা : এখন থেকে আর অন্যের ব্যবহারের কারণে নিজের ক্রেডিট কার্ডের ব্যালেন্স ফুরিয়ে যাবে না। আগে অনেক ক্ষেত্রে ব্যবহারের কারণে অন্য ব্যবহারকারীর সাথে নির্দিষ্ট ব্যক্তির ব্যালেন্স নিয়ে ভজঘট করে ফেলার সমস্যা সমাধানে অনেকটাই কাজে আসবে আইবিএমের এন্টারপ্রাইজের তথ্য নিরাপত্তা অনুশীলন প্রযুক্তি। এ ক্ষেত্রে আইবিএম ব্যবহারকারীর নির্দিষ্ট ব্যবহারকেই গুরুত্ব দেবে। ফলে সবার সাথে মিলিয়ে না ফেলে নির্দিষ্ট কিছু ব্যবহারের কারণে সহজেই আসল ব্যক্তিকে শনাক্ত করা যাবে।
উন্নত শহর : ১৯৬০ সালে জেন জেকব বলেছিলেন শহর শুধু কিছু মানুষের বাসস্থান নয় বরং নতুন কিছু আবিষ্কারের উৎসস্থল। কিন্তু একই সাথে অনেক মানুষ থাকতে গেলে ট্রাফিক জ্যাম, অপরাধপ্রবণতা বেড়ে যাওয়ার মতো ঝামেলাও বেড়ে যায়। কিন্তু ২০৫০ সালের মধ্যে প্রায় ৭০ শতাংশ মানুষ বাস করবে শহরে; সব ধরনের সুবিধা-অসুবিধাকে সঙ্গী করে। আইবিএমের প্রকল্পিত শহর ব্যবস্থায় এমন সুবিধা আনা হয়েছে যাতে সমস্যা সৃষ্টির আগেই তা সমাধান করা যাবে। যেমনÑ ট্রাফিক জ্যাম শুরুর আগেই সবাই জেনে যাবে কখন, কোথায় ট্রাফিক জ্যাম সৃষ্টি হতে পারে। এতে করে সে পথে না গিয়ে অন্য পথে গন্তব্যে পৌঁছে যাওয়া যাবে।

উন্নত শ্রেণিকক্ষ : অ্যামান্ডা রিপ্লের লেখা দ্য স্মার্টেস্ট কিডস ইন দ্য ওয়ার্ল্ড বইটি বিশ্বের শিক্ষাব্যবস্থাকে নাড়িয়ে দিয়েছে। বইটিতে দেখানো হয়েছে শুধু গুটিকয়েক আমেরিকান শিশুকে প্রযুক্তির ব্যবহার শেখানোর মধ্য দিয়ে কিভাবে আমেরিকা প্রযুক্তিনির্ভরতায় পিছিয়ে পড়ছে। আইবিএমের নিজস্ব উন্নত শিক্ষাব্যবস্থায় কোনো শিশুর নির্দিষ্ট কোনো জায়গায় সমস্যা হলে তা প্রথম দিনেই শিক্ষক বুঝতে পারবেন। আর এতে সেই অনুসারে শিশুটিকে সাহায্যও করতে পারবেন তিনি।

