শুরুটা দারুণ হলো ব্রাজিলের। এ জয়ের অগ্রভাগে থাকলেন নেইমার। ছবি: রয়টার্সদারুণ এক জয় দিয়েই ‘হেক্সা’ মিশন শুরু করল ব্রাজিল। সাও পাওলোর করিন্থিয়ানস অ্যারেনায় বিশ্বকাপের প্রথম ম্যাচে নেইমারের জোড়া গোলে ৩-১ ব্যবধানে ক্রোয়েশিয়াকে হারাল স্কলারির দল। বিশ্বকাপে এখনো পর্যন্ত কোনো আয়োজক দলই নিজেদের প্রথম ম্যাচে হারেনি। ১৯৫০ সালে আয়োজক ব্রাজিল নিজেদের প্রথম ম্যাচেই মেক্সিকো উড়িয়ে দিয়েছিল ৪-০ ব্যবধানে। এবারের বিশ্বকাপের উদ্বোধনী ম্যাচে তাই ব্রাজিলের প্রতিপক্ষ হিসেবে  ক্রোয়েশিয়া কোন দিক দিয়েই কাঁপুনি ধরানোর মতো দল ছিল না। কিন্তু ম্যাচের শুরুতে কাঁপুনি ঠিকই ধরল ব্রাজিল-সমর্থকদের। আর সেটি ধরালেন এক ব্রাজিলিয়ানই! 

ম্যাচের ১১ মিনিটেই গোল! তাও আবার ব্রাজিলের জালে! মার্সেলের আত্মঘাতী গোলে ম্যাচের ১১ মিনিটে গোল খেল ব্রাজিল! শুরুটা হলো নড়বড়ে। ক্রোয়েশিয়া নয়, তখন ব্রাজিলের সামনে বিরাট প্রতিপক্ষ—চাপ। সেই চাপ বাড়ল ২৭ মিনিটে মডরিচকে ফাউল করে নেইমারের হলুদ কার্ড দেখার পর। যেটি কিনা এবারের বিশ্বকাপে প্রথম হলুদ কার্ড!

ঠিক এর পরেই ম্যাচের গল্পটা গেল পাল্টে। কার্ড দেখে যেন আরও চাঙা হয়ে উঠলেন নেইমার। ঠিক এর দুই মিনিট পর অর্থাত্ ২৯ মিনিটে ব্রাজিলীয় ফরোয়ার্ডের গোলেই সমতায় ফিরল ব্রাজিল। নেইমারের শটটি পোস্টে লেগে ক্রোয়েটদের জালে জড়াল। একটু এদিক-ওদিক হলেই আক্ষেপে পুড়তে হতো সেলেসাওদের।





৬৯ মিনিটে বক্সে ফ্রেডকে ফাউল করে বসলেন দেয়ান লোভরেন। সঙ্গে সঙ্গে রেফারির বাঁশি—পেনাল্টি! পেনাল্টি থেকে গোল আদায় করে নিলেন নেইমার। ক্রোয়েশিয়ার গোলরক্ষক স্তিপে প্লেতিকোসা দারুণ চেষ্টা চালিয়েও নেইমারের শটটি সেভ করতে পারলেন না। নেইমারের জোড়া গোলে হলুদের ঢেউ উঠল গোটা স্টেডিয়ামে। সেই ঢেউ  আঁচড়ে পড়ল দুনিয়ার আনাচে-কানাচে ছড়িয়ে ছিটিয়ে থাকা ব্রাজিল সমর্থকদের মনে।  দ্বিতীয়ার্ধের অতিরিক্ত সময়ে অস্কারের গোলের পর ব্রাজিল এ বার্তা দিয়ে রাখল—হেক্সা মিশনে নেমেছে সেলেসাওরা। পর্বতপ্রমাণ চাপকে জয় করেই ৩-১ ব্যবধানে ক্রোয়েশিয়াকে হারাল ব্রাজিল।




Disclaimer:

This post might be introduced by another website. If this replication violates copyright policy in any way without attribution of its original copyright owner, please make a complain immediately to this site admin through Contact.