বাংলা নিউজ ডেস্ক:

প্রধান বিচারপতি সুরেন্দ্র কুমার সিনহা পদ ছাড়ার পর নতুন নিয়োগের ক্ষেত্রে কোনো সময় বেধে দেয়া নেই বলে জানিয়েছেন আইনমন্ত্রী আনিসুল হক। তিনি বলেন, এটি রাষ্ট্রপতির এখতিয়ার। তিনি যখন চাইবেন, তখনই নিয়োগ দিতে পারেন।



বুধবার দুপুরে রাজধানীর বারিধারার এক অনুষ্ঠান শেষে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে এসব কথা বলেন আইনমন্ত্রী।



'আর মাদক নয়, এই হোক প্রত্যয়’ স্লোগানকে সামনে রেখে মাদক প্রতিরোধে এক গণআন্দোলনের সূচনা অনুষ্ঠানের আয়োজন করে একটি মেডিকেল ক্লিনিক।



মন্ত্রী বলেন, ‘প্রধান বিচারপতি নিয়োগের বিষয়টি যেহেতু একেবারেই রাষ্ট্রপতির এখতিয়ার, তাই এ ব্যাপারে আইন মন্ত্রণালয়ের বলার কিছু নেই।’



প্রধান বিচারপতি হিসেবে আগামী ফেব্রুয়ারিতে দায়িত্ব শেষ হওয়ার কথা ছিল সুরেন্দ্র কুমার সিনহার। কিন্তু এক মাসের ছুটি নিয়ে গত ১৩ নভেম্বর দেশের বাইরে যাওয়ার পর অর্থপাচারসহ ১১টি অভিযোগ উঠার পর তিনি আর দেশে ফেরেননি। ১০ নভেম্বর ছুটি শেষ হওয়ার পর সিঙ্গাপুরে বাংলাদেশ হাইকমিশনারের মাধ্যমে তিনি রাষ্ট্রপতির কাছে পদত্যাগপত্র পাঠান। সেখান থেকে সিনহা চলে যান কানাডায়।



গত ২ অক্টোবর সিনহা শারীরিক অসুস্থতার কথা বলে ছুটি চান। এই ছুটি অনুমোদনের পরই রাষ্ট্রপতি আপিল বিভাগের জ্যেষ্ঠতম বিচারপতি আবদুল ওয়াহহাব মিয়াকে ভারপ্রাপ্ত প্রধান বিচারপতি হিসেবে নিয়োগ দিয়েছেন।



এতদিন ওয়াহহাব মিয়া ভারপ্রাপ্ত হিসেবে দায়িত্ব পালন করলেও প্রধান বিচারপতি পদে একজন ছিলেন। এই পদটি ফাঁকা হওয়ায় কোনো সংকট তৈরি হয়েছে কি না—এমন প্রশ্নে আইনমন্ত্রী বলেন, ‘এটি কোনো সমস্যা না। সংবিধানে প্রধান বিচারপতি অনুপস্থিতিতে বা পদত্যাগ করলে কী হবে বা কে দায়িত্ব পালন করবেন, তা বলা আছে।’



এতে অন্যদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন ওয়ানডে দলের অধিনায়ক মাশরাফি বিন মুর্তজা, মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদফতরের প্রধান কনসালট্যান্ট সৈয়দ ইমামুল হোসেন ও প্রত্যয় মেডিকেল ক্লিনিকের চেয়ারম্যান নাজমুল হকসহ অনান্য গুরুতনূর্ণ ব্যক্তিবর্গ।