২০১৪ সালে প্রযুক্তি বিশ্বে প্রসার ঘটবে
সোস্যাল সাইটে চাকরি : ফেসবুক, টুইটার, গুগল প্লাসের মতো সাইটগুলো এখন সামাজিক যোগাযোগ ছাড়া আরো বহুমুখী ধারায় ব্যবহৃত হচ্ছে। সামাজিক যোগাযোগ সাইটগুলো দিন দিন চাকরি খোঁজার প্লাটফর্মে পরিণত হচ্ছে। যুক্তরাষ্ট্রভিত্তিক কর্মসংস্থানবিষয়ক পরামর্শদাতা প্রতিষ্ঠান কেলি সার্ভিস তাদের সাম্প্রতিক এক জরিপ প্রতিবেদনে এ তথ্য প্রকাশ করে। চাকরি খোঁজা ও বিজ্ঞাপন প্রচারের জন্য সামাজিক যোগাযোগ সাইটগুলো সংশ্লিষ্টদের কাছে এখন প্রথম পছন্দে পরিণত হচ্ছে। বিশ্বব্যাপী বিপুল পরিমাণ বেকার গ্রাহক এ ধরনের সাইট ব্যবহারের মাধ্যমে চাকরির সন্ধান পেয়েছে। এ কারণে সামাজিক যোগাযোগ সাইটগুলোর প্রতি তাদের আস্থা দিন দিন বৃদ্ধি পাচ্ছে। সাধারণত কোনো প্রতিষ্ঠানের চাকরির খবর জানতে হলে খবরের কাগজ বা প্রতিষ্ঠানটির ওয়েবসাইট দেখতে হয়। সময়মতো খবর না পেলে চাকরিপ্রার্থীদের অনেক কাক্সিক্ষত প্রতিষ্ঠানের চাকরির সুযোগও হাতছাড়া হয়ে যায়। এ কারণে প্রার্থীদের সবসময় খবরের কাগজে চোখ রাখতে হয়। সামাজিক যোগাযোগের প্রসারের কারণে চাকরিপ্রার্থীদের এ ধরনের সমস্যার অনেকটাই দূরীভূত হচ্ছে বলে জানায় কেলি সার্ভিস। প্রতিষ্ঠানটি তাদের ‘সোস্যালাইজিং রিক্রুটমেন্ট’ শীর্ষক জরিপ প্রতিবেদনে জানায়, ‘গত বছর ভারতের ৫৬ শতাংশ চাকরিপ্রার্থী সোস্যাল সাইটগুলোর মাধ্যমে চাকরির খবর পেয়েছে। এর মধ্যে ২৫ শতাংশ সাইটগুলো থেকে প্রাপ্ত তথ্য থেকে চাকরিও পেয়েছে।’ ভারতের পাশাপাশি বিশ্বের আরো অনেক দেশের প্রার্থীরাও চাকরি খুঁজতে সামাজিক যোগাযোগ সাইটগুলো ব্যবহার করছে। সামাজিক যোগাযোগের প্রসারই চাকরিপ্রার্থীদের জন্য আশীর্বাদ হয়ে দেখা দিয়েছে।

শব্দ দিয়ে কম্পিউটার হ্যাক : হ্যাকাররা চাইলে উচ্চ তরঙ্গের শব্দ দিয়ে মাইক্রোফোন-স্পিকারের নিয়ন্ত্রণ নিয়ে নিতে পারে। জার্মানির ফ্রনহফার ইনস্টিটিউট ফর কমিউনিকেশনের গবেষক মাইকেল হ্যানস্পেক ও মাইকেল গোয়েজ সম্প্রতি শব্দ তরঙ্গ দিয়ে কম্পিউটার হ্যাক করে দেখান। তবে এর আগে ‘কভার্ট অ্যাকুয়িস্টিক্যাল নেটওয়ার্কিং’ বলে পরিচিত এ ধরনের হ্যাকিংকে প্রায় অসম্ভব বলে মনে করতেন বিশেষজ্ঞরা। যেসব কম্পিউটারকে ইন্টারনেট থেকে বিচ্ছিন্ন রাখা হয়েছে; সেগুলোই মূলত এ ধরনের আক্রমণের শিকার হতে পারে। ইউএস নেভাল অ্যাকাডেমির সাইবার নিরাপত্তাবিষয়ক অধ্যাপক অবসরপ্রাপ্ত নেভি ক্যাপ্টেন মার্ক হ্যাগারট বলেন, ‘এ সংবাদ শুনে আমরা চমকে গেছি। এক সময় আত্মরক্ষা ও আক্রমণাত্মক অস্ত্র বানাতে বিপুল অর্থ ব্যয় করেছে দেশগুলো। কিন্তু স্বল্প খরচে বানানো এ ধরনের আক্রমণাত্মক সফটওয়্যার ঠেকানোর সাধ্য আপাতত কারো নেই।’ নিজেদের পরীক্ষায় ইন্টারনেট সংযোগবিহীন দু’টি লেনোভো ল্যাপটপ ব্যবহার করেন হ্যানস্পেক ও গোয়েজ। এ দু’টি ল্যাপটপকে ৬৫ ফুট দূরত্বে রেখেছিলেন তারা। শব্দ তরঙ্গ ব্যবহার করে এ দু’টি ল্যাপটপের মধ্যে তথ্য আদান-প্রদানে সক্ষম হন তারা। এ নেটওয়ার্কের মাধ্যমে তথ্য আদান-প্রদানের গতি থাকে অত্যন্ত কম। হ্যানস্পেক জানান, তারা সেকেন্ডে মাত্র ২০ বিট করে তথ্য আদান-প্রদান করতে পেরেছেন। এ গতিতে অডিও কিংবা ভিডিও ফাইল হ্যাক করা হয়তো সম্ভব হবে না, কিন্তু কিবোর্ডের বোতাম চাপা, প্রাইভেট এনক্রিপশন কি কিংবা লগইন তথ্য ঠিকই হাতিয়ে নেয়া যাবে।

