ঋতুর পালাক্রমে আসছে শীত তবে প্রকৃতির রহস্যময়তায় শীত এখন আর ঋতু ক্যালেন্ডারের দিনক্ষণ গুনে আসেনা। উদাসী শীত তার সেই অপরূপ সৌন্দর্যের ভান্ডার দিয়ে ভরে দিবে বাংলার প্রকৃতিকে। ভোরের মিষ্টি আলো যখন ধানক্ষেতের ওপর জমে থাকা শিশির কণাগুলো স্পর্শ করে তখন মনে হয় মুক্তারদানাগুলো মতো যেন জ্বল জ্বল করছে । শীতের সকালে খেজুরের রস আর ভাপা পিঠার স্বাদ কার না পছন্দ? কৃষকের ক্ষেতের টাটকা শাক-সবজীর সজীব নি:শ্বাস পাওয়া যায় খাবার টেবিলে। রূপসী বাংলার আকাশে অতিথি পাখির আগমন ও গুঞ্জনে ভরে উঠে চারদিক। দিনের শেষে প্রকৃতি নিজেকে জড়িয়ে নেয় কুয়াশার চাঁদরে।এই শীতকে বরণ করে নিতে আমাদের কতনা গুঞ্জনা, শীতকে নিয়ে প্রোগ্রামের শেষ নেই। কেউ কেউ ছুটে যাই দেশের বিভিন্ন প্রান্তে শীতের এই মমতাময়ী প্রকৃতিকে খুব কাছ থেকে স্পর্শ করে দেখতে। শীতের পোশাক কেনার ধুম পড়ে যায় চারদিকে। ‘এবার শীতে আমাকে একটা নতুন ব্ল্যাক কালারের জ্যাকেট কিনে দিতে হবে’ - বাবার কাছে ছেলের এমন আবদার যেন শীতকালের আনন্দটাকে যেন আরও বাড়িয়ে দেয়। সত্যি বলতে, শীতের পোশাক নিয়ে সবার মাঝেই একটা আলাদা অনুভূতি কাজ করে। কারো চাই নতুন স্টাইলের একটা ব্লেইজার, কারো চাই হার্ট-হিট সু বা কনভার্স, কারো আবার খানদানী চাঁদর। শীতকালে শীতের পোশাক কেনা একটা শিল্পও বটে। শীতকে বরণ করে নিতে আমাদের আমাদের যেমন জল্পনা-কল্পনার শেষ নেই ঠিক তেমনই শীতের কবল থেকে বাঁচতে দুশ্চিন্তাগ্রস্থ পথ-শিশুগুলো। ‘কোথায় পামু একটা শীতের কাপড়, এবার কি কেউ আমাগো একটা শীতের কাপড় দিবো,-এরকম ভাবনায় শীতকে আমন্ত্রণ জানানোটা যে পথ-শিশুদের একট চিরচেনা রূপ। এসব শিশুদের কাছে শীতকালটা যেন একটু বেশীই যন্ত্রণাদায়ক। যাঁদের দু-বেলা খাবার যোগাড় করাই অসাধ্য হয়ে উঠে তাঁদের শীতের কাপড় কেনার কথাটা তো একপ্রকার-হাস্যকর ব্যাপার হয়ে দাঁড়ায় আর যেখানে আমরা দামি দামি শীতের জামা-কাপড় কিনতে ব্যস্ত। একটু ঠান্ডা মাথায় ভাবা যাক, এটা কি তাঁদের দোষ? নাকি তাঁদের কপালের? হতেও তো পারত আমাদের অবস্থান ঠিক তাদের অবস্থানে। আমাদের জন্মটা যদি হতো তাঁদের মত, তাহলে কী কিচ্ছু করার ছিল? এটা ভাবার পর হয়তো সৃষ্টিকর্তাকে আমরা মন থেকে একটা ধন্যবাদ জানাবো। ৩০ লক্ষ প্রাণের বিনিময়ে আজ আমরা একটি স্বাধীন দেশে নিজেদের সামর্থ্য আর চাহিদা অনুযায়ী ভোগ-বিলাসিতা করে যাচ্ছি। লক্ষ শহীদের এই স্বাধীন দেশের জন্ম কী এই শিশুগুলোর সামান্য শীতের কাপড়ের অভাবের জন্য? আমরা সবাই না আফসোস করতে খুব ভালই শিখেছি। যখন তাদের সম্পর্কে কিছু পড়লাম বা রাস্তার পাশে শুয়ে থাকতে দেখলাম ঠিক সেই সময়টুকুই আমাদের আফসোস থাকে। আসছে শীত আসুন আর আফসোস নয়, আদর করে কাছে ঢেকে অন্তত একটা শীতের জামা উঠিয়ে দেই কোন একটি শিশুর হাতে। মাথায় হাত বুলিয়ে দিয়ে বলি - ‘এই নে এটা তোর শীতের জামা’। আমরা সারাক্ষণ সুখের পেছনে ছুটছি, জানিনা সুখ নামক সোনার হরিণটি কোথায়? তবে আর্তমানবতার সেবাকে বিস্তৃত করতে শীতার্ত অসহায় ছিন্নমূল শিশুদের গায়ে একটি উষ্ণ প্রলেপ দিতে আসুন সবাই একাট্টা আত্মায় নিবেদিত হই। তাহলে অবশ্যই আল্লাহর দরবারে সুখ নামক সোনর হরিণটি অপেক্ষমান থাকবে। কারণ সৃষ্টির সেবার মাঝেই প্রভুকে পাওয়ার মহা আনন্দটি লুকিয়ে।
‘আসছে শীত, আসন্ন ভোগান্তি ছিন্নমূলদের’
