ইরাকের তাকফিরি সন্ত্রাসীদের হাত থেকে
সালাহউদ্দিন প্রদেশের ইসহাকি শহরের দখল পুনরুদ্ধার করেছে দেশটির
সেনাবাহিনী। এ শহরের অবস্থান রাজধানী বাগদাদের উত্তরে এবং সবচেয়ে কাছে।





পুলিশের এক কর্মকর্তা এবং একজন ডাক্তার
বলেছেন, শহর উদ্ধার অভিযানের পর উপজাতি গেরিলা ও সেনারা পুড়িয়ে ফেলা ১২ জন
পুলিশের লাশ উদ্ধার করেছে। ইরাকি সেনারা সালাহউদ্দিন প্রদেশের মুয়াতাসসাম
এলাকারও দখল নিয়েছে। এছাড়া, শুক্রবার রাতে পুলিশ এবং স্থানীয় জনগণ ধুলিয়াহ
শহর থেকে তাকফিরি সন্ত্রাসী আইএসআইএল-কে তাড়িয়ে দিতে সক্ষম হয়েছে। একজন
প্রত্যক্ষদর্শী জানিয়েছেন, শহর মুক্ত হওয়ার পর সেখানকার লোকজন আকাশে ফাঁকা
গুলি ছুঁড়ছে।





এদিকে, রাজধানী বাগদাদের উত্তরে তাকফিরি
গেরিলাদের বিরুদ্ধে পাল্টা অভিযানের প্রস্তুতি নিচ্ছে সামরিক বাহিনী।
এরইমধ্যে সামরিক ও পুলিশ কর্মকর্তারা সামারাহ এলাকায় পৌঁছেছেন। কয়েকদিন আগে
এ এলাকাটি আইএসআইএল গেরিলারা দখল করে নিয়েছিল। শহরটি পরিদর্শন করেছেন
ইরাকের প্রধানমন্ত্রী নূরি আল-মালিকি। তিনি সেখানে সামরিক কর্মকর্তাদের এক
সমাবেশে বলেছেন, ইরাকি বাহিনীর জন্য সামারাহ নিরাপত্তার শেষ পয়েন্ট হবে না
বরং সেনা সমাবেশ ও অভিযানের ক্ষেত্র হবে এটা। তিনি জানান, আগামী কয়েক
ঘণ্টার মধ্যে ইরাকের সমস্ত স্বেচ্ছাসেবী নিরাপত্তা বাহিনীকে সহযোগিতার জন্য
সামারাহ পৌঁছে যাবে।




এর আগে, নূরি আল-মালিকি জানিয়েছেন,
আইএসআইএল সন্ত্রাসীদের বিরুদ্ধে লড়াই করতে ইরাকের মন্ত্রিসভা তাকে সীমাহীন
ক্ষমতা দিয়েছে। তিনি জানান, সরকার নেইনাভা ও সালাহউদ্দিন প্রদেশের জনগণকে
সন্ত্রাস-বিরোধী লড়াইয়ে অস্ত্র দেবে। ইরাকের বিভিন্ন অঞ্চল থেকে শত শত তরুণ
তাকফিরি সন্ত্রাসীদের বিরুদ্ধে লড়াইয়ের জন্য দলে দলে রাজধানী বাগদাদে
যাচ্ছে।




 (রেডিও তেহরান)




Disclaimer:

This post might be introduced by another website. If this replication violates copyright policy in any way without attribution of its original copyright owner, please make a complain immediately to this site admin through Contact.