বদলে যাবে মোবাইল খাত : সাম্প্রতিক সময়ে মোবাইল অপারেটররা পরবর্তী প্রজন্মের অবকাঠামোর জন্য ব্যাপক হারে বিনিয়োগ করে যাচ্ছে। এর সুবাদে ২০১৪ সালেই মোবাইল ডিভাইস ও নেটওয়ার্ক খাত অনেক বদলে যাবে বলে পূর্বাভাসে জানিয়েছে বাজার গবেষণা ও পরামর্শদাতা প্রতিষ্ঠান ফ্রস্ট অ্যান্ড সুলিভান। অনেক দিন ধরেই মোবাইল বাজার একই বৃত্তে আবর্তিত হচ্ছে বলে অভিযোগ বিশ্লেষকদের। একই সেবা বিভিন্ন আঙ্গিকে গ্রাহকদের মধ্যে পৌঁছে দিচ্ছে সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠানগুলো। কিন্তু সাম্প্রতিক সময়ে এসব প্রতিষ্ঠান মোবাইল জগতে আবর্তনের পরিবর্তে বিবর্তনকেই বেশি প্রাধান্য দিচ্ছে। ফ্রস্ট অ্যান্ড সুলিভানের পূর্বাভাসে জানানো হয়, আগামীতে প্রযুক্তি কোম্পানিগুলোর মধ্যে পেটেন্ট যুদ্ধের হার কমে যাবে। এর কারণ হচ্ছে গুগল, নকিয়া, মাইক্রোসফটের মতো কোম্পানিগুলো সাম্প্রতিক সময়ে বিপুল পরিমাণ প্রযুক্তির পেটেন্ট করেছে। এবার তারা এসব পেটেন্ট বাস্তবায়নে মনোনিবেশ করবে। এ দিকে মেশিন টু মেশিন সেবার পরিমাণও ২০১৪ সালে বৃদ্ধি পাবে।
ইউরোপের মোবাইল নেটওয়ার্ক অপারেটররা তাদের অবকাঠামোগত উন্নয়নের জন্য সাম্প্রতিক সময়ে ব্যাপক বিনিয়োগ করছে। গ্রাহকদের আরো উন্নত সেবা দেয়ার লক্ষ্যে তারা বর্তমান ব্যবস্থায় অনেক পরিবর্তন আনার চেষ্টা করছে। বিশেষ করে বড় বড় প্রতিষ্ঠানগুলোর তথ্যগত সেবার মান উন্নয়নের জন্য সংশ্লিষ্ট প্রযুক্তি কোম্পানিগুলো তাদের সেবার দক্ষতা ও কার্যক্ষমতা বাড়ানোর চেষ্টা করে যাচ্ছে। এর জন্য তারা প্রচলিত ব্যবস্থায় পরিবর্তন এনে আগামী প্রজন্মের সেবা দেয়ার লক্ষ্যে কাজ করছে।

আন্তঃসংযুক্ত প্রযুক্তি : ইন্টারনেট অব থিংসের চাহিদাও গ্রাহকদের কাছে ভবিষ্যতে অনেক বাড়বে। ইন্টারনেট অব থিংস বলতে আন্তঃসংযুক্ত প্রযুক্তি পণ্যগুলোর নেটওয়ার্ককেই বোঝানো হয়। আমাদের চার পাশে একটু খেয়াল করলেই নিরাপত্তা ক্যামেরা, রাউটার, সেন্সর, স্মার্টফোন, ট্যাবলেট, স্মার্ট টেলিভিশনের মতো প্রযুক্তিপণ্য দেখতে পাই। এসব পণ্য অনেকাংশে আবার নিজেদের সাথে যুক্ত থাকে। এ আন্তঃসংযুক্ত পণ্যগুলোর নেটওয়ার্ককেই ইন্টারনেট অব থিংস বলা হয়। পূর্বাভাসে ফ্রস্ট অ্যান্ড সুলিভান জানায়, ২০১৪ সালে তথ্যপ্রযুক্তি সেবাদাতা ও এর গ্রাহক উভয় পর্যায়েই ইন্টারনেট অব থিংসের চাহিদা বৃদ্ধি পাবে। কারণ এর মাধ্যমে প্রাপ্ত তথ্যের পরিমাণ অনেক ক্ষেত্রে মানুষ থেকে যেকোনো বিষয়ে প্রাপ্ত তথ্য থেকে বেশি হয়ে থাকে।
বাজার বিশ্লেষকদের মতে, নতুন বছরে প্রযুক্তিপণ্যের দাম অনেক হ্রাস পাবে। কম দামের সেন্সর, সংযোগকারী নেটওয়ার্ক, ক্লাউড কম্পিউটিং, তথ্য বিশ্লেষণ সেবা ও মোবাইল সেবার প্রসার ২০১৪ সালে অনেক বেশি হবে। এক দিকে যেমন এ পণ্যগুলোর চাহিদা সময়ের প্রয়োজনে বৃদ্ধি পাবে, অন্য দিকে এর দামও কমে আসবে। এতে বর্তমান মোবাইল জগৎ অনেকাংশেই বিবর্তিত হবে।