ঋতুর পালাক্রমে আসছে শীত তবে প্রকৃতির রহস্যময়তায় শীত এখন আর ঋতু ক্যালেন্ডারের দিনক্ষণ গুনে আসেনা। উদাসী শীত তার সেই অপরূপ সৌন্দর্যের ভান্ডার দিয়ে ভরে দিবে বাংলার প্রকৃতিকে। ভোরের মিষ্টি আলো যখন ধানক্ষেতের ওপর জমে থাকা শিশির কণাগুলো স্পর্শ করে তখন মনে হয় মুক্তারদানাগুলো মতো যেন জ্বল জ্বল করছে । শীতের সকালে খেজুরের রস আর ভাপা পিঠার স্বাদ কার না পছন্দ? কৃষকের ক্ষেতের টাটকা শাক-সবজীর সজীব নি:শ্বাস পাওয়া যায় খাবার টেবিলে। রূপসী বাংলার আকাশে অতিথি পাখির আগমন ও গুঞ্জনে ভরে উঠে চারদিক। দিনের শেষে প্রকৃতি নিজেকে জড়িয়ে নেয় কুয়াশার চাঁদরে।এই শীতকে বরণ করে নিতে আমাদের কতনা গুঞ্জনা, শীতকে নিয়ে প্রোগ্রামের শেষ নেই। কেউ কেউ ছুটে যাই দেশের বিভিন্ন প্রান্তে শীতের এই মমতাময়ী প্রকৃতিকে খুব কাছ থেকে স্পর্শ করে দেখতে। শীতের পোশাক কেনার ধুম পড়ে যায় চারদিকে। ‘এবার শীতে আমাকে একটা নতুন ব্ল্যাক কালারের জ্যাকেট কিনে দিতে হবে’ - বাবার কাছে ছেলের এমন আবদার যেন শীতকালের আনন্দটাকে যেন আরও বাড়িয়ে দেয়। সত্যি বলতে, শীতের পোশাক নিয়ে সবার মাঝেই একটা আলাদা অনুভূতি কাজ করে। কারো চাই নতুন স্টাইলের একটা ব্লেইজার, কারো চাই হার্ট-হিট সু বা কনভার্স, কারো আবার খানদানী চাঁদর। শীতকালে শীতের পোশাক কেনা একটা শিল্পও বটে। শীতকে বরণ করে নিতে আমাদের আমাদের যেমন জল্পনা-কল্পনার শেষ নেই ঠিক তেমনই শীতের কবল থেকে বাঁচতে দুশ্চিন্তাগ্রস্থ পথ-শিশুগুলো। ‘কোথায় পামু একটা শীতের কাপড়, এবার কি কেউ আমাগো একটা শীতের কাপড় দিবো,-এরকম ভাবনায় শীতকে আমন্ত্রণ জানানোটা যে পথ-শিশুদের একট চিরচেনা রূপ। এসব শিশুদের কাছে শীতকালটা যেন একটু বেশীই যন্ত্রণাদায়ক। যাঁদের দু-বেলা খাবার যোগাড় করাই অসাধ্য হয়ে উঠে তাঁদের শীতের কাপড় কেনার কথাটা তো একপ্রকার-হাস্যকর ব্যাপার হয়ে দাঁড়ায় আর যেখানে আমরা দামি দামি শীতের জামা-কাপড় কিনতে ব্যস্ত। একটু ঠান্ডা মাথায় ভাবা যাক, এটা কি তাঁদের দোষ? নাকি তাঁদের কপালের? হতেও তো পারত আমাদের অবস্থান ঠিক তাদের অবস্থানে। আমাদের জন্মটা যদি হতো তাঁদের মত, তাহলে কী কিচ্ছু করার ছিল? এটা ভাবার পর হয়তো সৃষ্টিকর্তাকে আমরা মন থেকে একটা ধন্যবাদ জানাবো। ৩০ লক্ষ প্রাণের বিনিময়ে আজ আমরা একটি স্বাধীন দেশে নিজেদের সামর্থ্য আর চাহিদা অনুযায়ী ভোগ-বিলাসিতা করে যাচ্ছি। লক্ষ শহীদের এই স্বাধীন দেশের জন্ম কী এই শিশুগুলোর সামান্য শীতের কাপড়ের অভাবের জন্য? আমরা সবাই না আফসোস করতে খুব ভালই শিখেছি। যখন তাদের সম্পর্কে কিছু পড়লাম বা রাস্তার পাশে শুয়ে থাকতে দেখলাম ঠিক সেই সময়টুকুই আমাদের আফসোস থাকে। আসছে শীত আসুন আর আফসোস নয়, আদর করে কাছে ঢেকে অন্তত একটা শীতের জামা উঠিয়ে দেই কোন একটি শিশুর হাতে। মাথায় হাত বুলিয়ে দিয়ে বলি - ‘এই নে এটা তোর শীতের জামা’। আমরা সারাক্ষণ সুখের পেছনে ছুটছি, জানিনা সুখ নামক সোনার হরিণটি কোথায়? তবে আর্তমানবতার সেবাকে বিস্তৃত করতে শীতার্ত অসহায় ছিন্নমূল শিশুদের গায়ে একটি উষ্ণ প্রলেপ দিতে আসুন সবাই একাট্টা আত্মায় নিবেদিত হই। তাহলে অবশ্যই আল্লাহর দরবারে সুখ নামক সোনর হরিণটি অপেক্ষমান থাকবে। কারণ সৃষ্টির সেবার মাঝেই প্রভুকে পাওয়ার মহা আনন্দটি লুকিয়ে।





