ভারতীয় সীমান্ত বাহিনী বিএসএফের মহাপরিচালক (ডিজি) ডি কে পাঠক ভবিষ্যতে বাংলাদেশ-ভারত সীমান্ত এলাকায় অনাকাঙ্ক্ষিত ঘটনা প্রতিরোধ করতে সেনাদের সতর্ক থাকতে এবং সীমান্তের কাছাকাছি থাকা লোকজনের সঙ্গে ঘনিষ্ঠ সম্পর্ক বজায় রাখতে তার কমান্ডার ও শীর্ষ কর্মকর্তাদের প্রতি নির্দেশ দিয়েছেন। সোমবার বিএসএফের এক কর্মকর্তার উদ্ধৃতি দিয়ে বিজনেস স্ট্যান্ডার্ড পত্রিকা এ খবর প্রকাশ করেছে। রোববার আগরতলায় শীর্ষ কর্মকর্তা, সেক্টর ও ব্যাটালিয়ন কমান্ডারদের সাথে এক বৈঠকে বিএসএফ প্রধান সীমান্তজুড়ে নিরাপত্তা পরিস্থিতি পর্যালোচনা করেন। সীমান্তে সামপ্রতিক কিছু ঘটনার প্রেক্ষাপটে ত্রিপুর সফর করেন।

ত্রিপুরা সীমান্তে সীমান্ত বাহিনী এবং গ্রামবাসীর মধ্যে এক সংঘর্ষে বিএসএফ সদস্য সন্দ্বীপ কুমার (২৮) ও গ্রামবাসী ইসমাইল মিয়া (৭০) নিহত হন। শুক্রবার রাতে আখাউড়া চেকপোস্টের কাছে সংঘটিত ওই ঘটনায় ১১ জন আহত হন। ত্রিপুরা সরকার ওই ঘটনার তদন্তে ম্যাজিস্ট্রেট পর্যায়ের কমিটি গঠন করেছে। বিএসএফ প্রধানের উদ্ধৃতি দিয়ে বাহিনীটির ডিআইজি ভাস্কর রাওয়াত বার্তা সংস্থা আইএএনএসকে বলেন, ‘বিএসএফ ডিজি এ ধরনের ঘটনার পুনরাবৃত্তি রোধে জওয়ান ও অন্যান্য মাঠ কর্মকর্তাকে সতর্ক করতে সেক্টর ও ব্যাটালিয়ন কমান্ডাদের নির্দেশ দিয়েছেন। বাহিনীর অগ্রাধিকার হবে বিএসএফ ও জনগণের মধ্যে ঘনিষ্ঠ সম্পর্ক বজায় রাখা।

শুক্রবারের সংঘর্ষের পর শনিবার মুসলিম সংগঠনগুলো বিক্ষোভ মিছিল করেছে। ত্রিপুরা সীমান্তের বিএসএফ আইজি বি এন শর্মা মুসলিম সংগঠনগুলোর নেতাদের সাথে সাক্ষাত করে তাদেরকে ভবিষ্যতে এ ধরনের ঘটনা পুনরাবৃত্তি না হওয়ার আশ্বাস দিয়েছেন।
বাংলাদেশের সঙ্গে ত্রিপুরার ৮৫৬ কিলোমিটার সীমান্ত রয়েছে। এই সীমান্তের ২৫ থেকে ৩০ শতাংশে এখনও বেড়া দেয়া হয়নি।




Disclaimer:

This post might be introduced by another website. If this replication violates copyright policy in any way without attribution of its original copyright owner, please make a complain immediately to this site admin through Contact.