নতুন বছরের বিস্ময়কর প্রযুক্তি
বিজ্ঞান ও প্রযুক্তিতে অভাবনীয় পরিবর্তন আসছে নতুন বছরে। ২০১৪ সালে হাতের নাগালে আসবে ভূগর্ভস্থ বৃহত্তম হোটেল থেকে শুরু করে স্টার ওয়ার্স চলচ্চিত্রের মতো দৃশ্যমান যোগাযোগের প্রযুক্তি। টেলিগ্রাফে প্রকাশিত আসন্ন প্রযুক্তির খবর নিয়ে এই আয়োজন।
থ্রিডিতে বাস্তবতা : কম্পিউটার গেমসের কল্যাণে ভার্চুয়াল রিয়েলিটি কথাটি অতিপরিচিত। কম্পিউটারে তৈরি একটি কৃত্রিম পরিবেশকে বাস্তবের আদলে রূপান্তরেই এই প্রযুক্তির কারিগরি। এমন কিছু প্রযুক্তি আসবে, যাতে ভার্চুয়াল রিয়েলিটি কম্পিউটারের পর্দা ছেড়ে আমাদের চোখের সামনেই চলে আসবে।

বিদ্যুৎচালিত গাড়ি : বিদ্যুৎচালিত গাড়ির জন্য ২০১৪ সালটি হতে পারে একটি স্মরণীয় বছর। চীনের রাজধানী বেইজিংয়ে ১৩ সেপ্টেম্বর অনুষ্ঠিত হবে বিশ্বের প্রথম ইলেকট্রিক কার রেসিং প্রতিযোগিতা বা ফর্মুলা ই রেসিং।
অনলাইনে বিকিকিনি : অনলাইনে কেনাকাটার বড় একটি বাধা হলো, পণ্য পৌঁছানোয় দীর্ঘসূত্রতা। এ সময় মাত্র এক দিনে নামিয়ে আনার মতো বৈপ্লবিক পরিবর্তন আসছে। অনলাইন বিকিকিনির বড় প্রতিষ্ঠান অ্যামাজান ও ইবে এ সুখবর জানিয়েছে।
মহাকাশে পর্যটন : নতুন বছরে পর্যটকদের নিয়ে মহাকাশে যাবে ভার্জিন গ্যালাক্টিকম নামের একটি প্রতিষ্ঠান। তখন একটি টেলিভিশন চ্যানেল সেই মহাকাশ ভ্রমণের সম্পূর্ণ প্রক্রিয়াটি সম্প্রচার করবে। এতে মহাকাশেও ঘটবে পর্যটন শিল্পের বিকাশ।
মাটির নিচে হোটেল : চীনের সাংহাইয়ে ৩৪ কোটি ৫০ লাখ পাউন্ড ব্যয়ে তৈরি হচ্ছে বিশ্বের গভীরতম ভূগর্ভস্থ হোটেল। পাঁচ তারকা ওই হোটেলের ১৭টি তলাই থাকবে মাটির নিচে।
অত্যাধুনিক রকেট ইঞ্জিন : পৃথিবী থেকে মঙ্গলে যেতে বর্তমান প্রযুক্তির রকেটে নয় মাস সময় লাগে। এই সময়-দূরত্ব কমিয়ে আনতে নাসা বানিয়েছে নতুন ধরনের ইঞ্জিন। এটি মানুষকে মঙ্গলে নিয়ে যেতে পারবে মাত্র তিন মাসেই।
চিকিৎসায় উন্নতি : চিকিৎসায় আরো উন্নতি মানব শরীরের সংবেদনশীল অঙ্গপ্রত্যঙ্গের চিকিৎসায় নতুন বছরে আরো অগ্রগতি হবে বলে ধারণা করা হচ্ছে। 




Disclaimer:

This post might be introduced by another website. If this replication violates copyright policy in any way without attribution of its original copyright owner, please make a complain immediately to this site admin through Contact.